এই সংশোধনীর ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যায় জড়িত অভিযোগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কিংবা এর কোনো সহযোগী সংগঠনের বিচার করা যাবে। পাশাপাশি এই বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সব ধরনের কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তও নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে এক ঘণ্টার মধ্যে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ (পথনকশা) চেয়ে সময়সীমা বেঁধে দেন হাসনাত। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, এক ঘণ্টার মধ্যে পথনকশা না পেলে ‘মার্চ টু যমুনা’ (অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন) ঘোষণা করা হবে।
জি এম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যখন জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছে, আমরা তার প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু গণহত্যার দায়ে যদি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়, তাহলে প্রশ্ন আসে একাত্তর সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ব্যাপক গণহত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দায়ী সংগঠনগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে? কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাস
কমরেড হায়দার আকবর খান রনোর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড রুহিন হোসেন প্রিন্স এক বিবৃতিতে বলেন, প্রয়াত কমরেড রনো এ দেশের গণতন্ত্র সমাজতন্ত্র অসাম্প্রদায়িক শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
সহজভাবে বললে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হলো এমন এক প্রযুক্তিগত কৌশল, যা শত্রুর আকাশপথে চালানো আক্রমণ যেমন—বিমান, হেলিকপ্টার, ড্রোন, ক্রুজ মিসাইল বা ব্যালিস্টিক মিসাইল—আসার আগেই শনাক্ত করে এবং ধ্বংস করে দেয়।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের মত পথ আলাদা হতে পারে। কিন্তু আওয়ামী লীগের প্রশ্নে আমরা ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামী লীগের সময়ে যারা গুম হয়েছে, খুন হয়েছে, নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের বিচারের দাবিতে একমত হয়েছি।’
গয়েশ্বর বলেন, ‘আইনের শাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগণই ঠিক করে কারা গ্রহণযোগ্য বা কারা জনগণ কর্তৃক নিষিদ্ধ। আজকে আওয়ামী লীগকে যারা নিষিদ্ধ করতে চাচ্ছেন, কয়েকদিন পর তারাই যে বিএনপিকে নিষিদ্ধ করতে চাইবে না তার গ্যারাটি কী? আওয়ামী লীগ যদি দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য পয়জম হয়, মানুষ যদি মনে করে আওয়ামী লীগ দেশের
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ ও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক কর্মকর্তা বৈঠক আহ্বানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় হবে এই বৈঠক। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি তারা কেউ জানাননি।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বিবিসি বাংলাকে বলেন, পলিটিক্যাল পার্টি অধ্যাদেশ-১৯৭৮ ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯— এই দুটি আইনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল বরখাস্ত, সাময়িক অথবা আজীবন নিষিদ্ধের সুযোগ রয়েছে। তবে এখানে অনেকগুলো বিষয়ে বিতর্ক বা বিবেচনার সুযোগ রয়েছে।
শনিবার (১০ মে) সকাল থেকেই আবার শাহবাগে জড়ো হতে থাকে আন্দোলনকারীরা। তাদের অবস্থান কর্মসূচির ফলে সকাল থেকে শাহবাগ মোড়ের চারদিকের রাস্তা বন্ধ রয়েছে। তবে অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবার গাড়িগুলো চলাচল করছে।
বিএনপি বলছে, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে তারা শুধু একমতই না, সরকরের কাছেও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার উপায় পর্যন্ত তারা প্রস্তাব করে রেখেছে। পাশাপাশি দলটিকে নিষিদ্ধ করার এই আন্দোলন কেন করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে দলটির মধ্যে। যারা আন্দোলনে যুক্ত তাদের পক্ষ থেকে বিএনপির সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়নি
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা ফেসবুক পোস্টে বলেন, শাহবাগের অবস্থান চলমান থাকবে। দলমত নির্বিশেষে আওয়ামী লীগ ও দেশের সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে জুলাইয়ের সকল শক্তি এক থাকবে এটাই প্রত্যাশা। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্লকেড চালু হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না এলে সমগ্র বাংলাদেশ আবারও ঢাকা শহরে মা
এর আগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে ছাত্র-জনতা। এদিন বিকেল ৪টা ৪০ মিনিট থেকে শাহবাগে বাড়তে থাকে আন্দোলনকারীদের উপস্থিতি। এরপর থেকে নানান স্লোগান-গানে উত্তাল শাহবাগ। আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও।
নতুন এ রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আরেফিন মোহাম্মদ হিজবুল্লাহ। এ ছাড়াও প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত, প্রধান সংগঠক নাইম আহমেদ এবং মুখপাত্র হিসেবে রয়েছেন শাহরিন সুলতানা ইরা।
হাসনাত বলেন, ‘১০০টা ফেরাউন একসঙ্গে করলেও একটা হাসিনা পাওয়া যাবে না। আওয়ামী লীগকে কোন কারণে রাজনৈতিক দল বলা হয়? আমরা শুনতে পাচ্ছি প্রধান উপদেষ্টা নাকি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসার চেষ্টা করছেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসে তিনি নাকি আওমী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও জনগণের পক্ষ থেকে স্বৈরশাসন ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার যে দাবি উঠেছে, তা সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এ ব্যাপারে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এরই মধ্যে যোগাযোগ করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত
আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার মাধ্যমে নিষিদ্ধ করার দাবিতে আন্দোলনরতরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনেই জুমার নামাজ আদায় করেছেন। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে আন্দোলনকারীরা মঞ্চ থেকে এসে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনের রাস্তার ওপরেই নামাজের প্রস্তুতি নেন।