ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে এ সফর এবং গণতন্ত্রের দিকে বাংলাদেশের উত্তরণে ভুটানের অব্যাহত সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান নাহিদ। শেরিং টোবগে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা, বাণিজ্য ও আইসিটি খাতে সহযোগিতার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
জনসমর্থন এবং ভোটারের দিক থেকে বাংলাদেশে গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের একটা শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। জাতীয় নির্বাচনের পরিসংখ্যান বলছে, এখানে তিনটি আসনেই আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়। নৌকার বিপরীতের প্রার্থীদের অধিকাংশ ক্ষেত্রে জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে। এই গোপালগঞ্জে তিনটি
জুলাই সনদের প্রস্তাবনা অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে দলটি। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নয়, বরং এর পরের জাতীয় নির্বাচন থেকে এনসিপি এই সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করার দাবি জানিয়েছে।
এই পাঁচ নেতার প্রত্যেকেই বিশ্বাস করেন, দল তাকেই আগামী জাতীয় নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেবে। শুধু তাই নয়, মনোনয়ন পেলে এ আসনে এনসিপির হয়ে জয় ছিনিয়ে আনার বিষয়েও তারা আত্মবিশ্বাসী।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচনি প্রচারে দলীয় প্রধানের পরিবর্তে তারেক রহমান বা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছবি ব্যবহার না করার সুপারিশ করেছে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি)।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে একমাসের মধ্যে আদালতের রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, আমরা দাবি জানাচ্ছি, আগামী এক মাসের মধ্যে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত এনে এই রায় ক
ভিডিও বার্তায় আখতার হোসেন বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ডই শেখ হাসিনার জন্য উপযুক্ত বিচার। এই রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ন্যায়বিচার করা সম্ভব হবে। সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে এই রায় সরকারকে কার্যকর করতে হবে।’
এ সময় আখতার হোসেন বলেন, ইদানীং একটি দলের নেতারা চূড়ান্তভাবে গণভোটের বিরুদ্ধের অবস্থান নিয়েছেন। তারা আগেও গণভোটের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন করে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। গণভোটের রায় যারা মানবেন না, তারা জনগণের ম্যান্ডেটকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদেরকেও জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে।’
এনসিপির এই নেতা লেখেন, ‘যারা নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ের পূর্বে কোন নির্দিষ্ট দলের পদধারী নেতা হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে তারা আর যাই হোক, সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।’
জুলাই সনদ নিয়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে বলেন, সরকার এখানে দরদ দেখিয়েছে কিন্তু কোনো দায় দেখায় নাই। সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে এক চামচ এক চামচ করে ভাগ করে দিয়েছে। কিন্তু জনগণের প্লেট খালিই রয়ে গেছে।
এ সময় তিনি জানান, এনসিপির হয়ে জাতীয় সংসদ ভবনে যাওয়ার জন্য সারা বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত ১০১১ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। তাদের মধ্যে ডাক্তার, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, প্রকৌশলী বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন মনোনয়ন সংগ্রহ করেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহীদের জন্য মনোনয়ন আবেদন ফরম সংগ্রহের সময় বাড়িয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আগ্রহীরা আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত এই দলের মনোনয়ন আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে প্রধান শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়া তিনটি রাজনৈতিক দলের দাবির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়েই প্রতিটি দলের কোনো না কোনো দাবি মেনে নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা চূড়ান্ত করেছে সরকার। কিন্তু তাতে কি শেষ রক্ষা হলো?
এ সময় কুমিল্লা-৪ এনসিপি নিশ্চিত করেছে উল্লেখ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, মনোনয়নপত্র কেনার মধ্য দিয়ে কুমিল্লা-৪ আসন নিশ্চিত করেছে এনসিপি। এখন শুধু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এর আনুষ্ঠানিকতা বাকি রইল।
তারা জানান, ফ্যাসিস্টদের এমন হাঁকডাককে ভয় পায় না এনসিপি। আওয়ামী লীগের দোসর বা যে কারও অপচেষ্টাকে রুখে দিতে প্রস্তুত তারা।
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, যদি সরকার আবার পুলিশ দিয়ে, র্যাব দিয়ে, পেটোয়া বাহিনী দিয়ে এই আন্দোলন দমন করার চেষ্টা চালায়, রাজপথে আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করব। যারা আন্দোলন করছেন, আপনাদের কোনো ভয় নেই। আমরা আছি এখনো।
হাসনাত বলেন, ‘টকশোতে এতদিন আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগীরা আওয়ামী লীগের পক্ষে বৈধতা উৎপাদন করেছে। গত দুই দিনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম আবারও স্পষ্ট হয়েছে তাদের বৈধতা দেওয়া সম্ভব না।’