হারেৎজের এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইতামার বেন গাভিরকে ব্যক্তিগতভাবে মার্কিন দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) দেওয়ার জন্য কড়া নির্দেশনা দেয় দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।
যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর লক্ষ্য ছিল ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ তৈরি করে দেশটির শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করা এবং মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসা। কিন্তু তিন মাসেরও বেশি সময়ের সংঘাতের পর ট্রাম্প এখন যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসতে আগ্রহী হলেও নেতানিয়াহু এখনো মনে করছেন, ইরানকে যথেষ্ট
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েন বলেন, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চুক্তিটি দ্রুত ও পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা। তিনি হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের টোল ছাড়া অবাধ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তি মানতে ইসরায়েল বাধ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন গাভির। ওই চুক্তিতে লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বন্ধের শর্ত থাকলেও ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি এই নেতা হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া পর্যন্ত আরও তীব্র হামলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে
লেবাননের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সমঝোতা যেন কেবল কূটনৈতিক নথিতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব পদক্ষেপে পরিণত হয়। এই সমঝোতায় যেন সহিংসতার চক্র শেষ হয়ে দেশটিতে শান্তি, নিরাপত্তা ও পুনর্গঠনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) লেবানন, সিরিয়া ও গাজা উপত্যকায় গড়ে তোলা তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আইডিএফ ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ এসব অঞ্চলে অবস্থান করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ইরান। আগামী শুক্রবার দুই পক্ষের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সম্ভাব্য এই সমঝোতা নিয়ে দেশটির কট্টরপন্থি মহলে ‘জোরালো আপত্তি’ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ— চুক্তিতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো স্পষ্ট নিশ্চয়তা নেই। এ ছ
ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ নেতারা। তারা এই সমঝোতাকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এতদ্বারা হরমুজ প্রণালি কোনো টোল বা শুল্ক ছাড়াই উন্মুক্ত করার পূর্ণ অনুমোদন দিচ্ছি এবং একই সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিচ্ছি।’ বিশ্ববাসীর উদ্দেশে নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ট্রাম্প আরও যোগ করেন, ‘বিশ্বের জাহাজগুলো, তোমাদের ইঞ্জিন চালু করো। এবার তেল স
গেল বছরের ১৩ জুন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরমাণু আলোচনার মাঝেই, তেহরানে অতর্কিত বিমান হামলা চালায় তেল আবিব। পরে হামলায় যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রও। পাল্টা জবাবে ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনা ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় আইআরজিসি। পরে ১২ দিনের সংঘাত শেষ যুদ্ধের বন্ধের ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে বহুল প্রতীক্ষিত সমঝোতা চুক্তি সই হতে যাচ্ছে আগামীকাল রোববার (১৪ জুন)। তবে ইরানের পক্ষ থেকে চুক্তির সময় এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। উলটো রোববার এ চুক্তি সই হবে না বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনায় অগ্রগতির খবরের মাঝেই পারস্য উপসাগরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবার হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে আসা ইরানের বেশ কয়েকটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ (আত্মঘাতী ড্রোন) গুলি করে বিধ্বস্ত করেছে মার্কিন বাহিনী।
দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে একটি শান্তি চুক্তির রূপরেখায় সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দেশ দুটির মধ্যে এই প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। আজ শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এমনটাই জানিয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলা বাতিল করেছেন, কারণ আলোচনাকারীরা "মাত্রই একটি চমৎকার সমঝোতায় পৌঁছেছেন"। তার মতে, চুক্তিটি খুব শিগগিরই স্বাক্ষরিত হতে পারে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সই হতে পারে। তবে তার এই আশাবাদের বিপরীতে ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, চুক্তির বিষয়ে তারা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।
এ ঘোষণার আগে ট্রাম্প ইরানকে ‘খুব কঠোর আঘাত’ করার হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানের নৌ বাহিনী, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার ও আক্রমণাত্মক সামরিক সক্ষমতার বড় অংশ এরই মধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ ক
আল জাজিরা বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের ‘একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে’ নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে তেহরান বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজে হামলা চালানোর দাবি করেছে।