লন্ডনে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেছেন যুক্তরাজ্য সফররত বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠকে রাজার কাছে বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা।
লন্ডন সফররত প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত ইস্যু। তবে তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টা বেশি গুরুত্ব দিলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট হবে বলে মনে করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘ইউনূস সাহেব যখন বাংলাদেশে সমস্ত পথ হারিয়ে ফেলছেন, উনি পথ পাওয়ার জন্য আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেবের কাছে গেছেন। ড. ইউনূস দেশে থাকতে বিএনপিকে এক ঘণ্টা সময় দেন না, কিন্তু ১২ ঘণ্টা প্লেন চালাইয়া লন্ডন পর্যন্ত গেছেন। বলছেন, আমাকে একটু কথা বলার সুযোগ দেন
লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আসন্ন বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এই বৈঠকটি আগামী নির্বাচন, সংস্কার এবং গণতন্ত্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এক তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম মঙ্গলবার বলেছিলেন, কিয়ার স্টারমার এই মুহূর্তে যুক্তরাজ্যে নেই বলে আমরা শুনেছি। তিনি কানাডাতে অবস্থান করছেন। তবে এ বিষয়ে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেস সচিব। তিনি বলেন, স্টারমার যুক্তরাজ্যেই আছেন।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচনের টাইম ফ্রেম ঘোষণার আগ থেকেই বিএনপি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে। ফলে এই সময়সীমায় খুব একটা সন্তুষ্ট নয় বিএনপি। তবে প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া নির্বাচন আয়োজনের সময়সীমাকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
লন্ডনে ইউনূস-তারেক বৈঠক দেশের রাজনীতিতে সুবাতাস বয়ে আনবে উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই বৈঠকটি একটি ঐতিহাসিক বৈঠক হবে এবং এ বৈঠকের মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে সুবাতাস বইবে। এরইমধ্যে ডিসেম্বরে নির্বাচনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেছে বিএনপি। যৌক্তিক সময়েই নির্বাচন হবে বলে জাতি প
পাবনার ঈশ্বরদীতে কাভার্ডভ্যান চাপায় মা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহতাবস্থায় আরও একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের মুন্নার মোড়ের তেল পাম্পের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
আগামী জাতীয় নির্বাচন ও সাংবিধানিক সংস্কারকে ঘিরে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে কমনওয়েলথ। লন্ডনে গতকাল এক বৈঠকে কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি আয়র্কর বোচওয়ে এই আগ্রহের কথা জানান বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে।
সূত্রগুলো জানায়, প্রথম দিকে বিএনপির পক্ষ থেকে তারেক রহমান ও প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের ব্যাপারে অতটা আগ্রহ ছিল না। তবে নির্বাচন সময়ের প্রশ্নে আলোচনা হতে পারে, সেই প্রশ্ন থেকে শেষ পর্যন্ত দলটি এই বৈঠকে সম্মতি দিয়েছে।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠক। এই বৈঠকের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট কাটবে বলে আশাবাদী বিএনপি— এমনটাই জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, লন্ডন স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ জুন) সকাল ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে এই বৈঠক হবে।
স্বাভাবিক কারণেই প্রশ্ন ওঠে— শেখ হাসিনার সরকারের পতনের প্রায় তিন বছর আগে অবসরে যাওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতির থাইল্যান্ড যাওয়া নিয়ে এত বিক্ষোভ, প্রতিবাদ কেন, কী উদ্দেশ্যে? এবং তারপর কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাই বা নেওয়া হয়েছিল কেন?
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার দুই একটি রাজনৈতিক দলের কথা শুনে পেন্ডুলামের মতো দুলছে। তিনি দাবি করেন, একটি সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে দুই একটি রাজনৈতিক দল শহীদদের রক্ত ও ধর্মকে টেনে নিয়ে আসে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গত সাড়ে ১৫ বছর যারা জাতির ওপর জুলুম করল, এখনো তারা তা অব্যাহত রেখেছে। মাঝেমধ্যে তারা মাথা উঁচু করে, বিভিন্ন কথাবার্তা বলে, তছনছ করে দাও এসব বলে। এগুলোর মাধ্যমে জাতিকে অস্থির করতে চায়, আড়াই বছরের শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত খুন করল, এত কিছুর পর তারা অনুশোচনা করে না, জাতির কাছে মাফ
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ দেশে-বিদেশে বসে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার পায়তারা করছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে বলে জানান বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। আজ সোমবার বিকেলে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা বিএনপির
জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, নির্বাচনকালীন কিছু সংস্কার প্রয়োজন রয়েছে। বিচার বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের সংস্কার প্রয়োজন। এগুলো সম্পন্ন হলে এপ্রিলে নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো দ্বিমত নেই।’