
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী জোটের সবচেয়ে বড় দল আমরা কোনো দলীয় সরকার কায়েম করতে চাই না। আমরা পরিবারতন্ত্র সরকার কায়েম করতে চাই না। আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়।’
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আর কোনো আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করা হবে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। কুড়িগ্রামবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কোনো দাবি জানাতে হবে না। কুড়িগ্রামের তিনটি বড় দুঃখ রয়েছে—এই দুঃখ আমরা দূর করব ইনশাআল্লাহ। নদীশাসনের মাধ্যমে বন্যা সমস্যার সমাধান করা হবে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কুড়িগ্রাম থেকেই উন্নয়ন শুরু হবে। কুড়িগ্রামকে উত্তরবঙ্গের কৃষিশিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও আধুনিক করা হবে।’
ফেলানী হত্যার প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি ফেলানীর বাবা-মায়ের চোখের পানি দেখেছেন, যা ছিল রক্তের মতো। ভবিষ্যতে আর কোনো ফেলানী যেন কাঁটাতারে ঝুলে না থাকে, সে জন্য জামায়াত কাজ করবে। তিনি বলেন, প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকবে, তবে কোনো ধরনের গোলামি মেনে নেওয়া হবে না।
নারী নিরাপত্তা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, দেশে একটি দল ও তাদের উসকানি দেওয়া কিছু মানুষ নারীদের হেনস্তা করছে এবং হিজাব পরা নারীদের বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এই বাংলাদেশে আর কোনো জমিদারি চলবে না। জামায়াত নারীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।’
সাম্প্রতিক সাইবার হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় একটি মহল তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। আইপি হ্যাকের ঘটনার মূল অপরাধী ইতোমধ্যে শনাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জোট সরকার গঠন করতে পারলে কুড়িগ্রাম থেকেই দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা জামায়াতের আমির আজিজুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল আলিম, এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন। পরে কুড়িগ্রামের চারটি আসনের জোটপ্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী জোটের সবচেয়ে বড় দল আমরা কোনো দলীয় সরকার কায়েম করতে চাই না। আমরা পরিবারতন্ত্র সরকার কায়েম করতে চাই না। আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়।’
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আর কোনো আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করা হবে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। কুড়িগ্রামবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কোনো দাবি জানাতে হবে না। কুড়িগ্রামের তিনটি বড় দুঃখ রয়েছে—এই দুঃখ আমরা দূর করব ইনশাআল্লাহ। নদীশাসনের মাধ্যমে বন্যা সমস্যার সমাধান করা হবে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কুড়িগ্রাম থেকেই উন্নয়ন শুরু হবে। কুড়িগ্রামকে উত্তরবঙ্গের কৃষিশিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও আধুনিক করা হবে।’
ফেলানী হত্যার প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি ফেলানীর বাবা-মায়ের চোখের পানি দেখেছেন, যা ছিল রক্তের মতো। ভবিষ্যতে আর কোনো ফেলানী যেন কাঁটাতারে ঝুলে না থাকে, সে জন্য জামায়াত কাজ করবে। তিনি বলেন, প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকবে, তবে কোনো ধরনের গোলামি মেনে নেওয়া হবে না।
নারী নিরাপত্তা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, দেশে একটি দল ও তাদের উসকানি দেওয়া কিছু মানুষ নারীদের হেনস্তা করছে এবং হিজাব পরা নারীদের বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এই বাংলাদেশে আর কোনো জমিদারি চলবে না। জামায়াত নারীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।’
সাম্প্রতিক সাইবার হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় একটি মহল তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। আইপি হ্যাকের ঘটনার মূল অপরাধী ইতোমধ্যে শনাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জোট সরকার গঠন করতে পারলে কুড়িগ্রাম থেকেই দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা জামায়াতের আমির আজিজুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল আলিম, এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন। পরে কুড়িগ্রামের চারটি আসনের জোটপ্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য বলছে, ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমান ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৮৪০ ভোট। সে হিসাবে খালিদুজ্জামানের চেয়ে সাত হাজার ৯৮৫ ভোট বেশি পেয়েছেন তারেক রহমান।
৮ ঘণ্টা আগে
এ সময় তিনি বলেন, গণতন্ত্রের পথে বহু বাধা পেরিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট প্রয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আসছে। গণতন্ত্রের নিয়ম অনুসারে দেশের সকল মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিফলনের বাস্তব চিত্র হচ্ছে ভোটারের এই দীর্ঘদিন লাইন। দেশের মানুষ বিএনপিকে ভোট দিয়ে গণতন্ত্রপূর্ণ উদ্ধার ক
১০ ঘণ্টা আগে
এবারের নির্বাচনে সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ভোটাররা উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে তাদের রায় প্রদান করেন।
১২ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (আজ) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট শুরু হয়ে বড় কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ ছাড়াই একটানা ভোট চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এবার গণভোট হয়েছে। বেলা ২টা পর্যন্ত সারাদেশে ৪৩ হাজারের মধ্যে ৩৬ হাজার কেন্দ্রে ৪৮ শতাংশের মতো ভোট পড়ার তথ্য দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
১২ ঘণ্টা আগে