
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সাফল্য অর্জন করায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও তার দল জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে থাকা এনসিপির ছয় প্রার্থী জয় পেয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এনসিপির এই সাফল্য কেবল নির্বাচনি পরিসংখ্যানের বিষয় নয়; এটি তরুণ প্রজন্মের আত্মপ্রত্যয়, স্বপ্ন ও গণতান্ত্রিক চেতনার শক্তিশালী প্রকাশ।’
বার্তায় নাহিদ ইসলামের উদ্দেশে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যে সাহস, দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে, তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
প্রসঙ্গত, নির্বাচনে ছয়টি আসনে জয় পাওয়া এনসিপির প্রার্থীরা হলেন— ঢাকা-১১ আসনে নাহিদ ইসলাম, রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেন, কুমিল্লা-৪ এ হাসনাত আবদুল্লাহ, নোয়াখালী-৬ এ হান্নান মাসউদ, কুড়িগ্রাম-২ এ আতিকুর রহমান মোজাহিদ এবং নারায়াণগঞ্জ-৪ আসনে আব্দুল্লাহ আল আমিন।
শনিবারের বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘মাত্র এক বছর আগে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে জন্ম নেওয়া একটি নবীন রাজনৈতিক দল হিসেবে ত্রিশটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা, তার মধ্যে ছয়টিতে বিজয় অর্জন করা এবং আরও কয়েকটি আসনে তীব্র ও সম্মানজনক প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা— এ এক অসাধারণ অর্জন।’
নাহিদ ইসলামের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘চব্বিশের সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা আজও আমাদের স্মৃতিতে অম্লান। আপনার নেতৃত্ব, সাহসিকতা ও অদম্য মনোবল সেই আন্দোলনকে সুশৃঙ্খল ও লক্ষ্যাভিমুখী করে তুলেছিল। আপনার সহযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ও দৃঢ় অবস্থান জাতির হৃদয়ে গভীর কৃতজ্ঞতার অনুভূতি জাগ্রত করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং জাতির পক্ষ থেকে আপনাদের সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
এ ছাড়া নাহিদ ইসলামকে কিছুদিন উপদেষ্টা পরিষদে ‘সহকর্মী হিসেবে পাওয়ার সুযোগ’কে ‘এক মূল্যবান অভিজ্ঞতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। বলেন, ‘সেই সময়ে আপনার কর্মদক্ষতা, বিষয়ভিত্তিক গভীরতা, নীতিগত দৃঢ়তা এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বোঝার আগ্রহ আমাকে মুগ্ধ করেছে।’
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘গণতন্ত্র তখনই বিকশিত হয়, যখন নতুন কণ্ঠস্বর উঠে আসে, নতুন ধারণা স্থান পায় এবং প্রজন্মান্তরের সেতুবন্ধন তৈরি হয়। আপনার দলের এই অল্প সময়ের সাফল্য প্রমাণ করে— বাংলাদেশের জনগণ, বিশেষত তরুণ সমাজ, নীতিনিষ্ঠ ও আদর্শভিত্তিক রাজনীতির প্রতি আস্থা রাখতে প্রস্তুত। এই আস্থা রক্ষা করা এখন আপনাদের বড় দায়িত্ব।’
নাহিদ ইসলাম ও তার দল এনসিপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সংসদে অর্জিত প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে আপনারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা, বিশেষত তরুণদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা তুলে ধরার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছেন। আমি প্রত্যাশা করি, আপনার নেতৃত্বে জাতীয় নাগরিক পার্টি গঠনমূলক, যুক্তিনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে।’
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আজকের এই অর্জন আগামী দিনের আরও বড় দায়িত্বের পূর্বাভাস। সংগ্রামের পথ থেকে রাজনীতির মূলধারায় প্রবেশ— এই রূপান্তর যেন আদর্শ ও মূল্যবোধকে অক্ষুণ্ণ রাখে, সেটিই আমাদের সবার প্রত্যাশা।’ তিনি নাহিদ ইসলামের ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সাফল্য অর্জন করায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও তার দল জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে থাকা এনসিপির ছয় প্রার্থী জয় পেয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এনসিপির এই সাফল্য কেবল নির্বাচনি পরিসংখ্যানের বিষয় নয়; এটি তরুণ প্রজন্মের আত্মপ্রত্যয়, স্বপ্ন ও গণতান্ত্রিক চেতনার শক্তিশালী প্রকাশ।’
বার্তায় নাহিদ ইসলামের উদ্দেশে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যে সাহস, দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে, তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
