
বিবিসি বাংলা

পাকিস্তান যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে, তখন ইরানের মধ্যে ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্য নিয়ে চরম অবিশ্বাস ও সংশয় বিরাজ করছে। মূলত অতীতে আলোচনা চলাকালীনই মার্কিন হামলার তিক্ত অভিজ্ঞতা এই আস্থাহীনতার মূল কারণ।
২০২৫ সালের জুন মাসে যখন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনায় বসেছিলেন, ঠিক তখনই ইরানজুড়ে সামরিক হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
দুই পক্ষের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বি-টু বোমারু বিমান এবং বাঙ্কার-বাস্টার অস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে।
তখন থেকেই ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল দাবি করে আসছে যে, ইরান পুনরায় তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মিসাইল তৈরির চেষ্টা করছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওমানের মাস্কাটে উইটকফ ও কুশনার আবারও আরাঘচির সাথে সাক্ষাৎ করেন।
কিন্তু সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাঝেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, আলোচনার অগ্রগতিতে তিনি ‘সন্তুষ্ট নন’।
এবারও একই মার্কিন দূতরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানের পথে রয়েছেন। ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেন না। আলোচনার চেয়ে তারা এখন ‘সামরিক প্রস্তুতি’ জোরদার করার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
ইরানের কিছু কট্টরপন্থি নেতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না। যদিও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণকেই হামলার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন ট্রাম্প।

পাকিস্তান যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে, তখন ইরানের মধ্যে ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্য নিয়ে চরম অবিশ্বাস ও সংশয় বিরাজ করছে। মূলত অতীতে আলোচনা চলাকালীনই মার্কিন হামলার তিক্ত অভিজ্ঞতা এই আস্থাহীনতার মূল কারণ।
২০২৫ সালের জুন মাসে যখন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনায় বসেছিলেন, ঠিক তখনই ইরানজুড়ে সামরিক হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
দুই পক্ষের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বি-টু বোমারু বিমান এবং বাঙ্কার-বাস্টার অস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে।
তখন থেকেই ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল দাবি করে আসছে যে, ইরান পুনরায় তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মিসাইল তৈরির চেষ্টা করছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওমানের মাস্কাটে উইটকফ ও কুশনার আবারও আরাঘচির সাথে সাক্ষাৎ করেন।
কিন্তু সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাঝেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, আলোচনার অগ্রগতিতে তিনি ‘সন্তুষ্ট নন’।
এবারও একই মার্কিন দূতরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানের পথে রয়েছেন। ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেন না। আলোচনার চেয়ে তারা এখন ‘সামরিক প্রস্তুতি’ জোরদার করার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
ইরানের কিছু কট্টরপন্থি নেতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না। যদিও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণকেই হামলার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন ট্রাম্প।

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ সফরে গিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। গতকাল শুক্রবার একটি ছোট প্রতিনিধিদলকে নিয়ে ইসলামাবাদ পৌঁছেছেন তিনি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাতে রয়টার্সের খবরে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
বৈঠকের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কায়া কাল্লাস সতর্ক করে বলেন, এবারের আলোচনা থেকে যদি ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তির মতো শক্তিশালী কোনো সমঝোতায় না পৌঁছানো যায়, তাহলে বিশ্ব আরও বিপজ্জনক এক ইরানের মুখোমুখি হতে পারে।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রথম পর্বের আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এ পর্বে থাকছেন না। তবে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সরাসরি আলোচনায় বসার পরিকল্পনা নেই।
১৩ ঘণ্টা আগে
এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই ইমেইলে ন্যাটোতে স্পেনের সদস্যপদ স্থগিত করা এবং ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ব্রিটেনের দাবির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্বিবেচনার মতো পদক্ষেপের প্রস্তাব রয়েছে।
১ দিন আগে