
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পুরনো নির্বাচনি সংস্কৃতিকে তাক লাগিয়ে মাত্র ২৯ ঘণ্টায় ৪৭ লাখ টাকার তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছেন ঢাকা-৯ আসনের এনসিপি প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।
অনুদান সংগ্রহ বন্ধের ঘোষণা দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের এই অভূতপূর্ব সাড়া পুরনো রাজনৈতিক ধারার মূলে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। এখন থেকে তার আসল লড়াই শুরু বলেও জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
বড় বাজেটের প্রার্থীদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তাসনিম জারা বলেন, ‘অধিকাংশ প্রার্থী এই নির্বাচনে ১০ থেকে ৫০ কোটি টাকা খরচ করবেন। অনেকে বলেন টাকা দিয়ে ভোট কেনা যায়। কিন্তু তারা একটি বিষয় ভুলে গেছেন, আমাদের সাথে আছেন আপনারা, যারা নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নিজের পকেটের পয়সাও খরচ করতে রাজি।’
ঢাকা-৯ আসনে প্রায় ৫ লাখ ভোটারের কাছে পৌঁছানো একজন প্রার্থীর একার পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি কোনো ‘পেইড কর্মী’ নিয়োগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর বদলে তিনি সাধারণ মানুষকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
তাসনিম জারা বিশ্বাস করেন, একজন পরিচিত মানুষের একটি ফোন কল বা সরাসরি কথা কোটি টাকা খরচ করা পোস্টার বা বিলবোর্ডের চেয়ে হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। তিনি বলেন, ‘আমরা এক সাথে প্রমাণ করবো জনগণের সম্মিলিত শক্তির সামনে কোটি কোটি কালো টাকা কতটা অসহায়।’
তহবিলের স্বচ্ছতা নিয়ে শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে থাকা এই প্রার্থী জানিয়েছেন, সংগৃহীত টাকার হিসাব হবে স্বচ্ছ। এই নির্বাচনি তহবিলের জন্য তিনি সম্পূর্ণ নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও বিকাশ নম্বর ব্যবহার করেছেন, যেখানে ব্যক্তিগত কোনো লেনদেন করা হয়নি।
তাসনিম জারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, সংগৃহীত অর্থ ঠিক কোন কোন খাতে কতটুকু ব্যয় করা হবে, তা স্পষ্ট করে আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। এ ছাড়া লেনদেনের সমস্ত নথিপত্র নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
ভোটের দিন প্রতিটি বুথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সাহসী পোলিং এজেন্ট ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণাকে এক ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
এর আগে, সোমবার (২২ ডিসেম্বর) নির্বাচনি তহবিল সংগ্রহে সর্বসাধারণের সহযোগিতা চেয়ে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন তাসনিম জারা। তার এই ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল।
তাসনিম জারার নির্বাচনি এলাকায় (ঢাকা-৯) ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭০ হাজার জন। ফলে নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী তিনি সর্বোচ্চ ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৮০ টাকা খরচ করতে পারবেন। এই পুরো টাকাই তিনি স্বচ্ছ উপায়ে জনগণের কাছ থেকে সংগ্রহ করার সংকল্প নিয়েছিলেন।
গতকাল মাত্র ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রায় ২৪ লাখ টাকা জমা পড়েছিল তার তহবিলে। আজ ২৯ ঘণ্টা পার হতেই ৪৭ লাখ টাকার তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। বিষয়টিকে জনগণের অকল্পনীয় সাড়া ও ভালোবাসা হিসেবে দেখছেন এনসিপির এই নেতা।
ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারার নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন— জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কবির আহমেদ এবং বিএনপির প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশিদ।

পুরনো নির্বাচনি সংস্কৃতিকে তাক লাগিয়ে মাত্র ২৯ ঘণ্টায় ৪৭ লাখ টাকার তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছেন ঢাকা-৯ আসনের এনসিপি প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।
অনুদান সংগ্রহ বন্ধের ঘোষণা দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের এই অভূতপূর্ব সাড়া পুরনো রাজনৈতিক ধারার মূলে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। এখন থেকে তার আসল লড়াই শুরু বলেও জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
বড় বাজেটের প্রার্থীদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তাসনিম জারা বলেন, ‘অধিকাংশ প্রার্থী এই নির্বাচনে ১০ থেকে ৫০ কোটি টাকা খরচ করবেন। অনেকে বলেন টাকা দিয়ে ভোট কেনা যায়। কিন্তু তারা একটি বিষয় ভুলে গেছেন, আমাদের সাথে আছেন আপনারা, যারা নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নিজের পকেটের পয়সাও খরচ করতে রাজি।’
ঢাকা-৯ আসনে প্রায় ৫ লাখ ভোটারের কাছে পৌঁছানো একজন প্রার্থীর একার পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি কোনো ‘পেইড কর্মী’ নিয়োগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর বদলে তিনি সাধারণ মানুষকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
তাসনিম জারা বিশ্বাস করেন, একজন পরিচিত মানুষের একটি ফোন কল বা সরাসরি কথা কোটি টাকা খরচ করা পোস্টার বা বিলবোর্ডের চেয়ে হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। তিনি বলেন, ‘আমরা এক সাথে প্রমাণ করবো জনগণের সম্মিলিত শক্তির সামনে কোটি কোটি কালো টাকা কতটা অসহায়।’
তহবিলের স্বচ্ছতা নিয়ে শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে থাকা এই প্রার্থী জানিয়েছেন, সংগৃহীত টাকার হিসাব হবে স্বচ্ছ। এই নির্বাচনি তহবিলের জন্য তিনি সম্পূর্ণ নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও বিকাশ নম্বর ব্যবহার করেছেন, যেখানে ব্যক্তিগত কোনো লেনদেন করা হয়নি।
তাসনিম জারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, সংগৃহীত অর্থ ঠিক কোন কোন খাতে কতটুকু ব্যয় করা হবে, তা স্পষ্ট করে আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। এ ছাড়া লেনদেনের সমস্ত নথিপত্র নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
ভোটের দিন প্রতিটি বুথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সাহসী পোলিং এজেন্ট ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণাকে এক ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
এর আগে, সোমবার (২২ ডিসেম্বর) নির্বাচনি তহবিল সংগ্রহে সর্বসাধারণের সহযোগিতা চেয়ে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন তাসনিম জারা। তার এই ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল।
তাসনিম জারার নির্বাচনি এলাকায় (ঢাকা-৯) ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭০ হাজার জন। ফলে নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী তিনি সর্বোচ্চ ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৮০ টাকা খরচ করতে পারবেন। এই পুরো টাকাই তিনি স্বচ্ছ উপায়ে জনগণের কাছ থেকে সংগ্রহ করার সংকল্প নিয়েছিলেন।
গতকাল মাত্র ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রায় ২৪ লাখ টাকা জমা পড়েছিল তার তহবিলে। আজ ২৯ ঘণ্টা পার হতেই ৪৭ লাখ টাকার তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। বিষয়টিকে জনগণের অকল্পনীয় সাড়া ও ভালোবাসা হিসেবে দেখছেন এনসিপির এই নেতা।
ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারার নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন— জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কবির আহমেদ এবং বিএনপির প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশিদ।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
১ দিন আগে
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের তেল সম্পদ নিয়ন্ত্রণ ও সামরিক আধিপত্যের নীতি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পথ প্রশস্ত করছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন পার্টির নেতারা। একই সাথে, মার্কিন ঘাঁটির জায়গা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোর 'স্বার্থপর ও সুবিধাবাদী আচরণ' গ্রহণযোগ্য নয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
৩ দিন আগে
আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কর্তৃক চালানো হামলায় খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ইরানের প্রতি সংহতি জানিয়ে এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচিতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
৩ দিন আগে
সাথে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াত আমির।
৩ দিন আগে