প্রসঙ্গত, নির্বাচনে ছয়টি আসনে জয় পাওয়া এনসিপির প্রার্থীরা হলেন— ঢাকা-১১ আসনে নাহিদ ইসলাম, রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেন, কুমিল্লা-৪ এ হাসনাত আবদুল্লাহ, নোয়াখালী-৬ এ হান্নান মাসউদ, কুড়িগ্রাম-২ এ আতিকুর রহমান মোজাহিদ এবং নারায়াণগঞ্জ-৪ আসনে আব্দুল্লাহ আল আমিন।
শনিবারের বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘মাত্র এক বছর আগে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে জন্ম নেওয়া একটি নবীন রাজনৈতিক দল হিসেবে ত্রিশটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা, তার মধ্যে ছয়টিতে বিজয় অর্জন করা এবং আরও কয়েকটি আসনে তীব্র ও সম্মানজনক প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা— এ এক অসাধারণ অর্জন।’
নাহিদ ইসলামের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘চব্বিশের সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা আজও আমাদের স্মৃতিতে অম্লান। আপনার নেতৃত্ব, সাহসিকতা ও অদম্য মনোবল সেই আন্দোলনকে সুশৃঙ্খল ও লক্ষ্যাভিমুখী করে তুলেছিল। আপনার সহযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ও দৃঢ় অবস্থান জাতির হৃদয়ে গভীর কৃতজ্ঞতার অনুভূতি জাগ্রত করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং জাতির পক্ষ থেকে আপনাদের সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
এ ছাড়া নাহিদ ইসলামকে কিছুদিন উপদেষ্টা পরিষদে ‘সহকর্মী হিসেবে পাওয়ার সুযোগ’কে ‘এক মূল্যবান অভিজ্ঞতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। বলেন, ‘সেই সময়ে আপনার কর্মদক্ষতা, বিষয়ভিত্তিক গভীরতা, নীতিগত দৃঢ়তা এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বোঝার আগ্রহ আমাকে মুগ্ধ করেছে।’
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘গণতন্ত্র তখনই বিকশিত হয়, যখন নতুন কণ্ঠস্বর উঠে আসে, নতুন ধারণা স্থান পায় এবং প্রজন্মান্তরের সেতুবন্ধন তৈরি হয়। আপনার দলের এই অল্প সময়ের সাফল্য প্রমাণ করে— বাংলাদেশের জনগণ, বিশেষত তরুণ সমাজ, নীতিনিষ্ঠ ও আদর্শভিত্তিক রাজনীতির প্রতি আস্থা রাখতে প্রস্তুত। এই আস্থা রক্ষা করা এখন আপনাদের বড় দায়িত্ব।’
নাহিদ ইসলাম ও তার দল এনসিপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সংসদে অর্জিত প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে আপনারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা, বিশেষত তরুণদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা তুলে ধরার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছেন। আমি প্রত্যাশা করি, আপনার নেতৃত্বে জাতীয় নাগরিক পার্টি গঠনমূলক, যুক্তিনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে।’
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আজকের এই অর্জন আগামী দিনের আরও বড় দায়িত্বের পূর্বাভাস। সংগ্রামের পথ থেকে রাজনীতির মূলধারায় প্রবেশ— এই রূপান্তর যেন আদর্শ ও মূল্যবোধকে অক্ষুণ্ণ রাখে, সেটিই আমাদের সবার প্রত্যাশা।’ তিনি নাহিদ ইসলামের ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।

কেউ আবার নিজ দলের প্রতীকে ভরসা না পেয়ে দল বিলুপ্ত করে সরাসরি বিএনপিতে যোগ দিয়ে ভোট করেছেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে। কেউ কেউ দল থেকে পদত্যাগ করে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করেছেন। তবে নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত তাদের বেশির ভাগই জয় ঘরে তুলতে পারেননি।
১৭ ঘণ্টা আগে
নিজেকে জনগণের সেবক এবং কর্মী উল্লেখ করে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. মঈন খান বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পথে যাত্রার মূল ভিত্তি ছিল মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান উদ্দেশ্যে ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন। এই দুটি লক্ষ্য নিয়েই বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে আ
১৮ ঘণ্টা আগে
সানজিদা ইসলাম তুলির অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামীর একটা বড় অংশ ভোটের আগে বিভিন্ন কেন্দ্রে টাকার বিনিময়ে কাজ করতে শুরু করেছিলো। এমন কোনো কেন্দ্র নেই যেখানে তার ভলেন্টিয়ারদের মারধর করা হয়নি। জনগণ গিয়ে ভোট দিতে পারে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়নি।
১৯ ঘণ্টা আগে
সেখানে বলা হয়, অনেক জায়গায় আমাদের প্রার্থীরা অল্প ভোটে রহস্যজনকভাবে হেরে গেছেন। ফলাফলে বারবার গরমিল ও সাজানো দেখা যাচ্ছে এবং প্রশাসনও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি বলে মনে হচ্ছে। এসব কারণে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে