দুই. ‘নারী চলবে নির্ভয়ে’ লক্ষ্য বাস্তবায়ন : ১) নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস (পিক আওয়ারে), ২) গণপরিবহনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ৩) দোতলা বাসে আলাদা কম্পার্টমেন্ট চালু, ৪) ইমার্জেন্সি কল নম্বর চালু করা হবে, ও ৫) নারীর নিরাপত্তায় ইমার্জেন্সি পোল স্থাপন করা হবে ।
দুই. ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয় সাধন করা হবে। পাশাপাশি সব ধর্মের শিশু-কিশোরদের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও সহনশীলতা বৃদ্ধির কর্মসূচি চালু করা হবে।
এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে সংস্কার, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন, সুশাসন নিশ্চিত, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় উন্নতি, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ প্রভৃতি।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী জোটের সবচেয়ে বড় দল আমরা কোনো দলীয় সরকার কায়েম করতে চাই না। আমরা পরিবারতন্ত্র সরকার কায়েম করতে চাই না। আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়।’
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আগামী সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় জাতির উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে এই ইশতেহারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘জনতার ইশতেহার’।
কর্নেল অলিকে জামায়াতের আমির সরাসরি ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ না বললেও বিদ্রোহের সূচনাকারী হিসেবে তার নাম উল্লেখ করেছেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করলেও জামায়াতের আমির বলেছেন, কর্নেল অলিই প্রথম বিদ্রোহ করেছিলেন এবং জিয়াউর র
জনসভায় তিনি বলেন, অতীতে যারা গালগল্প শুনিয়ে জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে, তাদের দিন শেষ। ১৩ তারিখের নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে পরিবর্তনের যে সূচনা হবে, সেখানে মেধার মূল্যায়ন ও যুবকদের কর্মসংস্থানই হবে প্রধান লক্ষ্য।
শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘আমি আমার সব প্রতিপক্ষকে স্বাগত জানাই। আসুন, আমরা আমাদের ভাবনাগুলো নিয়ে লড়াইয়ে নামি। প্রমাণ হোক— কারা এই দেশের মানুষের জন্য ভালোভাবে কাজ করতে পারে।’
পোস্টে আরও বলা হয়, আধুনিকতা নামে নারীদের ঘর থেকে বের করে নেওয়ার ফলে তাদের নির্যাতন, নৈতিক অবক্ষয় ও অনিরাপত্তার সামনে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এটি পতিতাবৃত্তিরই অন্য একটি রূপ বৈ আর কিছু নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অশ্লীলতা, কর্মক্ষেত্রে হয়রানি ও নারীকে পণ্যে রূপান্তর প্রগতির প্রতীক নয়, এগুলো নৈতিক ধ
উল্লেখ্য, রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় শহিদ রেজাউল করিমের স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং তার কবর জিয়ারত করতে শেরপুরের শ্রীবরদীতে যাবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরে কয়েকটি নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন তিনি।
অতীতে কে কী করেছে— তা নিয়ে অনেকে গুপ্ত, সুপ্তসহ আরও কত কিছু যে বলে, তার কোনো সীমা নেই। যারা নিজেরাই বছরের পর বছর গুপ্ত হয়ে ছিলেন, তারাই আজ মজলুমদের নিয়ে এসব বলছেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমার আধিপত্যবাদ মানব না। ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই। শনিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
মাহফুজ বলেন, জামায়াতে ইসলামী হলো আওয়ামী লীগের ‘অল্টার ইগো’। অর্থাৎ এই দুটি দল হলো একই মুদ্রার এ পিঠ-ও পিঠ। সে হিসেবে দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও টিকে থাকবে, অন্যদিকে জামায়াত টিকে থাকলে আওয়ামী লীগও টিকে থাকবে।
জামায়াতে ইসলামীতে কখনোই নারী নেতৃত্ব আসবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত নয়, বরং আল্লাহর দেওয়া বিধান অনুযায়ীই এই নীতি জামায়াতে ইসলামী অনুসরণ করছে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, 'দু-একজন নেতা এখন বলছেন, আমরা এত অসৎ ছিলাম, আপনারা সৎ ছিলেন তো কেন ছেড়ে গেলেন না? আমরা ছেড়ে যাইনি যাতে অন্তত তিনটি মন্ত্রণালয় দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা পায়।'
উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং এসব ঘটনার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে দলটি। দুপুর ১২টায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।