জামায়াত ক্ষমতায় এলে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে খুলনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী বলেছেন, হিন্দুদের বলা হয়—জামায়াত ক্ষমতায় এলে তারা এ দেশে থাকতে পারবে না। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, জামায়াত ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের এ দেশে জামা
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এই তথ্য জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতি আমাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করলে—আল্লাহর কসম, আল্লাহর কসম, আল্লাহর কসম—জনগণের সম্পদের ওপর আমরা হাত দেব না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলার পাড় এলাকায় এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের উন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহারের ঘোষণাও দেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দুটি অ্যাপস চালু করছি। একটির মাধ্যমে চাঁদাবাজদের গোপনে চিহ্নিত করা যাবে এবং অন্যটির মাধ্যমে জনগণ সরাসরি সমস্যার কথা জানাতে পারবেন। নির্বাচিত হলে প্রতি ছয় মাসে জনপ্রতিনিধিদের জনগণের সঙ্গে মুখোমুখি হতে হবে এবং স
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ রোববার সকাল ৯টার দিকে জামায়াত আমিরের বসুন্ধরা কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীসহ ১০টি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি ঐক্যের সঙ্গে বাংলাদেশ লেবার পার্টি যুক্ত হয়েছে। ফলে জোটটি আবারও ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে পরিণত হলো। এর আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১১ দলীয় নির্বাচনি জোট থেকে বের হয়ে গিয়েছিল।
বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনে কারচুপি হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার ও বর্তমান রাজ্যসভার সদস্য হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। তার দাবি, সুষ্ঠু নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনো জিততে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।
সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা যদি সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে নর্থ বেঙ্গলের মরা নদীগুলোর ওপর বিশেষভাবে নজর দেওয়া হবে। নদীর জীবন ফিরে এলে নর্থ বেঙ্গলের জীবনও ফিরে আসবে, ইনশাআল্লাহ।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ফেসবুক দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি আরও লেখেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন আগ্রহে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটি কোনো নতুন সম্পর্ক নয়, বরং একাত্তরের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা।
তবে প্রচারণায় দুই দলের নেতাদের বক্তব্যে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপি ও জামায়াত বাংলাদেশের পুরোনো রাজনৈতিক ধারা মেনেই নিজেদের জয় সুনিশ্চিত করতে চাইছে। এজন্য তারা চিরচেনা বাকযুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছে এবং সামনের দিনগুলোতে এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।
আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে ভোটের প্রচারে উত্তরবঙ্গের ৮ জেলা সফরের উদ্দেশ্যে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করার আগে সেখানের ডমেস্টিক লাউঞ্জে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ কথা বলেন।
ভোটের প্রচারের মাঠে নামতেই দেখা গেল, এত সব প্রতিশ্রুতি, ইতিবাচক বার্তা যেন নিছক কথার কথা। বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)— তিন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কণ্ঠেই উঠে এলো প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার বার্তা।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত জয়ী হলে এই রূপরেখায় সরকার চলবে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা। এ ছাড়া আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পৃথকভাবে জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।
জামায়াত আমির বলেন, ‘তারা গতকাল শুধু ভাইদের গায়ে নয়, আমাদের মা বোনদের গায়েও হামলা করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। ওরা কি মায়ের পেট থেকে জন্ম নেয় নাই? তাদের ঘরে কি মা-বোন নেই? আমরা আর এ ধরনের নোংরা অবস্থা দেখতে চাই না।’
কূটনৈতিক প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিল্পোদ্যোক্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে চলছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পলিসি সামিট-২০২৬।
জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, বাংলাদেশের মানুষ থেকে মন্ত্রী বানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।