
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বিতর্কিত ও কুখ্যাত ‘মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার’ (এমডিসি) ব্রুকলিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। মাদক পাচার ও অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগে আটক এই বামপন্থী নেতাকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ডিইএ কার্যালয় থেকে কারাগারে নেওয়া হয়। ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল কিংবা পি ডিডির মতো হাই-প্রোফাইল বন্দিদের আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত এই কারাগারটি তার চরম অব্যবস্থাপনা ও অমানবিক পরিবেশের জন্য দীর্ঘকাল ধরে বিতর্কিত। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।
কারাগারটি এর আগে ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল এবং পি ডিডির মতো হাই-প্রোফাইল বন্দিদের রাখার জন্য আলোচনায় এসেছিল।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে একটি সামরিক ঘাঁটিতে নেওয়া হয় মাদুরোকে। সেখান থেকে ব্রুকলিন ডিটেনশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার আগে তাকে নিউইয়র্কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ডিইএ) কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মাদুরো আগে থেকেই কোনো ধরনের মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হবে। তবে তাদের আদালতে তোলার সুনির্দিষ্ট তারিখটি এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে ম্যানহাটন ফেডারেল আদালতে ‘এমডিসি’ মাদক ও অস্ত্র মামলার মুখোমুখি হওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে এই কারাগারেই রাখা হবে। তবে মাদুরোর স্ত্রীর বর্তমান অবস্থা বা তাকে কোথায় রাখা হয়েছে, সে সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। নিউইয়র্ক সিটির একমাত্র ফেডারেল কারাগার হিসেবে পরিচিত এই ‘এমডিসি’। হাই-প্রোফাইল বন্দিদের রাখার কারণে এটি প্রায়ই সংবাদ শিরোনামে আসে।
এই কারাগারটির বন্দিদের জন্য অত্যন্ত ‘ভয়ঙ্কর’ হিসেবেও পরিচিত। নোংরা পরিবেশ, চরম সহিংসতা এবং কর্তৃপক্ষের অবহেলার বহু অভিযোগ রয়েছে এই ডিটেনশন সেন্টারের বিরুদ্ধে। এমনকি এক বন্দিকে কয়েকবার ছুরিকাঘাত করার পর চিকিৎসা না দিয়ে উল্টো ২৫ দিন নির্জন সেলে আটকে রাখার মতো অমানবিক অভিযোগও রয়েছে এই কারাগার নিয়ে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বিতর্কিত ও কুখ্যাত ‘মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার’ (এমডিসি) ব্রুকলিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। মাদক পাচার ও অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগে আটক এই বামপন্থী নেতাকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ডিইএ কার্যালয় থেকে কারাগারে নেওয়া হয়। ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল কিংবা পি ডিডির মতো হাই-প্রোফাইল বন্দিদের আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত এই কারাগারটি তার চরম অব্যবস্থাপনা ও অমানবিক পরিবেশের জন্য দীর্ঘকাল ধরে বিতর্কিত। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।
কারাগারটি এর আগে ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল এবং পি ডিডির মতো হাই-প্রোফাইল বন্দিদের রাখার জন্য আলোচনায় এসেছিল।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে একটি সামরিক ঘাঁটিতে নেওয়া হয় মাদুরোকে। সেখান থেকে ব্রুকলিন ডিটেনশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার আগে তাকে নিউইয়র্কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ডিইএ) কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মাদুরো আগে থেকেই কোনো ধরনের মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হবে। তবে তাদের আদালতে তোলার সুনির্দিষ্ট তারিখটি এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে ম্যানহাটন ফেডারেল আদালতে ‘এমডিসি’ মাদক ও অস্ত্র মামলার মুখোমুখি হওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে এই কারাগারেই রাখা হবে। তবে মাদুরোর স্ত্রীর বর্তমান অবস্থা বা তাকে কোথায় রাখা হয়েছে, সে সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। নিউইয়র্ক সিটির একমাত্র ফেডারেল কারাগার হিসেবে পরিচিত এই ‘এমডিসি’। হাই-প্রোফাইল বন্দিদের রাখার কারণে এটি প্রায়ই সংবাদ শিরোনামে আসে।
এই কারাগারটির বন্দিদের জন্য অত্যন্ত ‘ভয়ঙ্কর’ হিসেবেও পরিচিত। নোংরা পরিবেশ, চরম সহিংসতা এবং কর্তৃপক্ষের অবহেলার বহু অভিযোগ রয়েছে এই ডিটেনশন সেন্টারের বিরুদ্ধে। এমনকি এক বন্দিকে কয়েকবার ছুরিকাঘাত করার পর চিকিৎসা না দিয়ে উল্টো ২৫ দিন নির্জন সেলে আটকে রাখার মতো অমানবিক অভিযোগও রয়েছে এই কারাগার নিয়ে।

এই দ্বীপটি উপকূল থেকে কিছুটা দূরে এমন এক গভীর জলসীমায় অবস্থিত, যেখানে ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (ভিএলসিসি) নামক বিশাল তেলের ট্যাঙ্কারগুলো সহজেই ভিড়তে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। তবে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র এমন সব স্থাপনায় হামলা চালাবে, যেগুলো এখনো ইচ্ছাকৃতভাবে স্পর্শ করা হয়নি।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ইরানের নৌবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ধ্বংস করা। এরপর বর্তমান সংঘাত কমিয়ে আনা ও কূটনৈতিকভাবে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, যাতে তারা অবাধ অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ দেয়।
৬ ঘণ্টা আগে
শনিবার দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ইরানের খার্গ দ্বীপে অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ দ্বীপ থেকেই ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি প্রক্রিয়াজাত হয়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী উপকূলীয় এলাকাগুলোকেও সম্ভাব্
৬ ঘণ্টা আগে