
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান চরম অস্থিরতার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষ যদি নতুন করে কোনো হঠকারী পদক্ষেপ নেয়, তবে তাদের রণক্ষেত্রে চরম মূল্য দিতে হবে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
আকরামিনিয়া স্পষ্ট করে বলেন, "আমরা যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করি না। বর্তমান পরিস্থিতি এখনো আমাদের কাছে যুদ্ধকালীন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।" তিনি জানান, ইরান তার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করেছে। এবার কোনো আগ্রাসন ঘটলে শত্রুরা সম্পূর্ণ নতুন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম, আধুনিক অস্ত্র এবং উন্নত সমরকৌশলের মুখোমুখি হবে যা আগে কখনও দেখেনি।
ইরানি সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র আরও সতর্ক করে বলেন, তেহরান যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত। শত্রুরা যদি ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করে, তবে তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও বিধ্বংসী জবাবের মুখে পড়বে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি জাতিসংঘের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে ইরান নির্বাচিত হওয়াকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের তীব্র বাকযুদ্ধ চলছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে সামরিক বাহিনীর এই কঠোর অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান চরম অস্থিরতার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষ যদি নতুন করে কোনো হঠকারী পদক্ষেপ নেয়, তবে তাদের রণক্ষেত্রে চরম মূল্য দিতে হবে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
আকরামিনিয়া স্পষ্ট করে বলেন, "আমরা যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করি না। বর্তমান পরিস্থিতি এখনো আমাদের কাছে যুদ্ধকালীন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।" তিনি জানান, ইরান তার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করেছে। এবার কোনো আগ্রাসন ঘটলে শত্রুরা সম্পূর্ণ নতুন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম, আধুনিক অস্ত্র এবং উন্নত সমরকৌশলের মুখোমুখি হবে যা আগে কখনও দেখেনি।
ইরানি সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র আরও সতর্ক করে বলেন, তেহরান যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত। শত্রুরা যদি ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করে, তবে তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও বিধ্বংসী জবাবের মুখে পড়বে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি জাতিসংঘের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে ইরান নির্বাচিত হওয়াকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের তীব্র বাকযুদ্ধ চলছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে সামরিক বাহিনীর এই কঠোর অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১৮ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
২০ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১ দিন আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে