
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের তরুণ প্রজন্ম বেকার ভাতা নয়, বরং ‘জাস্টিস’ এবং মেধার সঠিক মূল্যায়ন চায়।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। এসময় তিনি বিভেদের রাজনীতি পরিহার করে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে একটি ইনসাফপূর্ণ ও শোষণহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জনসভায় তিনি বলেন, অতীতে যারা গালগল্প শুনিয়ে জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে, তাদের দিন শেষ। ১৩ তারিখের নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে পরিবর্তনের যে সূচনা হবে, সেখানে মেধার মূল্যায়ন ও যুবকদের কর্মসংস্থানই হবে প্রধান লক্ষ্য।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের জন্য দোয়া ও সমর্থন চেয়ে তিনি বলেন, আমরা মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে একটি দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, মামলাবাজমুক্ত এবং শোষণহীন বাংলাদেশ গড়তে চাই। জমিদারি প্রথা ও পারিবারিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে আমরা আপনাদের পবিত্র ভোটের আমানত রক্ষা করব এবং ইনসাফের ভিত্তিতে আস্থার প্রতিদান দেব।
ডা. শফিকুর রহমান তরুণ প্রজন্মের প্রতি তার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের তরুণরা বেকার ভাতা চায় না, তারা চায় ‘জাস্টিস’। তারা চায় মেধার মূল্যায়ন। কোনো রাজনৈতিক প্রভাবে বা ‘লাল টেলিফোনের’ নির্দেশে যেন মেধাবীদের কপাল পুড়ে না যায়, আমরা সেই নিশ্চয়তা দেব। আমরা যুবকদের হাতে কাজ তুলে দেব, তাদের দক্ষ কারিগর হিসেবে গড়ে তুলব।
জনসভার শেষে তিনি দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত করেন। কিশোরগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক রমজান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। কটিয়াদী কলেজ মাঠের এই জনসভাটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ জনসমাগম হিসেবে গণ্য হচ্ছে, যা কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের তরুণ প্রজন্ম বেকার ভাতা নয়, বরং ‘জাস্টিস’ এবং মেধার সঠিক মূল্যায়ন চায়।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। এসময় তিনি বিভেদের রাজনীতি পরিহার করে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে একটি ইনসাফপূর্ণ ও শোষণহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জনসভায় তিনি বলেন, অতীতে যারা গালগল্প শুনিয়ে জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে, তাদের দিন শেষ। ১৩ তারিখের নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে পরিবর্তনের যে সূচনা হবে, সেখানে মেধার মূল্যায়ন ও যুবকদের কর্মসংস্থানই হবে প্রধান লক্ষ্য।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের জন্য দোয়া ও সমর্থন চেয়ে তিনি বলেন, আমরা মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে একটি দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, মামলাবাজমুক্ত এবং শোষণহীন বাংলাদেশ গড়তে চাই। জমিদারি প্রথা ও পারিবারিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে আমরা আপনাদের পবিত্র ভোটের আমানত রক্ষা করব এবং ইনসাফের ভিত্তিতে আস্থার প্রতিদান দেব।
ডা. শফিকুর রহমান তরুণ প্রজন্মের প্রতি তার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের তরুণরা বেকার ভাতা চায় না, তারা চায় ‘জাস্টিস’। তারা চায় মেধার মূল্যায়ন। কোনো রাজনৈতিক প্রভাবে বা ‘লাল টেলিফোনের’ নির্দেশে যেন মেধাবীদের কপাল পুড়ে না যায়, আমরা সেই নিশ্চয়তা দেব। আমরা যুবকদের হাতে কাজ তুলে দেব, তাদের দক্ষ কারিগর হিসেবে গড়ে তুলব।
জনসভার শেষে তিনি দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত করেন। কিশোরগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক রমজান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। কটিয়াদী কলেজ মাঠের এই জনসভাটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ জনসমাগম হিসেবে গণ্য হচ্ছে, যা কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে