
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার ভবনে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের মুখপাত্র ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সরকারের একটি অংশের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া, তাদের পরিকল্পনা ছাড়া এটা সম্ভব নয়।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রথম আলো কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের নেতাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, এবি পার্টির (আমার বাংলাদেশ পার্টি) সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম প্রমুখ।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের যে নিষ্ক্রিয়তা আমরা দেখতে পেয়েছি, সরকারের একটা অংশের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া, তাদের পরিকল্পনা ছাড়া এটা সম্ভব হতো না। কারণ এটাই প্রথম ঘটনা নয়, এর আগেও এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আমরা মাজারে যে হামলা সেটা আমরা দেখতে পেয়েছি। প্রথম আলো, ডেইলি স্টারে বরাবর হুমকি দেওয়া হয়েছে। আক্রমণ করার চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের ভেতর থেকে এটা… বাইরে থেকে কে করেছে এটা সরকারই চিহ্নিত করতে পারে, সেটা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু সরকারের ভেতর থেকেই যদি যোগসাজশ থাকে তাহলে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো সহজ হয়।
গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের মুখপাত্র বলেন, গতকালকের ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে। বিচারের আওতায় আনতে হবে।
সরকারের ভেতরে কারা সংশ্লিষ্ট এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রশাসনের ভেতরে কিন্তু ফ্যাসিস্ট আমলের লোকজন রয়ে গেছে। তারা কিন্তু বারবার চেষ্টা করছে এই সরকার, গণঅভ্যুত্থান যেন ব্যর্থ হয়। আমরা যাতে গণতান্ত্রিকভাবে উত্তরণটা করতে না পারি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সমালোচনা করে তিনি বলেন, শরিফ ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি করা হয়।
তার বিরুদ্ধে তারা কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি। তিনি (স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা) নৈতিকভাবে ওই দায়িত্বে থাকতে পারেন না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার বিবৃতি দিয়ে তার দায়সারা কাজ করছে। সরকারের কাছ থেকে কোনো দায়িত্বশীল আচরণ আমরা পাচ্ছি না। সরকারের ভেতরে বিভিন্ন চক্রান্তগুলো, বিভিন্ন সময় আমরা সরকারের কাছে এগুলো বলেছি। এই ধরনের চক্রান্ত হচ্ছে। ভেতরে ফ্যাসিস্ট আমলের লোকরা রয়েছে, গণঅভ্যুত্থানবিরোধী লোকেরা রয়েছে।
গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের মুখপাত্র বলেন, আমরা নির্বাচনের দিকেই যাচ্ছিলাম। সেই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে এই ধরনের যোগসাজশ, কারসাজি হতে পারে। শরিফ ওসমান হাদির ঘটনাটাই কিন্তু এখনো পরিষ্কার হয়নি। তার খুনিরা কীভাবে দেশ থেকে পালিয়ে গেল।
নাহিদ আরও বলেন, শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের বিচার আমরা চাই। খুনিরা যদি ভারতে পালিয়ে থাকে অবশ্যই ভারত সরকারকে চাপ দিয়ে সেই খুনিসহ জুলাই হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।
প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার না আসা এবং নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য উপদেষ্টার সমালোচনা করেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের নেতা বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, একটা পর্যায় তৈরি করার চেষ্টা করছে যেখান থেকে মানুষ বলবে আগেই ভালো ছিলাম। এই ধরনের চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র যারা পতিত স্বৈরাচারের সঙ্গে মিলে করছে তারা সংখ্যায় খুবই কম মানুষ। তাদের আধুনিক যুগে ফুটেজ দিয়ে চিহ্নিত করা সম্ভব। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, গতকাল প্রথম আলো, ডেইলি স্টারের অগ্নিসংযোগের আগ পর্যাপ্ত পাহারার ব্যবস্থা ছিল না, সেটা সরকারের ব্যর্থতা। এ হামলার ঘটনায় সহানুভূতি জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। দেশবাসীকে আহ্বান জানাই, আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখব। এ ঘটনায় আমরা গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট অত্যন্ত ব্যথিত।

দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার ভবনে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের মুখপাত্র ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সরকারের একটি অংশের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া, তাদের পরিকল্পনা ছাড়া এটা সম্ভব নয়।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রথম আলো কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের নেতাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, এবি পার্টির (আমার বাংলাদেশ পার্টি) সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম প্রমুখ।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের যে নিষ্ক্রিয়তা আমরা দেখতে পেয়েছি, সরকারের একটা অংশের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া, তাদের পরিকল্পনা ছাড়া এটা সম্ভব হতো না। কারণ এটাই প্রথম ঘটনা নয়, এর আগেও এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আমরা মাজারে যে হামলা সেটা আমরা দেখতে পেয়েছি। প্রথম আলো, ডেইলি স্টারে বরাবর হুমকি দেওয়া হয়েছে। আক্রমণ করার চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের ভেতর থেকে এটা… বাইরে থেকে কে করেছে এটা সরকারই চিহ্নিত করতে পারে, সেটা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু সরকারের ভেতর থেকেই যদি যোগসাজশ থাকে তাহলে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো সহজ হয়।
গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের মুখপাত্র বলেন, গতকালকের ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে। বিচারের আওতায় আনতে হবে।
সরকারের ভেতরে কারা সংশ্লিষ্ট এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রশাসনের ভেতরে কিন্তু ফ্যাসিস্ট আমলের লোকজন রয়ে গেছে। তারা কিন্তু বারবার চেষ্টা করছে এই সরকার, গণঅভ্যুত্থান যেন ব্যর্থ হয়। আমরা যাতে গণতান্ত্রিকভাবে উত্তরণটা করতে না পারি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সমালোচনা করে তিনি বলেন, শরিফ ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি করা হয়।
তার বিরুদ্ধে তারা কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি। তিনি (স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা) নৈতিকভাবে ওই দায়িত্বে থাকতে পারেন না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার বিবৃতি দিয়ে তার দায়সারা কাজ করছে। সরকারের কাছ থেকে কোনো দায়িত্বশীল আচরণ আমরা পাচ্ছি না। সরকারের ভেতরে বিভিন্ন চক্রান্তগুলো, বিভিন্ন সময় আমরা সরকারের কাছে এগুলো বলেছি। এই ধরনের চক্রান্ত হচ্ছে। ভেতরে ফ্যাসিস্ট আমলের লোকরা রয়েছে, গণঅভ্যুত্থানবিরোধী লোকেরা রয়েছে।
গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের মুখপাত্র বলেন, আমরা নির্বাচনের দিকেই যাচ্ছিলাম। সেই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে এই ধরনের যোগসাজশ, কারসাজি হতে পারে। শরিফ ওসমান হাদির ঘটনাটাই কিন্তু এখনো পরিষ্কার হয়নি। তার খুনিরা কীভাবে দেশ থেকে পালিয়ে গেল।
নাহিদ আরও বলেন, শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের বিচার আমরা চাই। খুনিরা যদি ভারতে পালিয়ে থাকে অবশ্যই ভারত সরকারকে চাপ দিয়ে সেই খুনিসহ জুলাই হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।
প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার না আসা এবং নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য উপদেষ্টার সমালোচনা করেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের নেতা বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, একটা পর্যায় তৈরি করার চেষ্টা করছে যেখান থেকে মানুষ বলবে আগেই ভালো ছিলাম। এই ধরনের চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র যারা পতিত স্বৈরাচারের সঙ্গে মিলে করছে তারা সংখ্যায় খুবই কম মানুষ। তাদের আধুনিক যুগে ফুটেজ দিয়ে চিহ্নিত করা সম্ভব। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, গতকাল প্রথম আলো, ডেইলি স্টারের অগ্নিসংযোগের আগ পর্যাপ্ত পাহারার ব্যবস্থা ছিল না, সেটা সরকারের ব্যর্থতা। এ হামলার ঘটনায় সহানুভূতি জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। দেশবাসীকে আহ্বান জানাই, আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখব। এ ঘটনায় আমরা গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট অত্যন্ত ব্যথিত।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
২ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
২ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
২ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
২ দিন আগে