
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধের ঘটনায় আসন্ন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নাজুক উল্লেখ করে এ পরিস্থিতিতে সরকার নির্বাচন কীভাবে করবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
ফেসবুক পোস্টে আখতার লেখেন, ‘হাদি ভাইকে সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে। তিনি সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আল্লাহ ভাইকে সুস্থ করে দিন। আমিন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘মাত্র তফসিল দিয়েছে। একদিনের মাথায় এই গুলি। নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলার এই নাজুক পরিস্থিতিতে সরকার নির্বাচন কীভাবে করবে সেটা বড় প্রশ্ন। অবশ্যই এই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে হবে। পতিত স্বৈরাচারের সন্ত্রাসীরা, দোসররা দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের ছক কষছে। এদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।’

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধের ঘটনায় আসন্ন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নাজুক উল্লেখ করে এ পরিস্থিতিতে সরকার নির্বাচন কীভাবে করবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
ফেসবুক পোস্টে আখতার লেখেন, ‘হাদি ভাইকে সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে। তিনি সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আল্লাহ ভাইকে সুস্থ করে দিন। আমিন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘মাত্র তফসিল দিয়েছে। একদিনের মাথায় এই গুলি। নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলার এই নাজুক পরিস্থিতিতে সরকার নির্বাচন কীভাবে করবে সেটা বড় প্রশ্ন। অবশ্যই এই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে হবে। পতিত স্বৈরাচারের সন্ত্রাসীরা, দোসররা দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের ছক কষছে। এদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।’

হাসনাত আব্দুল্লাহ আরো বলেন, গত ১৭ বছর আমাদের টুটি চেপে ধরা হয়েছিল, যারা ভিন্নমত পোষণ করত তাদের সামনে থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া হতো, বাংলাদেশ একটা উন্মুক্ত কারাগারে পরিণত হয়েছিল, গুম করা হতো, আয়না ঘরে নেওয়া হতো, ক্রসফায়ারে দেওয়া হতো, ভিন্ন মত ও চিন্তার মানুষগুলোকে বলা হতো পিন্ডি বা দিল্লি চলে যেতে। এ
৩ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন ধরনের ১০টি দল একসঙ্গে এলেও কীসের ভিত্তিতে ঐক্য হলো সেটা স্পষ্ট নয়। এই ঐক্যের উদ্দেশ্য কী, আদর্শিক ভিত্তি কী সেটা নিয়েও কোনো রূপরেখা নেই, বক্তব্য নেই।
৫ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত বিজয় ছিনিয়ে আনা হবে। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।’
৬ ঘণ্টা আগে