সুতরাং আমরা আমাদের সকল শক্তি দিয়ে দূর্নীতি, দখলবাজ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। এক্ষেত্রে কারওয়ানবাজারে চলমান চাঁদাবাজি অবিলম্বে বন্ধের জন্য তিনি স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
তিনি বলেন, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪। এই তিন সালে আমরা কোনোু ভোট দিতে পারিনি। ভোটাররা এদিক দিয়ে ভোট কেন্দ্রে রওনা হয়েছেন। মাঝ পথে ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং পুলিশ লীগ বাধা দিয়ে বলেছে ভোট হয়েছে এবার বাড়ি চলে যান। এইতো তিন বারের ভোট।
কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘মানুষ এখন ঘুমে নয়, সজাগ। আর এই জাতি এখন বিশেষভাবে সজাগ। তারা (আওয়ামী লীগ) এই অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করে দিতে অনেক কাণ্ড করেছে। তারা জুডিশিয়াল ক্যু করতে চেয়েছিল, আল্লাহ ব্যর্থ করে দিয়েছেন।
দেশ যখন ইতিবাচক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে, তখন ফ্যাসিস্টরা দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। ফ্যাসিস্ট ও ষড়যন্ত্রকারীদের চোখ রাঙানিকে দেশের মানুষ পরোয়া করে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন টার্কি ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল জুরিস্ট ইউনিয়নের একটি প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। ১৯৫০ সালে এই দিনটিকে জাতিসংঘ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়। সেই থেকে বিশ্বজুড়ে এ দিনটি মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।’
সম্প্রতি বৃটিশ পার্লামেন্টের একজন সদস্য বাংলাদেশ এবং জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বৃটিশ পার্লামেন্টের ওই সদস্যের মন্তব্যের প্রতিবাদলিপি হাইকমিশনারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় সম্মেলনে এ কমিটি ঘোষণা করেন তিনি। নতুন কমিটি ঘোষণার আগে ইউসুফ আহমদ মানসুর কেন্দ্রীয় সম্মেলনে ১৩ দফা উপস্থাপন করেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা ব্যক্তিগত ও দলগতভাবে কারোর ওপর প্রতিশোধ নিতে চাই না। প্রতিশোধ মানে আইন-হাতে তুলে নেওয়া। আমরা সেটা চাই না। আমরা বিচার চাই। প্রতিটি হত্যা ও অপরাধের বিচার চাই। এসব বিচার যদি না হয় সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে।
এ সময় ফয়জুল করীম বলেন, ‘সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশকে ধ্বংস করার চক্রান্তের অংশ হিসেবে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাদের মজুরি ঠিকভাবে দেওয়া হচ্ছে না। গার্মেন্টস সেক্টর পরিচালনার বর্তমান আইন শ্রমিকদের জন্য কল্যাণকর নয়। যার কারণে শ্রমিকদের অবৈধভাবে অপসারণ করা হয়। কোনো কোনো গার্মেন্
সংলাপের বিষয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘অপপ্রচার মোকাবিলায় আমরা সরকারের সঙ্গে কাজ করবো। আমরা কারও পাতা ফাঁদে পা দেব না। কারও কাছে মাথা নত করবো না, আবার সীমা লঙ্ঘনও করবো না। দু-একদিনের মধ্যে সুখবর পাবেন আশা করি।’
তিনি মাওলানা মামুনুল হকের শারীরিক খোঁজখবর নেন এবং আল্লাহর কাছে দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য দোয়া করেন।
তিনি বলেন, মাওলানা মো. দেলোয়ার হোসেন সাঈদীসহ হাজার হাজার মানুষকে জুলুম নির্যাতন করে মারা হয়েছে। অনেক মানুষকে জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। দেশের আঠার কোটি মানুষের চোখের জলে মহান আল্লাহ সাড়া দিয়ে আমাদের মুক্ত করেছেন। আজ আমরা মুক্ত বাতাসের স্বাদ নিতে পারছি। আমরা স্বাধীন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে অভূতপূর্ব সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি রয়েছে। কিন্তু বিগত পনের বছরে একটি দল দেশকে এলোমেলো করে দিয়েছিল। এখন জাতীয় ইস্যুগুলোতে জনগণের ইস্পাত কঠিন ঐক্য প্রয়োজন। তিনি বলেন, এ দেশ কারও একার নয়, সবার। দেশ এখনও পনের বছরের জঞ্জালমুক্ত হয়নি। তাই সকল
জামায়াত আমির বলেন, মা বোনেরা ঘরেও সুরক্ষিত থাকবে, কর্মস্থলেও সুরক্ষিত থাকবে। তাদের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না। আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয় যে, আমরা ক্ষমতায় আসলে নারীদের ঘর থেকে বেরুতে দেওয়া হবে না। কিন্তু কথা দিচ্ছি এমন হবে না।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘আমাদের দেশ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। আমাদের দেশ নিয়ে ভারতের পার্লামেন্টে আলোচনা হবে কেন? আমরা কি স্বাধীন দেশের নাগরিক নই? হিন্দুরা এ দেশের নাগরিক, তাদের ভালোমন্দ আমরা দেখব। এটা নিয়ে অন্য দেশে আলোচনা হবে কেন?
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বর্তমান সময়ে আমাদের নিয়ে চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র চলছে। তাই আরো সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।’