
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা ‘গাজা শান্তি পরিকল্পনা’য় অনুমোদন দিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। গাজায় বিদেশি বাহিনী মোতায়েন, নিরস্ত্রীকরণ, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি থেকে শুরু করে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাবে।
এ পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী (আইএসএফ) মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে, যা প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। অন্যদিকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনার প্রস্তাবের বরাবরই বিরোধী ইসরায়েল।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (১৭ নভেম্বর) নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয় যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও সোমালিয়াসহ ১৩টি দেশ। কোনো দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়নি। ভোটদানে বিরত ছিল রাশিয়া ও চীন।
ট্রাম্পের ২০ দফা প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাহিনী আইএসএফের অন্যতম দায়িত্ব হবে ‘অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হাতে থাকা অস্ত্র স্থায়ীভাবে অপসারণ’। হামাসও রয়েছে এসব বাহিনীর মধ্যে।
এ বাহিনী ইসরায়েল ও গাজার দক্ষিণ দিকের প্রতিবেশী মিশরের সঙ্গে কাজ করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে পরিকল্পনায়। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, কয়েকটি দেশ এই বাহিনীতে অবদান রাখতে আগ্রহ দেখিয়েছে।
হামাস এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। টেলিগ্রামে এক বার্তায় সংগঠনটি বলেছে, এ পরিকল্পনা গাজার ওপর একটি আন্তর্জাতিক অভিভাবকত্ব চাপিয়ে দিচ্ছে, যা আমাদের জনগণ ও গোষ্ঠীগুলো প্রত্যাখ্যান করে। আন্তর্জাতিক বাহিনীকে গাজার ভেতরে দায়িত্ব দেওয়া হলে এবং প্রতিরোধ শক্তিকে নিরস্ত্র করা হলে তা আর নিরপেক্ষ উদ্যোগ থাকবে না, বরং সরাসরি (ইসরায়েলি) দখলদারদের পক্ষ হয়ে দাঁড়াবে।
ট্রাম্পের প্রস্তাবে গাজায় নতুনভাবে প্রশিক্ষিত একটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী গঠনের কথাও বলা হয়েছে, যে কাজটি এখন হামাস করে আসছে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ নিরাপত্তা পরিষদকে বলেন, আইএসএফের দায়িত্ব হবে এলাকা সুরক্ষিত করা, গাজাকে নিরস্ত্রীকরণে সহায়তা করা, সন্ত্রাসী অবকাঠামো ভেঙে দেওয়া, অস্ত্র অপসারণ এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
পরিকল্পনার প্রথম ধাপ গত ১০ অক্টোবর কার্যকর হয়। এর আওতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি ও আটক ব্যক্তিদের হস্তান্তর শুরু হয়। ট্রাম্পের পরিকল্পনায় তার নিজের নেতৃত্বে একটি ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের কথাও বলা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, গাজা পুনর্গঠনের অর্থায়ন আসবে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় গঠিত একটি ট্রাস্ট ফান্ড থেকে।
ট্রাম্পের ওই প্রস্তাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। ইসরায়েল বরাবরই এ ধরনের যেকোনো সম্ভাবনার বিরোধিতা করে আসছে। তবে আরব দেশগুলোর চাপের মুখে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের এ সম্ভাবনার কথা ট্রাম্প পরিকল্পনায় উল্লেখ করেছেন বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলা হলে প্রায় ১২০০ ইসরায়েলি প্রাণ হারান, জিম্মি করা হয় ২৫১ জনকে। এর প্রতিশোধ নিতে দুই বছর ধরে গাজায় সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এসব অভিযানে ৭০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে। গোটা গাজাকে পরিণত করা হয়েছে ধ্বংসস্তূপে।
নানা প্রচেষ্টার পর শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ীই দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরের একমাসেও ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই এক মাসে প্রায় ২৬০ জন ফিলিস্তিনির প্রাণহানির খবর দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা ‘গাজা শান্তি পরিকল্পনা’য় অনুমোদন দিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। গাজায় বিদেশি বাহিনী মোতায়েন, নিরস্ত্রীকরণ, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি থেকে শুরু করে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাবে।
এ পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী (আইএসএফ) মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে, যা প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। অন্যদিকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনার প্রস্তাবের বরাবরই বিরোধী ইসরায়েল।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (১৭ নভেম্বর) নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয় যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও সোমালিয়াসহ ১৩টি দেশ। কোনো দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়নি। ভোটদানে বিরত ছিল রাশিয়া ও চীন।
ট্রাম্পের ২০ দফা প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাহিনী আইএসএফের অন্যতম দায়িত্ব হবে ‘অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হাতে থাকা অস্ত্র স্থায়ীভাবে অপসারণ’। হামাসও রয়েছে এসব বাহিনীর মধ্যে।
এ বাহিনী ইসরায়েল ও গাজার দক্ষিণ দিকের প্রতিবেশী মিশরের সঙ্গে কাজ করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে পরিকল্পনায়। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, কয়েকটি দেশ এই বাহিনীতে অবদান রাখতে আগ্রহ দেখিয়েছে।
হামাস এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। টেলিগ্রামে এক বার্তায় সংগঠনটি বলেছে, এ পরিকল্পনা গাজার ওপর একটি আন্তর্জাতিক অভিভাবকত্ব চাপিয়ে দিচ্ছে, যা আমাদের জনগণ ও গোষ্ঠীগুলো প্রত্যাখ্যান করে। আন্তর্জাতিক বাহিনীকে গাজার ভেতরে দায়িত্ব দেওয়া হলে এবং প্রতিরোধ শক্তিকে নিরস্ত্র করা হলে তা আর নিরপেক্ষ উদ্যোগ থাকবে না, বরং সরাসরি (ইসরায়েলি) দখলদারদের পক্ষ হয়ে দাঁড়াবে।
ট্রাম্পের প্রস্তাবে গাজায় নতুনভাবে প্রশিক্ষিত একটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী গঠনের কথাও বলা হয়েছে, যে কাজটি এখন হামাস করে আসছে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ নিরাপত্তা পরিষদকে বলেন, আইএসএফের দায়িত্ব হবে এলাকা সুরক্ষিত করা, গাজাকে নিরস্ত্রীকরণে সহায়তা করা, সন্ত্রাসী অবকাঠামো ভেঙে দেওয়া, অস্ত্র অপসারণ এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
পরিকল্পনার প্রথম ধাপ গত ১০ অক্টোবর কার্যকর হয়। এর আওতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি ও আটক ব্যক্তিদের হস্তান্তর শুরু হয়। ট্রাম্পের পরিকল্পনায় তার নিজের নেতৃত্বে একটি ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের কথাও বলা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, গাজা পুনর্গঠনের অর্থায়ন আসবে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় গঠিত একটি ট্রাস্ট ফান্ড থেকে।
ট্রাম্পের ওই প্রস্তাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। ইসরায়েল বরাবরই এ ধরনের যেকোনো সম্ভাবনার বিরোধিতা করে আসছে। তবে আরব দেশগুলোর চাপের মুখে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের এ সম্ভাবনার কথা ট্রাম্প পরিকল্পনায় উল্লেখ করেছেন বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলা হলে প্রায় ১২০০ ইসরায়েলি প্রাণ হারান, জিম্মি করা হয় ২৫১ জনকে। এর প্রতিশোধ নিতে দুই বছর ধরে গাজায় সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এসব অভিযানে ৭০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে। গোটা গাজাকে পরিণত করা হয়েছে ধ্বংসস্তূপে।
নানা প্রচেষ্টার পর শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ীই দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরের একমাসেও ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই এক মাসে প্রায় ২৬০ জন ফিলিস্তিনির প্রাণহানির খবর দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

শক্তিশালী ভূমিকম্পে পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চল কম্পিত হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী ইসলামাবাদ ও পার্শ্ববর্তী শহর রাওয়ালপিন্ডিও রয়েছে। আজ শুক্রবার পাকিস্তান আবহাওয়া দপ্তরের অধীন জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনএসএমসি) জানায়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.৮।
২০ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার সীমান্তে কোকেন পাচারকারী গেরিলাদের বিরুদ্ধে ‘যৌথ কার্যক্রম’ গ্রহণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একমত হয়েছেন কলম্বিয়ার বামপন্থি প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। ট্রাম্প ও পেত্রোর মধ্যে টেলিফোনে কথা হলে তখন তারা এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।
২০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তেল কোম্পানিগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলা নিয়ে তার পরিকল্পনার পক্ষে এসব কোম্পানির সমর্থন আদায় করাই এ বৈঠকের উদ্দেশ্য।
২০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে কোনো ধরনের সামরিক অভিযান চালায়, তবে ডেনিশ সেনারা ‘আগে গুলি চালাবে, পরে প্রশ্ন করবে’— এমন কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে, এটি ১৯৫২ সালে প্রণীত ডেনিশ সেনাবাহিনীর একটি নিয়মের প্রতিফলন, যা এখনো কার্যকর রয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে