প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত ইসলামী দেশবাসীর সেবার সুযোগ পেলে এদেশে চাঁদাবাজির অস্তিত্ব থাকবে না। দখলদারের অস্তিত্ব থাকবে না। ঘুষ থাকবে না। ফ্যাসিবাদ, সাম্রজ্যবাদের প্রশ্রয় দেবে না এমন একটি জাতি গড়তে চাই।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে যশোর ঈদগাহে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য দেশে সুশাসন কায়েম করা।
তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমে দেশের মানুষের কাছে দুই একটি জিনিস চাই। আমরা যদি দেশের জন্য, মানুষের জন্য কাজ করি- তাহলে আপনাদের অন্তরের ভালোবাসা চাই। আপনারা যেন আমাদের ভালোবাসা উপহার দেন। ভালোবাসার সঙ্গে যেন সমর্থন ও সহযোগিতা চাই। সমর্থন ও সহযোগিতার পাশাপাশি জাতীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যেন আপনাদের পাশে পাই। এই জাতিকে বদলে দেওয়ার জন্য যেন আপনাদের অন্তরে একটা জায়গা চাই। এই চারটি জিনিস যদি দেশবাসী আমাদের উপহার দেয়, আমরা দেশবাসীর কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকব।
জামায়াত ইসলামীর আমির বলেন, ৫ আগস্টের আগে দেশ দুঃশাসনে পরিপূর্ণ ছিল। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখন দুঃশাসন জুলুম করেছে। বিগত সাড়ে ১৫ বছর আওয়ামী লীগের দুঃশাসন, জুলুমের কষ্ট বেশি ছিল। বাংলাদেশ ও বিশ্বের মানুষ কল্পনা করতে পারেনি ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট রেজিমের পতন হবে। ফ্যাসিস্ট পতনের এই অর্জনের নেতৃত্ব আমাদের সন্তানদের। তাদের কোটা আন্দোলন কমাতে ফ্যাসিস্ট সরকার হাতুড়ি, হেলমেট বাহিনী গুলি চালিয়ে আন্দোলন দমাতে চেয়েছিল। আমাদের বীরসন্তানরা বিজয় ছিনিয়ে এনেছে, তাদের এই গৌরব।
তিনি যশোর জেলা উন্নয়ন বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরে বলেন, ব্রিটিশ আমলের প্রাচীন জেলা যশোর। পুরতান জেলা হিসেবে যশোরের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। যশোরবাসী ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত হয়েছে। এই শহরকে কেন্দ্র করে প্রাণকেন্দ্র গড়ে তোলা দরকার। পার্ক নেই, মাঠ নেই, জলধার নেই। উন্নয়নের কথা বলে ক্ষমতায় যাওয়ার আগে মানুষের পা ছুঁয়ে নেয়, ক্ষমতায় গেলে তারা ভুলে যায়। ভাবে পাঁচ বছর পর আবার পা ছুঁয়ে নিলে হয়ে যাবে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত ইসলামী দেশবাসীর সেবার সুযোগ পেলে এদেশে চাঁদাবাজির অস্তিত্ব থাকবে না। দখলদারের অস্তিত্ব থাকবে না। ঘুষ থাকবে না। ফ্যাসিবাদ, সাম্রজ্যবাদের প্রশ্রয় দেবে না এমন একটি জাতি গড়তে চাই।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে যশোর ঈদগাহে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য দেশে সুশাসন কায়েম করা।
তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমে দেশের মানুষের কাছে দুই একটি জিনিস চাই। আমরা যদি দেশের জন্য, মানুষের জন্য কাজ করি- তাহলে আপনাদের অন্তরের ভালোবাসা চাই। আপনারা যেন আমাদের ভালোবাসা উপহার দেন। ভালোবাসার সঙ্গে যেন সমর্থন ও সহযোগিতা চাই। সমর্থন ও সহযোগিতার পাশাপাশি জাতীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যেন আপনাদের পাশে পাই। এই জাতিকে বদলে দেওয়ার জন্য যেন আপনাদের অন্তরে একটা জায়গা চাই। এই চারটি জিনিস যদি দেশবাসী আমাদের উপহার দেয়, আমরা দেশবাসীর কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকব।
জামায়াত ইসলামীর আমির বলেন, ৫ আগস্টের আগে দেশ দুঃশাসনে পরিপূর্ণ ছিল। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখন দুঃশাসন জুলুম করেছে। বিগত সাড়ে ১৫ বছর আওয়ামী লীগের দুঃশাসন, জুলুমের কষ্ট বেশি ছিল। বাংলাদেশ ও বিশ্বের মানুষ কল্পনা করতে পারেনি ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট রেজিমের পতন হবে। ফ্যাসিস্ট পতনের এই অর্জনের নেতৃত্ব আমাদের সন্তানদের। তাদের কোটা আন্দোলন কমাতে ফ্যাসিস্ট সরকার হাতুড়ি, হেলমেট বাহিনী গুলি চালিয়ে আন্দোলন দমাতে চেয়েছিল। আমাদের বীরসন্তানরা বিজয় ছিনিয়ে এনেছে, তাদের এই গৌরব।
তিনি যশোর জেলা উন্নয়ন বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরে বলেন, ব্রিটিশ আমলের প্রাচীন জেলা যশোর। পুরতান জেলা হিসেবে যশোরের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। যশোরবাসী ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত হয়েছে। এই শহরকে কেন্দ্র করে প্রাণকেন্দ্র গড়ে তোলা দরকার। পার্ক নেই, মাঠ নেই, জলধার নেই। উন্নয়নের কথা বলে ক্ষমতায় যাওয়ার আগে মানুষের পা ছুঁয়ে নেয়, ক্ষমতায় গেলে তারা ভুলে যায়। ভাবে পাঁচ বছর পর আবার পা ছুঁয়ে নিলে হয়ে যাবে।
আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, বিগত তিনটি অবৈধ নির্বাচনকে বৈধতা দিতে জাতীয় পার্টি অংশ নিয়েছিল। তাদের পোস্টারেও আওয়ামী মনোনীত প্রার্থী লেখা ছিল। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মধ্যে পার্থক্য নেই। জাতীয় পার্টির কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি।
৫ ঘণ্টা আগেডা. তাহের বলেন, জাতীয় পার্টির বিষয়ে আমরা সুস্পষ্ট করে বলেছি— তারা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের সহযোগী ছিল। তাই যেভাবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, একইভাবে জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগেইশতেহারে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ নির্বাচনের তারিখ সুনির্দিষ্ট করা, প্রথম বর্ষ থেকেই প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে আসন নিশ্চিত করা, খাদ্য ও পুষ্টিমান নিশ্চিত করা, গণরুম-গেস্টরুম ও র্যাগিং প্রথা নিষিদ্ধ করা এবং সব জাতিগোষ্ঠীর সমমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার প্রতিশ্রুতি উঠে এসেছে।
৬ ঘণ্টা আগে