
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে আমেরিকার কঠোর পদক্ষেপ এবং তাকে আটকের দাবির মধ্যেই ইরানের নেতাদের একই পরিণতির হুঁশিয়ারি দিলেন ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার ল্যাপিদ।
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান এবং মাদুরোকে আটকের বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির পর ল্যাপিদ এক্সে (আগে টুইটার) লিখেছেন, ‘আমি ইরানের নেতাদের পরামর্শ দিচ্ছি, ভেনেজুয়েলায় কী ঘটছে সেদিকে ভালোভাবে তাকান।’
মূলত, ভেনেজুয়েলায় মাদুরো সরকারের কোণঠাসা অবস্থার ইঙ্গিত দিয়েই তিনি ইরানকে সতর্ক করেছেন যে, বিক্ষোভে দমন-পীড়ন চালালে তাদেরও একই দশা হতে পারে।
এদিকে ইরানেও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ চলছে। এর মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, “যদি ইরানে আর একজন বিক্ষোভকারীও নিহত হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র চুপ থাকবে না। আমরা ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ (হামলার জন্য প্রস্তুত)।”
ট্রাম্পের এই হুমকির পর জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর ‘বেআইনি হুমকি’ বলে উল্লেখ করেছেন।
ইরানকে উদ্দেশ করে ল্যাপিদের মন্তব্য মূলত ভেনিজুয়েলার বর্তমান পরিস্থিতি এবং ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থানের সঙ্গে ইরানের চলমান অস্থিরতাকে এক সুতোয় গেঁথে দিয়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে আমেরিকার কঠোর পদক্ষেপ এবং তাকে আটকের দাবির মধ্যেই ইরানের নেতাদের একই পরিণতির হুঁশিয়ারি দিলেন ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার ল্যাপিদ।
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান এবং মাদুরোকে আটকের বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির পর ল্যাপিদ এক্সে (আগে টুইটার) লিখেছেন, ‘আমি ইরানের নেতাদের পরামর্শ দিচ্ছি, ভেনেজুয়েলায় কী ঘটছে সেদিকে ভালোভাবে তাকান।’
মূলত, ভেনেজুয়েলায় মাদুরো সরকারের কোণঠাসা অবস্থার ইঙ্গিত দিয়েই তিনি ইরানকে সতর্ক করেছেন যে, বিক্ষোভে দমন-পীড়ন চালালে তাদেরও একই দশা হতে পারে।
এদিকে ইরানেও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ চলছে। এর মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, “যদি ইরানে আর একজন বিক্ষোভকারীও নিহত হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র চুপ থাকবে না। আমরা ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ (হামলার জন্য প্রস্তুত)।”
ট্রাম্পের এই হুমকির পর জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর ‘বেআইনি হুমকি’ বলে উল্লেখ করেছেন।
ইরানকে উদ্দেশ করে ল্যাপিদের মন্তব্য মূলত ভেনিজুয়েলার বর্তমান পরিস্থিতি এবং ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থানের সঙ্গে ইরানের চলমান অস্থিরতাকে এক সুতোয় গেঁথে দিয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) ছিল ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের দ্বাদশ দিন। আগের ১১ দিনের মতোই এ দিনই উভয় পক্ষই হামলা-পালটা হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ১২ দিনে এসেও দুপক্ষের কেউই কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ বলেই জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে পরপর তিনটি কার্গো জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে অগ্নিকাণ্ড ঘটায় বেশিরভাগ নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনিকে সমর্থন জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। একই সঙ্গে দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘অবৈধ’ হামলার নিন্দা পুনর্ব্যক্ত করেছে পিয়ংইয়ং।
২০ ঘণ্টা আগে
তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ যখন অবকাঠামোগত যুদ্ধের দিকে বিস্তৃত হচ্ছে, তখন ইরানের `বৈধ লক্ষ্যবস্তু’র পরিধিও বাড়ছে।
২১ ঘণ্টা আগে