
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তান সফরের পর এবার রাশিয়া পৌঁছেছেন ইরানের পরররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সেখানে পৌঁছানোর পর গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ‘সফল’ হয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গেও আঞ্চলিক ইস্যুতে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভুলে’র কারণেই প্রথম পর্বের বৈঠকে কোনো সমাধান আসেনি।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) আব্বাস আরাগচির অফিশিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে তার রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছানো ও গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যের কথা জানানো হয়। এ সফরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি।
আরাগচির টেলিগ্রাম চ্যানেলে বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায় এক পোস্টে জানানো হয়, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাগচি আজ (সোমবার) ভোরে রাশিয়া ফেডারেশনে একটি আনুষ্ঠানিক সফরের অংশ হিসেবে সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন। সফরে তিনি ভ্লাদিমির পুতিন ও সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা করবেন।
ঘণ্টাখানেক পরে একই চ্যানেলে আরেক পোস্টে সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছানোর পর গণমাধ্যমে দেওয়া আরাঘচির বক্তব্য তুলে ধরা হয়। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে গত ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফা আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগের দফার আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হলেও যুক্তরাষ্ট্রের ভুল দৃষ্টিভঙ্গি ও অতিরিক্ত দাবির কারণে তা কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি। তাই বর্তমান পরিস্থিতি পাকিস্তানের বন্ধুদের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন ছিল।’
রাশিয়া সফর প্রসঙ্গে আরাগচি বলেন, ‘আপনারা দেখছেন, রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সবসময়ই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে, বিশেষ করে আঞ্চলিক ইস্যুতে আমরা নিয়মিত ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে আসছি। রমজানের সময় আরোপিত যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কিছুদিন সরাসরি বৈঠকে বিরতি তৈরি হয়েছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পাকিস্তান ও ওমানে সাম্প্রতিক সফরের ধারাবাহিকতায় রাশিয়া সফর নির্ধারণ করা হয়েছে।’
সফরে যুদ্ধ-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও চলমান অবস্থা নিয়ে রুশ বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা ও সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন বলে জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আলোচনা ও পর্যালোচনা শেষে প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত সমন্বয়ও করা হবে বলে জানান তিনি।
রাশিয়া সফরের আগে দুই দিনের ব্যবধানে দুবার পাকিস্তান সফর করেন আব্বাস আরাগচি। পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানে আমাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, সফরটি খুবই সফল ছিল। অতীত পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি কোন প্রেক্ষাপটে ও কীভাবে আলোচনা এগোতে পারে, সে বিষয়েও কথা হয়েছে। ইরানের জনগণের ৪০ দিনের সাহসী প্রতিরোধ আমাদের অধিকার আদায় ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সহায়ক হওয়া উচিত।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছিল। ওই আলোচনার রেশ শেষ হতে না হতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা করে বসে ইরানে। জেনেভায় অনুষ্ঠিত ওই আলোচনাতেও নেতৃত্বে দিয়েছিলেন আরাগচি। ওই মুহূর্তে ইরানের ওপর হামলাকে তিনি ‘প্রতারণা’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।
ওমানসহ মিত্র দেশগুলো প্রসঙ্গে আরাগচি বলেন, ‘ওমান আমাদের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুসুলভ দেশ। তারা এ সংঘাতে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। প্রতিবেশী দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ, যেন আমরা বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারি।’

পাকিস্তান সফরের পর এবার রাশিয়া পৌঁছেছেন ইরানের পরররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সেখানে পৌঁছানোর পর গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ‘সফল’ হয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গেও আঞ্চলিক ইস্যুতে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভুলে’র কারণেই প্রথম পর্বের বৈঠকে কোনো সমাধান আসেনি।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) আব্বাস আরাগচির অফিশিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে তার রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছানো ও গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যের কথা জানানো হয়। এ সফরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি।
আরাগচির টেলিগ্রাম চ্যানেলে বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায় এক পোস্টে জানানো হয়, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাগচি আজ (সোমবার) ভোরে রাশিয়া ফেডারেশনে একটি আনুষ্ঠানিক সফরের অংশ হিসেবে সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন। সফরে তিনি ভ্লাদিমির পুতিন ও সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা করবেন।
ঘণ্টাখানেক পরে একই চ্যানেলে আরেক পোস্টে সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছানোর পর গণমাধ্যমে দেওয়া আরাঘচির বক্তব্য তুলে ধরা হয়। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে গত ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফা আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগের দফার আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হলেও যুক্তরাষ্ট্রের ভুল দৃষ্টিভঙ্গি ও অতিরিক্ত দাবির কারণে তা কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি। তাই বর্তমান পরিস্থিতি পাকিস্তানের বন্ধুদের সঙ্গে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন ছিল।’
রাশিয়া সফর প্রসঙ্গে আরাগচি বলেন, ‘আপনারা দেখছেন, রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সবসময়ই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে, বিশেষ করে আঞ্চলিক ইস্যুতে আমরা নিয়মিত ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে আসছি। রমজানের সময় আরোপিত যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কিছুদিন সরাসরি বৈঠকে বিরতি তৈরি হয়েছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পাকিস্তান ও ওমানে সাম্প্রতিক সফরের ধারাবাহিকতায় রাশিয়া সফর নির্ধারণ করা হয়েছে।’
সফরে যুদ্ধ-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও চলমান অবস্থা নিয়ে রুশ বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা ও সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন বলে জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আলোচনা ও পর্যালোচনা শেষে প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত সমন্বয়ও করা হবে বলে জানান তিনি।
রাশিয়া সফরের আগে দুই দিনের ব্যবধানে দুবার পাকিস্তান সফর করেন আব্বাস আরাগচি। পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানে আমাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, সফরটি খুবই সফল ছিল। অতীত পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি কোন প্রেক্ষাপটে ও কীভাবে আলোচনা এগোতে পারে, সে বিষয়েও কথা হয়েছে। ইরানের জনগণের ৪০ দিনের সাহসী প্রতিরোধ আমাদের অধিকার আদায় ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সহায়ক হওয়া উচিত।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছিল। ওই আলোচনার রেশ শেষ হতে না হতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা করে বসে ইরানে। জেনেভায় অনুষ্ঠিত ওই আলোচনাতেও নেতৃত্বে দিয়েছিলেন আরাগচি। ওই মুহূর্তে ইরানের ওপর হামলাকে তিনি ‘প্রতারণা’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।
ওমানসহ মিত্র দেশগুলো প্রসঙ্গে আরাগচি বলেন, ‘ওমান আমাদের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুসুলভ দেশ। তারা এ সংঘাতে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। প্রতিবেশী দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ, যেন আমরা বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারি।’

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
২০ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১ দিন আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে