হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, "কোনো মিডিয়াকে, বুরোক্রেসিকে বা মিলিটারিকে নিয়ন্ত্রণ করে নয়, এবং পাশের দেশ ভারতের কনসেন্ট নিয়ে আমরা কোনো ক্ষমতায় যেতে চাই না।"
এই বক্তব্য ‘অসত্য, মনগড়া ও উদ্দেশ্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে রবিবার জামায়াতের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, আখতার হোসেনের মতো একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার মুখে এমন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক, অযৌক্তিক ও সস্তা রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। আমরা আশা করি, তিনি তার ভিত্তিহীন বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন এবং দায়িত্বশ
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘বড় ৃদলগুলোর কাছে ছোট দলগুলোর মাথা নত করা উচিত না। নিজেদের মেরুদণ্ড সমুন্নত করতে হবে। পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও ধর্মের রাজনীতি আর চলবে না। ভাঙা দিয়ে শুরু করেছি, এখন গড়ার সময়।’
বিয়ের অনুষ্ঠানে নববিবাহিতা দম্পতির সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে শেয়ার করে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন লেখেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ ও জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামলী সুলতানা জেদনীর বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুলাইয়ের অনুপ্র
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন নিয়ে আমাদের উদ্বেগ এখনো রয়েছে। পুরনো প্রক্রিয়ায় নতুন নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে। আমরা এটির বিরোধিতা করেছি। আমরা বলেছিলাম, সংস্কার প্রস্তাবনা অনুযায়ী কমিশন গঠিত হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমরা তো নির্বাচনের পথেও এগোতে চাই। যেহেতু বিদ্যমান বাস্তবতা অনুযায়ী সরকার এটি করেছে, সেজ
হাইকোর্টে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিটকে ‘আদালত ব্যবহার করার চেষ্টা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে আহ্বান জান
নাহিদ ইসলাম বলেন, “গত ১৬ বছরে দেশের অর্থনৈতিক যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা রাতারাতি বদলানো সম্ভব নয়। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি বা বড় ধরনের অর্থনৈতিক পরিবর্তনও বাস্তবসম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। তবে সমাজকে ইতিবাচক সংকেত দিতে হবে যে সরকার সেই পথেই এগোচ্ছে। শিক্ষা সংস্কারে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, শেখ হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন বেগম খালেদা জিয়াকে বাঁচিয়ে রাখেন।
ডা. তাসনিম জারা বলেন, খালেদা জিয়ার অবস্থা ক্রিটিক্যাল। তবে তিনি সজ্ঞান ও সজাগ আছেন। ডাক্তার ও নার্সদের নির্দেশনা ফলো করতে পারছেন। তার চিকিৎসা চলছে। সবার কাছে তার জন্য দোয়ার আবেদন থাকবে।
সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ সময় দেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার সাহস, আপসহীন অবস্থান ও সহনশীলতার ভূঁয়সী প্রশংসাও করেন তিনি।
সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তিন নেতা। এ ছাড়া দলটির পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।
এনসিপি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশকে (আপ বাংলাদেশ) নিয়ে এই জোট তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। সূত্র বলছে, আ স ম আবদুর রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদকেও এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতিতে নতুন একটি তৃতীয় শক্তির রাজনৈতিক জোট গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী।
গণঅভ্যুত্থানের পরে গত এক বছরের বেশি সময়ে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ অথবা একে অপরের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলার নানা খবর শোনা গেছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) সক্রিয়তায় পিছিয়ে নেই বুড়িগঙ্গার তীরের গুরুত্বপূর্ণ এ আসনে। বরং নতুন এ রাজনৈতিক দলটি ভোটের মাঠে আলোচনায় উঠে এসেছে প্রার্থিতা নিয়ে। অনেক আসনেই দলটি থেকে একজনের বেশি মনোনয়নপ্রত্যাশী না থাকলেও এ আসনে চারজন তরুণ নেতা দলের প্রার্থী হতে মনোনয়ন আবেদন ফরম সংগ্রহ করেছেন।
রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না— এটি বারবার বলেছে নির্বাচন কমিশন। জাতীয় নির্বাচনে তাই সারা দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ভোটের দিকে নজর সব রাজনৈতিক দলেরই। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ নিয়ে জামায়াত ও বিএনপি নেতাদের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আল
নাহিদ ইসলাম বলেন, 'আমরা দেখছি যে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছে প্রশাসনকে কিভাবে দখল করতে হবে, প্রশাসনকে কিভাবে হাতে রাখতে হবে। সেটার জন্য যে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং প্রশাসনকে শক্ত অবস্থানে থাকা প্রয়োজন—সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি না।'