
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও অর্থ দিয়ে ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পালিয়ে গেলেও অর্থ দিয়ে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা আইনশৃঙ্খলার অবনতি লক্ষ্য করছি।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় বিএনপির বর্ধিত সভার প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে বেশি নজর দিচ্ছে জানিয়ে দলটির এই নেতা বলেন, আগামী দিনের জাতির প্রত্যাশা একটা সুষ্ঠু, স্বাভাবিক ও সাধারণ নির্বাচন। যেটি গণতন্ত্রের ভীতকে শক্তিশালী করার জন্য বেশি দরকার। সেই দিকে আমরা বেশি নজর দিচ্ছি। আমার বিশ্বাস, দেশে যদি একটি গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকে, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সব ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।
এ্যানি বলেন, ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনের কারণে আমরা গত ১৫-১৬ বছর সাংগঠনিক তৎপরতা ও গোছানোর কাজটি আমরা ঠিক মতে করতে পারিনি। ৫ আগস্টের পর তৃণমূলে আমরা আমাদের সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করেছি। যার কারণে ২৭ ফেব্রুয়ারির বর্ধিত সভা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভায় দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, সভায় সারা দেশের বাংলাদেশের তৃণমূলের, বিশেষ করে থানা, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হবেন। সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজারের মত নেতাকর্মী বর্ধিত সভায় থাকবেন। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন, নেতাকর্মীদের তার বার্তা দেবেন। যা নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য তৈরি করবে। যা বাংলাদেশের এই মুহুর্তে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার যেভাবে লুটপাঠ করেছে, অত্যাচার-নির্যাতন, গুম-খুন করেছে রাজনীতি করেছে, তাদের সেই দুঃশাসনের কারণে দেশে এখনও অস্থিরতা চলছে।
বর্ধিত সভায় আগামীদিনের করণীয় কী, ভবিষ্যত বাংলাদেশ কী ধরনের হতে পারে সেটা নিয়ে তারেক রহমান আলোচনা করবেন বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির এই নেতা।

গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও অর্থ দিয়ে ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পালিয়ে গেলেও অর্থ দিয়ে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা আইনশৃঙ্খলার অবনতি লক্ষ্য করছি।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় বিএনপির বর্ধিত সভার প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে বেশি নজর দিচ্ছে জানিয়ে দলটির এই নেতা বলেন, আগামী দিনের জাতির প্রত্যাশা একটা সুষ্ঠু, স্বাভাবিক ও সাধারণ নির্বাচন। যেটি গণতন্ত্রের ভীতকে শক্তিশালী করার জন্য বেশি দরকার। সেই দিকে আমরা বেশি নজর দিচ্ছি। আমার বিশ্বাস, দেশে যদি একটি গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকে, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সব ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।
এ্যানি বলেন, ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনের কারণে আমরা গত ১৫-১৬ বছর সাংগঠনিক তৎপরতা ও গোছানোর কাজটি আমরা ঠিক মতে করতে পারিনি। ৫ আগস্টের পর তৃণমূলে আমরা আমাদের সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করেছি। যার কারণে ২৭ ফেব্রুয়ারির বর্ধিত সভা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভায় দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, সভায় সারা দেশের বাংলাদেশের তৃণমূলের, বিশেষ করে থানা, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হবেন। সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজারের মত নেতাকর্মী বর্ধিত সভায় থাকবেন। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন, নেতাকর্মীদের তার বার্তা দেবেন। যা নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য তৈরি করবে। যা বাংলাদেশের এই মুহুর্তে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার যেভাবে লুটপাঠ করেছে, অত্যাচার-নির্যাতন, গুম-খুন করেছে রাজনীতি করেছে, তাদের সেই দুঃশাসনের কারণে দেশে এখনও অস্থিরতা চলছে।
বর্ধিত সভায় আগামীদিনের করণীয় কী, ভবিষ্যত বাংলাদেশ কী ধরনের হতে পারে সেটা নিয়ে তারেক রহমান আলোচনা করবেন বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির এই নেতা।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে