ওয়াশিংটন ও তাদের মিত্রদের জন্য আদর্শ পরিস্থিতি হতো যদি এই যুদ্ধের মাধ্যমে আয়াতুল্লাহদের শাসনের অবসান ঘটে এবং দ্রুত সেখানে একটি শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার আসে; যারা নিজেদের জনগণ বা প্রতিবেশীদের জন্য আর হুমকি হবে না।
ট্রাম্পের এ আহ্বানে সাড়া মেলেনি একেবারেই। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, থেকে শুরু করে জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোর কেউই খুব একটা উৎসাহ দেখাননি ট্রাম্পের প্রস্তাবে। এমনকি ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত চীনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানালে তারাও মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, এখন দেখা যাক, তারা আমাদের সহায়তা করে কি না। যদি তাদের কাছ থেকে (সহায়তার বিষয়ে) কোনো সাড়া না পাওয়া যায় অথবা নেতিবাচক সাড়া আসে, তাহলে আমি মনে করি এটি ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য খুব খারাপ হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরান সমঝোতা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে অন্যান্যবারের মতোই এ কথা অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে আলোচনা করার কোনো কারণই নেই।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রথম ছয়দিনেই ১১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আইনপ্রণেতাদের এক বৈঠকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ও ভারতসহ বিশ্বের ১৬টি দেশে উৎপাদন খাত নিয়ে নতুন বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত তাঁর আগের শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত বাতিল করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
বুধবার (১১ মার্চ) ছিল ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের দ্বাদশ দিন। আগের ১১ দিনের মতোই এ দিনই উভয় পক্ষই হামলা-পালটা হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ১২ দিনে এসেও দুপক্ষের কেউই কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ বলেই জানিয়েছে।
একই কথা উল্লেখ করে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, ‘শুরুর দিকের তুলনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে এবং অভিযান শুরুর পর থেকে একমুখী ড্রোন হামলার হার ৮৩ শতাংশ কমেছে।’
ইরানের হরমুজ প্রণালি নিজেদের দখলে নেওয়ার ‘চিন্তাভাবনা’ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
ইরানের মিত্র হিসেবে পরিচিত রাশিয়া ও চীনের পক্ষ থেকে সমর্থন এসেছে নতুন এই সর্বোচ্চ নেতার পক্ষে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সরাসরি বার্তা দিয়ে মোজতবাকে আকুণ্ঠ সমর্থন দেওয়ার কথা জানান। অন্যদিকে বিপরীত প্রতিক্রিয়া এসেছে ট্রাম্পের কাছ থেকে। তিনি বলেছেন, মার্কিন সমর্থন না থাকলে ইরানের নেতৃত্ব দীর্ঘস্
রাতভর অভিযানে ইসরায়েল তেহরান ও আশপাশের জ্বালানি ডিপোতে হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের একটি হোটেলে হামলা চালিয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের পাঁচ কমান্ডারকে হত্যা করার দাবি করেছে ইসরায়েল।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতির পর এমন মন্তব্য করলেন ট্রাম্প। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, যুক্তরাজ্যের দুটি প্রধান বিমানবাহী রণতরির একটি এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসকে পূর্ণ প্রস্তুতিতে রাখা হয়েছে।
সার্বিক চিত্র বলছে, এক সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়ে ইরান যুদ্ধের সূত্র ধরে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠেছে। ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একের পর এক নতুন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ অবস্থায় শেষ পর্যন্ত ইরানে সামরিক সাফল্য অর্জন করা গেলেও তাকে স্পষ্ট কোনো ভূরাজনৈ
শুক্রবার ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা ইরানে ‘খুব ভালো’ করছে- ‘এটা অসাধারণ হয়েছে’।
প্রসঙ্গত, ইরান তার আশপাশের যেসব দেশে হামলা চালিয়ে সেগুলোর কাছে আজ দুঃখপ্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। কোনো দেশ থেকে ‘প্রথমে হামলা না হলে’ আক্রমণ করা হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, "দুবাই কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে একটি হামলা প্রতিহত করার সময় কিছু ধ্বংসাবশেষ পড়ে সৃষ্ট একটি ছোটখাটো ঘটনা সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি"।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস) জানিয়েছে, অভিযানের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের খরচ হয়েছে প্রায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার, যার মধ্যে ৩৫০ কোটি ডলারই আগে বাজেটে ধরা ছিল না। এ হিসাব বলছে, এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদিন খরচ হচ্ছে প্রায় ৯০ কোটি ডলার।