মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই ঠিক করবে বলে জানিয়েছে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তার জবাবে এই ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ‘এমেক হা-এলা’ লক্ষ্য করে এক ঝাঁক আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে এই হামলা চালানো হয়।
বিভিন্ন অসমর্থিত সূত্র ও গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হচ্ছে যে, নেতানিয়াহু যে বাঙ্কারে বা সুরক্ষিত স্থানে অবস্থান করছিলেন, সেখানে আইআরজিসি-র নজিরবিহীন নিখুঁত হামলার সময় তিনি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাদের প্রতিবেদকেরা তেহরানে সোমবার রাতে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। তবে বিস্ফোরণের লক্ষ্যবস্তু এবং প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকায় নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সমর্থনে ইরানজুড়ে বড় ধরনের সমাবেশে অংশ নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু এবং নতুন নেতৃত্বের ক্ষমতা গ্রহণের এই উত্তাল সময়ে ট্রাম্পের এই মন্তব্য বিশ্বজুড়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সোমবার অনুপ্রবেশকারী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের পর পেজেশকিয়ানকে টেলিফোন করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, ইরানের বেপরোয়া ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কারণে এই যুদ্ধে কোনো পক্ষে না থাকা সত্ত্বেও তুরস্কের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকিতে আছে। বন্ধু ও ভাতৃপ্রতিম দেশগুলোতে হামলায় কারো কোনো স্বার্থ আদায় হবে না এবং আঙ্কারা কখনও এ ধরন
মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের মেঘ এবার আরও ঘনীভূত হলো। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো প্রকার কূটনৈতিক সমঝোতার পথ প্রত্যাখ্যান করে এবার সরাসরি দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের ঘোষণা দিল ইরান।
ইরানের মিত্র হিসেবে পরিচিত রাশিয়া ও চীনের পক্ষ থেকে সমর্থন এসেছে নতুন এই সর্বোচ্চ নেতার পক্ষে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সরাসরি বার্তা দিয়ে মোজতবাকে আকুণ্ঠ সমর্থন দেওয়ার কথা জানান। অন্যদিকে বিপরীত প্রতিক্রিয়া এসেছে ট্রাম্পের কাছ থেকে। তিনি বলেছেন, মার্কিন সমর্থন না থাকলে ইরানের নেতৃত্ব দীর্ঘস্
রাতভর অভিযানে ইসরায়েল তেহরান ও আশপাশের জ্বালানি ডিপোতে হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের একটি হোটেলে হামলা চালিয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের পাঁচ কমান্ডারকে হত্যা করার দাবি করেছে ইসরায়েল।
তুরস্ক, সাইপ্রাস এবং আজারবাইজানের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা চালানোর অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে ইরানের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর কোনো সামরিক আগ্রাসন চালানো হয়নি।
ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। সোমবার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
বাহরাইন পেট্রোলিয়াম কোম্পানির প্রধান তেল শোধনাগারে হামলা হয়েছে। হামলার পর তেল শোধনাগারটির দিক থেকে ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। সোমবার (৯ মার্চ) প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।
মোজতবা খামেনির দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
আলি খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবার নামই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আলোচনায় ছিল। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে তার নির্বাচিত হওয়ার তথ্য এর আগে ইরানের গণমাধ্যমেও এসেছে। পরে রোববার (৮ মার্চ) রাতে ইরানের ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তার নাম ঘোষণা করে।
আজ রোববার (৮ মার্চ) দেশটির সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। ইরানের এ হামলায় আরও ১২ জন আহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে সৌদি সিভিল ডিফেন্স। তবে হতাহতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেশী ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে ইরান সুসম্পর্ক চায়, এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, শত্রু দেশগুলো বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছে।