ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শহীদ আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ছিলেন একজন আমানতদার ও দক্ষ নেতা। তার সম্মানিত পিতা মাওলানা আবদুল আলী বলেছিলেন, আমি আমার এই ছেলেকে ইসলামের জন্য ওয়াকফ করেছি।
তাবলিগ জামাতের সাদপন্থিদের গ্রেপ্তার, বিচার ও নিষিদ্ধ করার দাবিতে ১০ জানুয়ারি দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন শুরা–ই–নেজাম বা বাংলাদেশের মাওলানা জোবায়ের অনুসারীরা। তারা বলেন, গাজীপুরের টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে হামলায় সাদপন্থিরা জড়িত।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হিংসা-হানাহানি ও সন্ত্রাস মুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে দাবি করে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “যে তারুণ্যের বুকের রক্তের বিনিময়ে জাতি ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। আমরা সেই তারুণ্যনির্ভর মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। একটা শিশু জন্মের পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন নাগরিকের পূর্ণ অধি
আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীকে জয়ী করার আহ্বান জানিয়ে জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা দেশের স্টিয়ারিংটা ভালো মানুষের হাতে দেন। আমরা ৫৩ বছর ধরে কেন ব্যর্থ হয়েছি, তা খুঁজে বের করতে হবে। এর মূল কারণ আমাদের দেশের দুর্নীতিবাজ নেতাদের কারণে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের সন্তানরা এমনভাবে শিক্ষিত হবে যেন শিক্ষাজীবন শেষে একটা চাকরির জন্য কোনো মামা-খালুর পেছনে দৌড়াতে না হয়। শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার আগে কাজই আমাদের সন্তানদের কাছে পৌঁছে যাবে। এ দায়িত্ব পালন করবে জামায়াতে ইসলামী।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রতিটি কার্যক্রম ভারত সরকারের স্বার্থকে ঘিরে করা হতো। তাদেরকে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করতে খুব একটা দেখা যায়নি।
বাংলাদেশ জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, স্বাধীনতার পরে দফায় দফায় যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারাই আমানতের খেয়ানত করেছে। কম-বেশি সবাই এ জাতিকে কষ্ট দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে গত ১৫ বছর যারা ছিল। সর্বশেষ ২০২৪ সালে নিজের দেশের মানুষের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার হিসাব অ
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জবাবদিহিতামূলক প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা ও মানুষের প্রত্যাশানুযায়ী সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের সুফল দেশবাসী অর্জন করতে সক্ষম হবে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০২৫ সেশনের জন্য নতুন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জাহিদুল ইসলাম। এ ছাড়া সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
তিনি বলেন, স্বৈরাচার পতনের পরে বিশেষ পরিস্থিতিতে আমরা (জামায়াতে ইসলামী) হিন্দু ভাইদের দুর্গাপূজা যাতে নির্বিঘ্নে করতে পারেন সেজন্য মন্দিরে গিয়ে পাহারা দিয়েছি। মসজিদ যদি পাহারা দিতে না হয়, তবে মন্দির কেন পাহারা দিতে হবে? মসজিদের মতো মন্দিরও পাহারা দেওয়ার দরকার হবে না, আমরা তেমন দেশ চাই।
রোববার (২৯ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “বিএনপি নেতা জনাব রুহুল কবির রিজভী জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে ‘ভারতের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে হাসিনাকে ক্ষমা করতে চায় জামায়াত’ মর্মে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বিএনপি-জামায়াতকে কঠিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইসলামিক দলগুলো মধ্যে ঐক্য থাকবে। এ ক্ষেত্রে বিএনপি ও জামায়াতের কারণে তা যদি ব্যত্যয় ঘটে জাতির কাছে তাদের জবাবদিহিতা করতে হবে।
সব ইসলামী দল ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোন ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আলেম ওলামা ও ইসলামী দলগুলোর মাথার উপর কেউ যেন কাঠাল ভাঙতে না পারে এ জন্য ঐক্যের বিকল্প নাই।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত ইসলামী দেশবাসীর সেবার সুযোগ পেলে এদেশে চাঁদাবাজির অস্তিত্ব থাকবে না। দখলদারের অস্তিত্ব থাকবে না। ঘুষ থাকবে না। ফ্যাসিবাদ, সাম্রজ্যবাদের প্রশ্রয় দেবে না এমন একটি জাতি গড়তে চাই।
জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নয়, ভারতের সেবাদাসী ছিলেন । বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে সত্যিকারের একটা পরিবর্তনের প্লাবন সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিবর্তন ধরে রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ যদি জামায়াতে ইমলামীর হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেন, তাহলে এমন সব বৈষম্যের অবসান ঘটানো হবে। আর যদি অন্য কারো হাতে রাষ্ট্র ক্ষমতা দান করেন, তাহলে গাইবান্ধাবাসীর পক্ষে দাবি রেখে যাব ইনশাআল্লাহ।