প্রচলিত একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ভিত্তিক নির্বাচন পদ্ধতির তুলনায় পিআর পদ্ধতি ভিন্নভাবে কাজ করে। এখানে জনগণ সরাসরি কোনো ব্যক্তিকে ভোট না দিয়ে একটি দল বা তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের ভোট দেয়।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অনেক কঠিন ও বিতর্কিত বিষয়ে দলটি ছাড় দিয়েছে। এমনকি প্রধান বিচারপতি নিয়োগের মতো স্পর্শকাতর বিষয়েও আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে বিএনপি।
জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত কমিশনগুলোর আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি। তবে কিছু প্রস্তাবে দলটি ভিন্নমত পোষণ করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি মহল একটি চক্র অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী বলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবের পর, আবারো নতুন করে প্রস্তাব দিয়ে সংস্কারকে বিলম্বিত করা হচ্ছে।
শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, অতীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা মানবাধিকারের নামে ইসলামি শরিয়াহ, পারিবারিক আইন ও ধর্মীয় মূল্যবোধে হস্তক্ষেপের অপচেষ্টা করেছে। এসব হস্তক্ষেপ একদিকে যেমন জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, অন্যদিকে মুসলিম সমাজের ধর্মীয় অনুভূতিরও পরিপন্থি। তাই বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার কার
একই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘নির্বাচনে প্রার্থী হলে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে তারাই সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচন চায়।’
তিনি আরো বলেন, ‘চেতনার কথা শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনা বলত। এই চেতনার কথা বলবেন না। চেতনা বিক্রি করবেন না। জুলাইয়ের অংশীদার শুধু আপনারা একা নন। বিএনপির নেতাকর্মীদের অবদান ভুলে গেলে চলবে না।’
শনিবার (৫ জুলাই) বিকেল ৫টায় জয়পুরহাট জেলা শহরের শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রার পঞ্চম দিনে জয়পুরহাট জেলা এনসিপি এ পথসভার আয়োজন করে। এর আগে এদিন বিকেল সোয়া ৪টার দিকে শহরের সিও কলোনী এলাকা থেকে পদযাত্রা শুরু করেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।
তারেক রহমান বলেন, ‘ইমাম হোসাইন (রা.)-এর সংগ্রাম ছিল সত্য, ইনসাফ ও মানবিক মর্যাদার পক্ষে। তাঁর আত্মত্যাগ আমাদের শিখিয়ে দেয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধই মানবতার পথ। ইমাম বাহিনীর এই লড়াই যুগে যুগে নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষের জন্য মুক্তির প্রেরণা জুগিয়েছে।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘পক্ষটি আরও বলে, আমরা নাকি আবেগে জুলাই বিপ্লব সংঘটিত করেছি। মনে রাখবেন, আবেগ ছিল বলেই দেশ প্রেম ছিল। আমরা রক্ত ও জীবন দিতে জানি, লাগলে রক্ত আরও দেব, তবু পুরনো ধাঁচে দেশকে ফেরাতে দেব না।’
আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ‘মানুষ প্রাইমারি স্কুল থেকে হাইস্কুলে উঠে, হাইস্কুল থেকে কলেজে যায়, কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়, আস্তে আস্তে মানুষ উন্নত হয়। আস্তে আস্তে মানুষের পরিবর্তন হয়, ইতিবাচক পরিবর্তন। আর আমরা বারবার যেন সাপলুডুর মতো অনেকদূর আগে যাই আবার সাপে কেটে নিচে চলে আসি। আবার আগানোর চেষ্টা
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। আমরা ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ মার্কা নির্বাচন চাই না। এ ধরনের কিছু আলামত লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যারা এ ধরনের অপকর্মের চিন্তা করছেন তাদের জন্য আমাদের স্পষ্ট বার্তা, মানুষ রক্ত দিয়ে পরিবর্তন এনেছে, আবার প্রয়োজনে রক্তের বিনিময়ে পরিবর্তনকে সফ
বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম বলেন, ‘ভারতের আধিপত্য রুখে দিতে হলে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। এই সরকারের প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলার ক্ষমতা নেই। ভারতকে ধমক দেওয়ার জন্য ও তাদের ঠেকাতে হলে বিএনপিকে আগামীতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব দিতে হবে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে যারা গুলি ও হামলা করেছিল, আগে তাদের বিচার নিশ্চিত করব। এই বাংলার মাটিতে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, পুলিশ যারা আমাদের ভাই-বোনদের গুলি করে মেরেছে, আমরা তাদের বিচার নিশ্চিত করব। আগে বিচার, সংস্কার, তারপর নির্
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আগে নির্বাচনের পরিবেশ অবশ্যই তৈরি করতে হবে। এই পরিবেশ তৈরির জন্য সংস্কারের প্রশ্নগুলো উঠেছে। আমরা আশা করি যদি মৌলিক বিষয়গুলোতে কার্যকর সংস্কার করা যায় তাহলে আলহামদুলিল্লাহ একটা ভালো নির্বাচন হবে। এবং ‘যদি’র কোনো সুযোগ নেই। সংস্কার করতে হবে এবং ভালো নির্বাচনও করতে হবে।’
১৭ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট: বিভিন্ন জেলায় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, র্যালী, সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র প্রদর্শনী , চিত্রাঙ্কন, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, সাইকেল র্যালি ইত্যাদি।
তিনি বলেন, পতিত ফ্যাসিবাদী সরকার শুধু জনগণ, দেশ বা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধেই ছিল না, তারা ইসলামের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিয়েছিল। বহু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তারা ধ্বংস করেছে। এই অরাজক পরিস্থিতি থেকে শহীদ আবু সাঈদ জীবন দিয়ে দেশকে মুক্ত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি শুধু বীরই নন, আমরা মনে করি তিনি একজন সত্যিকারের শহীদ। আ