
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধসহ দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তি ও আরেক সংবাদ সংস্থা তাসের বরাতে আল জাজিরা এ খবর দিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে সোমবার (২৭ এপ্রিল) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গেও বৈঠক করেন আরাগচি।
বৈঠকে পুতিন বলেন, ‘রাশিয়া আশা করে, ইরানের জনগণ এ কঠিন সময় অতিক্রম করতে সক্ষম হবে এবং শেষ পর্যন্ত শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।’
ইরানের পক্ষে সমর্থনের কথা জানিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে আমরা এমন সবকিছুই করব, যা আপনাদের স্বার্থ ও পুরো অঞ্চলের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে এবং যেন যত দ্রুতসম্ভব শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায়। আপনারা আমাদের অবস্থান ভালোভাবেই জানেন।
এবারের যুদ্ধের শুরুতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়। পরে তার ছেলে মোজতবা খামেনিকেই নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করেছে ইরান। তাকে ইঙ্গিত করে পুতিন ইরানের জনগণের সাহস ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করে বলেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে তারা এই কঠিন সময় অতিক্রম করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদী।

বৈঠকে আগের মতোই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের বিপরীত অবস্থান অব্যাহত রাখার কথা তুলে ধরেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি। তিনি বলেন, ‘পুরো বিশ্ব দেখেছে, ইরানের জনগণ তাদের প্রতিরোধ ও সাহসের মাধ্যমে মার্কিন আগ্রাসন মোকাবিলা করতে পেরেছে এবং এই কঠিন সময়ও তারা অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।’
বৈঠকে রাশিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান আরাগচি। বলেন, ‘আমরা বিশ্বকে দেখিয়েছি, রাশিয়া ফেডারেশনের মতো ভালো মিত্র ও বন্ধু আমাদের রয়েছে। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতি আপনাদের দৃঢ় ও অবিচল সমর্থনের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’
একই সঙ্গে ইরান-রাশিয়ার সম্পর্কের প্রশংসা করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শুরু হয় যুদ্ধ। ৪০ দিন পর গত ৮ এপ্রিল এ যুদ্ধে দুই সপ্তাহের বিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিরতির চতুর্থ দিনের মাথায় ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক।
পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে সাধারণ কোনো অবস্থানে পৌঁছাতে না পারায় প্রথম দফায় দুই দেশের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এরপর পাকিস্তান দ্বিতীয় দফায় আলোচনার উদ্যোগ নিলেও এখন পর্যন্ত সে উদ্যোগ আলোর মুখ দেখেনি। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ ঘোষণা করলে ইরান অনড় অবস্থান নিয়েছে, অবরোধ চলাকালে তারা কোনো আলোচনায় বসবে না। অন্যদিকে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
আব্বাস আরাগচি অবশ্য গত এক সপ্তাহের মধ্যেই দুই দিনের ব্যবধানে দুবার পাকিস্তান সফর করেছেন। পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। তবে তাতে বরফ গলেনি। আরাগচি দ্বিতীয় দফা পাকিস্তান সফর শেষ করে সোমবার সকালে পৌঁছান রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সংঘাত ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে রাশিয়া-ইরান বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অবনতি ও আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যের প্রশ্নে মস্কো-তেহরান ঘনিষ্ঠতা নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধসহ দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তি ও আরেক সংবাদ সংস্থা তাসের বরাতে আল জাজিরা এ খবর দিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে সোমবার (২৭ এপ্রিল) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গেও বৈঠক করেন আরাগচি।
বৈঠকে পুতিন বলেন, ‘রাশিয়া আশা করে, ইরানের জনগণ এ কঠিন সময় অতিক্রম করতে সক্ষম হবে এবং শেষ পর্যন্ত শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।’
ইরানের পক্ষে সমর্থনের কথা জানিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে আমরা এমন সবকিছুই করব, যা আপনাদের স্বার্থ ও পুরো অঞ্চলের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে এবং যেন যত দ্রুতসম্ভব শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায়। আপনারা আমাদের অবস্থান ভালোভাবেই জানেন।
এবারের যুদ্ধের শুরুতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়। পরে তার ছেলে মোজতবা খামেনিকেই নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করেছে ইরান। তাকে ইঙ্গিত করে পুতিন ইরানের জনগণের সাহস ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করে বলেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে তারা এই কঠিন সময় অতিক্রম করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদী।

বৈঠকে আগের মতোই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের বিপরীত অবস্থান অব্যাহত রাখার কথা তুলে ধরেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি। তিনি বলেন, ‘পুরো বিশ্ব দেখেছে, ইরানের জনগণ তাদের প্রতিরোধ ও সাহসের মাধ্যমে মার্কিন আগ্রাসন মোকাবিলা করতে পেরেছে এবং এই কঠিন সময়ও তারা অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।’
বৈঠকে রাশিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান আরাগচি। বলেন, ‘আমরা বিশ্বকে দেখিয়েছি, রাশিয়া ফেডারেশনের মতো ভালো মিত্র ও বন্ধু আমাদের রয়েছে। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতি আপনাদের দৃঢ় ও অবিচল সমর্থনের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’
একই সঙ্গে ইরান-রাশিয়ার সম্পর্কের প্রশংসা করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শুরু হয় যুদ্ধ। ৪০ দিন পর গত ৮ এপ্রিল এ যুদ্ধে দুই সপ্তাহের বিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিরতির চতুর্থ দিনের মাথায় ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক।
পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে সাধারণ কোনো অবস্থানে পৌঁছাতে না পারায় প্রথম দফায় দুই দেশের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এরপর পাকিস্তান দ্বিতীয় দফায় আলোচনার উদ্যোগ নিলেও এখন পর্যন্ত সে উদ্যোগ আলোর মুখ দেখেনি। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ ঘোষণা করলে ইরান অনড় অবস্থান নিয়েছে, অবরোধ চলাকালে তারা কোনো আলোচনায় বসবে না। অন্যদিকে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
আব্বাস আরাগচি অবশ্য গত এক সপ্তাহের মধ্যেই দুই দিনের ব্যবধানে দুবার পাকিস্তান সফর করেছেন। পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। তবে তাতে বরফ গলেনি। আরাগচি দ্বিতীয় দফা পাকিস্তান সফর শেষ করে সোমবার সকালে পৌঁছান রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সংঘাত ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে রাশিয়া-ইরান বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অবনতি ও আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যের প্রশ্নে মস্কো-তেহরান ঘনিষ্ঠতা নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক বিমান হামলায় টানা ৩৬ বছর ৬ মাস ইরানের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকা এই শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবশেষে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তার শেষকৃত্যের তারিখ ঘোষণা করল দেশটির প্রশাসন।
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে বহুল প্রতীক্ষিত সমঝোতা চুক্তি সই হতে যাচ্ছে আগামীকাল রোববার (১৪ জুন)। তবে ইরানের পক্ষ থেকে চুক্তির সময় এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। উলটো রোববার এ চুক্তি সই হবে না বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।
১৯ ঘণ্টা আগে
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনায় অগ্রগতির খবরের মাঝেই পারস্য উপসাগরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবার হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে আসা ইরানের বেশ কয়েকটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ (আত্মঘাতী ড্রোন) গুলি করে বিধ্বস্ত করেছে মার্কিন বাহিনী।
১ দিন আগে
দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে একটি শান্তি চুক্তির রূপরেখায় সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দেশ দুটির মধ্যে এই প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। আজ শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এমনটাই জানিয়েছেন।
১ দিন আগে