এ অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সমাবেশে অংশ নেবে।
তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াত আমির বাংলাদেশের চিকিৎসকদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এত বড় সার্জারির বিষয়টি দেশের চিকিৎসক সমাজকে অনুপ্রাণিত করেছে বলেও জানান তিনি।’
দেশে সংস্কার ও নির্বাচন পদ্ধতির প্রস্তাবনা নিয়ে তৈরি ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ এর খসড়া নিয়ে বিপরীত অবস্থানে রয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি।
নজরুল ইসলাম জানান, দলীয়ভাবে জামায়াত আমিরকে দেশের বাইরে পাঠানোর চিন্তা করা হচ্ছিল। কিন্তু তিনি সে প্রস্তাব নাকচ করেছেন। জানিয়েছেন, দেশের চিকিৎসার প্রতি তার পূর্ণ আস্থা আছে। তাই দেশেই জরুরি ভিত্তিতে এখন তার বাইপাস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জুলাই সনদের খসড়াকে অসম্পূর্ণ এবং এর কিছু অংশ বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তবে কমিশন বলছে, খসড়া একটি নমুনা মাত্র। তবে যদি সেটাই গ্রহণ করা হয়, তাহলে প্রস্তাবিত সনদ গ্রহণ করা যাবে না।
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি দেশের জনগণের ম্যান্ডেটের মাধ্যমে সেবা করার সুযোগ পাই, তাহলে সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয় সরকারের কর্তৃত্ব থেকে আলাদা করে একটি স্বতন্ত্র সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার পক্ষে থাকব। এ অবস্থান একেবারেই স্পষ্ট—এখানে কোনো অস্পষ্টতা নেই।’
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে হলে জামায়াতের আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, তবে এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হয়নি এবং ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা আছে।
জামায়াত আমির বলেন, উত্তরা মাইলস্টোন স্কুলে মর্মান্তিক বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহতদের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ টাকার চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এডমিন পোস্টে বলেন, আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের অসুস্থ হওয়ার খবর শুনে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ফোন করে শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথমবারের মতো সমাবেশ করলো জামায়াতে ইসলামী। এতে সমমনা অন্যান্য দলের নেতারাও আমন্ত্রিত ছিলেন। তাদের কেউ কেউ বক্তৃতাও দিয়েছেন সেখানে। তবে জামায়াতের এক সময়ের জোটসঙ্গী বিএনপির কোনো নেতা এই সমাবেশে ছিলেন না। তবে এর মাধ্যমে দেশে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের বার্তা দিল দলটি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ১৯৭২ সালের মুজিববাদী সংবিধান রেখে কখনোই নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের নতুন সংবিধান ও গণপরিষদ নির্বাচন প্রয়োজন।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশে বক্তৃতা করতে করতেই মঞ্চে ঢলে পড়েছেন জামআয়াতে ইসালামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরে একাধিকবার দাঁড়িয়ে বকতৃতা করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত বসেই বক্তৃতা শেষ করেন তিনি।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশে যোগ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। শনিবার দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটের দিকে সমাবেশে যোগ দেন তিনি।
সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে। সমাবেশ শুরুর অনেক আগেই দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রায় কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। জনস্রোত ছড়িয়ে পড়ে শাহবাগ, বাংলামোটর, সায়েন্সল্যাব, রমনা পার্কসহ আশপাশের এলাকায়।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরে এবং বিশেষ করে ফ্যাসিবাদ আমলে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর জামায়াতে ইসলামীর ওপর অসংখ্য জুলুম-অত্যাচার করা হয়েছে। এখন একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর কথা বলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রথমবারের মতো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে যখন তীব্র বিতর্ক চলছে, সে সময়ে জামায়াতে ইসলামী ঢাকায় বিশাল সমাবেশ করতে যাচ্ছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের এই সমাবেশে জামায়াত স্মরণকালের সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চাইছে।