জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, ‘গুলির পর ৬ ঘণ্টা পরে কেন সীমান্ত সিলগালা করা হয়েছে? গোয়েন্দাদের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্ট ও আধিপত্যবাদের দোসররা লুকিয়ে থেকে খুনিকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েছে।’
জামায়াত আমির লেখেন, শহীদ ওসমান হাদির জানাজায় শরিক হতে লন্ডন সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ সকালে ঢাকায় এসে পৌঁছেছি। আলহামদুলিল্লাহ। বিমানবন্দর থেকেই সরাসরি গিয়েছি শহীদ ওসমান হাদিকে এক নজর দেখার জন্য। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা হয়েছে; কিন্তু এমন শোকের মুহূর্তে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো ভাষা আমার জানা নেই। মহান
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা করে দেশের জেলা/মহানগরী শাখায় দোয়া অনুষ্ঠান করা। এছাড়াও রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানী ঢাকার মগবাজারস্থ আল-ফালাহ মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় সংগঠনের উদ্যোগে দোয়া অনুষ্ঠান।
পোস্টে শহিদ শরিফ ওসমান হাদির শাহাদাতে গভীর শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, স্নেহের শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জন্য মনটা খুবই ভারাক্রান্ত। তিনি মহান আল্লাহর মেহমান হয়ে গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের উচ্চ মাকাম দান করুন।
শোক বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, ‘শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন একজন সাহসী জুলাই যোদ্ধা ও সাচ্চা দেশপ্রেমিক। তিনি অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করেননি। তার কণ্ঠ ছিল সকল আধিপত্যবাদী শক্তি ও অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে। তিনি ছিলেন আপসহীন এক যোদ্ধা। দুনিয়ার কোনো লোভ-লালসা তাকে স্পর্শ করতে পারেনি।’
এবারের বিজয় দিবসের আবহ, রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য ও মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের স্লোগান ও আচরণে স্পষ্ট, স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে গড়ে ওঠা ঐক্য এখন ভেঙে গিয়ে আদর্শিক অবস্থান ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের তীব্র দ্বন্দ্বে রূপ নিয়েছে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘একটি আধিপত্যবাদী শক্তি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। সেই কারণেই আজও দেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত।’
মাসুদ সাঈদী বলেন, প্রতিটি আন্দোলন ও অভ্যুত্থানে যারা নিজেদের বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছেন, প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন, তাদের একটিই চাওয়া ছিল আর তা হলো পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশি জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, একটি মর্যাদাশীল, ন্যায়ভিত্তিক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।
আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে জামায়াত আমির বলেন, স্বাধীনতার পর একটি পরিবার, একটি গোষ্ঠী এবং একটি দলকে সুবিধা দিতে সব রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠেছিল। দলটি সোনার বাংলা গড়ার ওয়াদা করে শ্মশান বাংলা তৈরি করেছিল।
এসময় গোলাম পরওয়ার বলেন, আমি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে বলেছি, ডিজিএফআই, এনএসআই রাজস্বের হাজার হাজার কোটি টাকা বেতন নিলেও স্বাধীনতার ৫৪ বছরে মানুষের নিরাপত্তার জন্য একটি গোয়েন্দা তথ্য দিয়েও সহায়তা করতে পারেননি। তা না হলে, হাদির ওপর আক্রমণের দুই-তিন দিন আগে থেকে সে তার ওপর গুলি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা জা
এর আগে আজ সোমবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিইসি বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হলো কোথায়? একটু মাঝেমধ্যে দু-একটা খুনখারাবি হয়। এই যে হাদির একটা ঘটনা হয়েছে, আমরা এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে করি।
তিনি যুক্তি দেন, ‘৮ ডিসেম্বর বিজয়ের আগে ভারতের ৩৬ সেনা ঢাকায় অবতরণ করেছিল। রেকর্ড আছে। তখন রাজধানী ঢাকাসহ পূর্বপাকিস্তান ভারতের সেনাদের নিয়ন্ত্রণে। সেই সময় পাকিস্তানের সৈন্য, রাজাকার আলবদর, স্বাধীনতাবিরোধী যাদেরকে বলা হয়, ওই বিজয়ের প্রাক্কালে ভারতীয় সেনারা যখন পুরো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিলো তখন তারা তো ন
২০২২ সালে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অভিযোগে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
শেখ মুজিবুর রহমান ২৫শে মার্চের আগে কখনো বিচ্ছিন্নতার কথা বলেননি, কিন্তু মওলানা ভাসানী স্বাধীনতার শ্লোগান দেন এবং পশ্চিম পাকিস্তানকে ওয়ালাইকুমুস সালাম জানান। অপরাধ যদি একই ধরনের ছিল তবে উভয়ের সঙ্গে ভিন্ন আচরণ করা হলো কেন? আমাকে জানানো হোক, এবং আমাকেই শুধু নয়— এ দেশের জনগণকে জানানো হোক কেন সামরিক পদক্
দলের পক্ষে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘তফসিল ঘোষণায় সব সন্দেহ দূর হয়েছে। এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াত। এর মাধ্যমে সব অনিশ্চয়তা কেটে যাবে।’
গত কয়েক দিনের মধ্যেই নির্বাচন ঘিরে অন্তত পাঁচটি বড় জোট মাঠে সক্রিয় হয়েছে। যেসব দল এখনো জোটে যুক্ত হয়নি, তারাও যেকোনোভাবে জোটে যুক্ত হয়ে নির্বাচনের লড়াইয়ে নামার পথেই রয়েছে।
তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জামায়াত দেশের সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। কিছু গোষ্ঠী হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হুমকি-ধমকি দিয়ে আবার কর্তৃত্ববাদী শাসন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। জনগণ আগামী নির্বাচনে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে এসব অপচেষ্টা প্রতিহত করবে।