বৈঠক শেষে পাটওয়ারী বলেন, তারা (ইসি) যেহেতু ব্যাখ্যা দিতে পারেনি, এখন আমরা প্রতীক প্রশ্নে নেই। আমরা মনে করেছি প্রতীক প্রশ্নে তাদের ওপর অন্য কিছু বিরাজ করছে। অথবা প্রতীক সামনে রেখে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র করছে। আমরা মনে করি এই মাসের মধ্যেই এটা জাতির সামনে স্পষ্ট হবে।
আবারও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে দলীয় প্রতীক হিসেবে শাপলা চেয়ে ৭ ধরণের নমুনা এঁকে চিঠি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ মঙ্গলবার ই-মেইলের মাধ্যমে এ চিঠি পাঠানো হয়। কমিশনের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠানো চিঠিতে শাপলার সাতটি নমুনাচিত্রও যুক্ত করা হয়েছে।
সারজিস আলম বলেন, “কিছু উপদেষ্টা নির্বাচনের মাধ্যমে সসম্মানে কিভাবে ‘সেফ এক্সিট’ নেওয়া যায়, তা নিয়ে ভাবছেন। কিন্তু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে চুপিচুপি দায়সারাভাবে সরে যাওয়া সম্মানের নয়। তাদের কারণেই বিচার, আইনশৃঙ্খলা ও বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়েছে।”
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনী প্রতীক ‘শাপলা’ পেতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইসির সাম্প্রতিক প্রকাশিত গেজেটে ‘শাপলা’ প্রতীক না থাকলেও দলটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে প্রতীকটি অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেবে ইসি।
এই চিঠিটা ইস্যু করার আগে তাদের আইনগতভাবে আরও কিছু ধাপ সম্পন্ন করার কথা ছিল যেটা তারা করেনি" এবং তাদের দেওয়া দুটি চিঠির বিষয়ে নিষ্পত্তি না করেই নির্বাচন কমিশন পরবর্তী ধাপে চলে গেছে বলে বলছেন মি. মুসা।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এক বছরের বেশি সময় ধরে আছে। তিন মাসের মধ্যেই তারা নির্বাচন দিয়ে সরে যেতে পারত। কিন্তু তারা তা করেনি। তারা থেকে গেছে যাতে সংস্কার নিশ্চিত করা যায়। তাই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এই সরকারকেই করতে হবে তাদের নিজস্ব বৈধতার জন্য।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যদি তাদের পছন্দের প্রতীক ‘শাপলা’ না পায়, তাহলে কঠোর আন্দোলনে যাবে এবং প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাও করার মতো কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে—হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলের বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন।
বিমানবন্দরে সংবাদ সম্মেলনে গিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে এনসিপি।
‘কিন্তু, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া এই নতুন বাংলাদেশে আমরা সেই সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতি ও ভয়ের সংস্কৃতিকে চিরতরে বিদায় জানাতে বদ্ধপরিকর। কোনো ধর্মীয় উৎসবকে আর কখনোই রাজনৈতিক কূটচালের শিকার হতে দেওয়া হবে না।’
খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে তৈরি হওয়া উত্তেজনার মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আবদুল হান্নান মাসউদের ‘ভুয়া ধর্ষণ’ মন্তব্য ফের বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। পরে ওই মন্তব্যকে ভুল উল্লেখ করে হান্নান দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ধর্ষকের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে ফেসবু
তিনি বলেছেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা সম্প্রীতি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠন করতে চেয়েছিলাম। সেই বাংলাদেশের লক্ষ্যকে সামনে রেখে সব ধর্ম-বর্ণ ও মতের মানুষের ঐক্যের ভিত্তিতে সামনের দিনে এগোতে চাই। সেই লক্ষ্যে এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, ‘আইনগত বাধা না থাকলেও চাপের কারণে এনসিপিকে শাপলা প্রতীক দিতে সাহস পাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন। এটা কমিশনের ব্যর্থতা।’
মামলায় দুজনের নাম উল্লেখ করে ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাতনামা নাম দেখিয়ে মামলা করা হয়েছে। আখতারের অভিযোগ, ওই দিনের হামলার পরও এয়ারপোর্টের লবিতে এবং অন্যান্য জায়গায় তারা নানাভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করছে।
যদি অন্য দলগুলো প্রতীকের অংশ হিসেবে এগুলো পেতে পারে, তাহলে এনসিপিকেও শাপলা প্রতীক দিতে হবে। আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হলে আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হব।
একই প্রতিষ্ঠানের গত মার্চে পরিচালিত একই ধরনের জরিপের ফলও ছিল প্রায় একই। ছয় মাস আগের জরিপে বিএনপিকে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন ৪১ দশমিক ৭০ শতাংশ মানুষ, জামায়াতকে ৩১ দশমিক ৬০ শতাংশ। সে হিসাবে বিএনপির তুলনায় জামায়াতের পক্ষে ভোট দিতে আগ্রহীর সংখ্যা কিছুটা বেশি কমেছে।
সারজিস আলম বলেন, ‘এনসিপির মার্কা শাপলাই হতে হবে। অন্য কোনো অপশন নাই। না হলে কোনো নির্বাচন কীভাবে হয় আর কে কীভাবে ক্ষমতায় গিয়ে মধু খাওয়ার স্বপ্ন দেখে, সেটা আমরাও দেখে নেব।’