তিনি বলেন, স্বৈরাচার পতনের পরে বিশেষ পরিস্থিতিতে আমরা (জামায়াতে ইসলামী) হিন্দু ভাইদের দুর্গাপূজা যাতে নির্বিঘ্নে করতে পারেন সেজন্য মন্দিরে গিয়ে পাহারা দিয়েছি। মসজিদ যদি পাহারা দিতে না হয়, তবে মন্দির কেন পাহারা দিতে হবে? মসজিদের মতো মন্দিরও পাহারা দেওয়ার দরকার হবে না, আমরা তেমন দেশ চাই।
রোববার (২৯ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “বিএনপি নেতা জনাব রুহুল কবির রিজভী জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে ‘ভারতের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে হাসিনাকে ক্ষমা করতে চায় জামায়াত’ মর্মে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বিএনপি-জামায়াতকে কঠিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইসলামিক দলগুলো মধ্যে ঐক্য থাকবে। এ ক্ষেত্রে বিএনপি ও জামায়াতের কারণে তা যদি ব্যত্যয় ঘটে জাতির কাছে তাদের জবাবদিহিতা করতে হবে।
সব ইসলামী দল ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোন ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আলেম ওলামা ও ইসলামী দলগুলোর মাথার উপর কেউ যেন কাঠাল ভাঙতে না পারে এ জন্য ঐক্যের বিকল্প নাই।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত ইসলামী দেশবাসীর সেবার সুযোগ পেলে এদেশে চাঁদাবাজির অস্তিত্ব থাকবে না। দখলদারের অস্তিত্ব থাকবে না। ঘুষ থাকবে না। ফ্যাসিবাদ, সাম্রজ্যবাদের প্রশ্রয় দেবে না এমন একটি জাতি গড়তে চাই।
জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নয়, ভারতের সেবাদাসী ছিলেন । বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে সত্যিকারের একটা পরিবর্তনের প্লাবন সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিবর্তন ধরে রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ যদি জামায়াতে ইমলামীর হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেন, তাহলে এমন সব বৈষম্যের অবসান ঘটানো হবে। আর যদি অন্য কারো হাতে রাষ্ট্র ক্ষমতা দান করেন, তাহলে গাইবান্ধাবাসীর পক্ষে দাবি রেখে যাব ইনশাআল্লাহ।
‘দেশে পরীক্ষিত দুটি দেশপ্রেমিক শক্তি আছে, এর একটা সেনাবাহিনী আরেকটা জামায়াতে ইসলামী। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে ভারতের কাছে ইজারা দিয়েছিল। ক্ষমতার জন্য ষড়যন্ত্র করে প্রাণ কেড়ে নিয়েছে বিডিআরের।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা চাই না বারবার জাতি প্রতারিত হোক। আমরা চাই ঘুষ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজ মুক্ত একটি বাংলাদেশ। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিশ্ব তাবলিগ জামাতের আমির মাওলানা সাদ কান্দলভীর অনুসারীদেরকে আওয়ামী লীগের দোসর বলে আখ্যা দিয়েছে কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। একই সঙ্গে তারা সাদপন্থীদের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন এই সংগঠনটি। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) হেফাজতের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব সাজেদুর রহমা
জামায়াত ইসলামের আমির লিখেছেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ আজ বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে ঢাকার একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
ক্ষমতার হাতবদল হলেও নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি মন্তব্য করে তিনি আরো বলেন, ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি পেতে হলে ইসলামী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। ইসলামি রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম হলেই কেবল সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, মহান রব নিহতদের প্রতি রহম করুন। তাদের গুনাহখাতাসমূহ মাফ করে দিয়ে ক্ষমা করুন এবং জান্নাত নসীব করুন। আল্লাহ তাআলা আহতদেরকে দ্রুত সুস্থতার নিয়ামত দান করুন। আমি নিহত ও আহতদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে দোয়া করছি আল্লাহ তাআলা তাদের পরিবার-পরিজনকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফীক দান করুন।
তিনি বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন। এই পোস্টে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ভারতের যুদ্ধ বলে দাবি করেছেন। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়কে তিনি ভারতের বিজয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে ত
আওয়ামী লীগ জাতিকে বিভক্ত করেছিল এবং স্বাধীনতাকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি বানিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আর কোনো দল যেন এই বিজয় দখল না করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রকৃত হত্যাকারীদের এখনো চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।