মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেন, জুলুম, অত্যাচার, চাঁদাবাজি ও বৈষম্য দূর করার জন্য ৫ আগস্ট মানুষ জীবন দিয়েছে, রক্ত দিয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম বৈষম্য দূর করতে পারলে আমরা মুক্তি পাবো। কিন্তু ৫ আগস্টের পর আমরা কি দেখলাম। আবারো সেই চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, অন্যায়-অবিচার, দখলদারি ও নির্বিচারে হত্যা চলছে।
তিনি বলেন, ‘নতুন নির্বাচন কমিশনের কাছে জনগণ ভালো কিছু আশা করেন। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী যেন তারা কাজ করেন। কোনো দল বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক কাজ যেন না করেন। দেশের মানুষ যেন কমিশনের ওপর আস্থা রাখতে হবে। সেভাবেই তাদের কাজ করতে হবে। তারা যেন কোনো অবস্থাতেই আস্থা না হারায়। সেদিকে কমিশনকে খেয়াল রাখতে হবে
একাত্তরে ভূমিকা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একাত্তরে আমরা কোনো ভুল করে থাকলে এবং তা যদি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়, আমি জাতির কাছে ক্ষমা চাইব। ব্রিটেনের কোর্ট চৌধুরী মাইনুদ্দিনের বিষয়ে বিচারের রায়ে আমাদের দেশে ওয়ার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের নামে যে বিচার হয়েছে তার অবজারভেশনে এখানকার বি
এসময় তিনি বলেন, বিগত সরকার শপথ নেওয়ার আগেই সরকারের দালালরা ভারতের সঙ্গে এমন সব চুক্তি করেছে, যা শুধুমাত্র ভারতের স্বার্থ রক্ষা করেছে। এসব চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের কোনো উপকার হয়নি, বরং তারা বলেছেন 'ভারতকে যা করেছি, তা ভারত সারা জীবন মনে রাখবে।' ভারতের দালালরা বাংলাদেশের মাটিকে কলঙ্কিত করেছে, বিগত
জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিল না বলে দাবি করেছেন দলটির আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জানান, ভারতের সহযোগিতায় স্বাধীনতার সুফল না পাওয়ার শঙ্কা ছিল দলটির। সম্প্রতি দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল-২৪ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন দাবি করেন তিনি।
বর্তমানে বৃটেনে সফররত জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “দ্বীন সবার। সুতরাং আমরা সবাইকে নিয়ে দ্বীনের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব। কেউ আমাদের স্বীকৃতি বা মর্যাদা দিল কি না আমরা তার পরোয়া করব না। আমরা সবাইকে ভাই ও বন্ধু মনে করে সামনে আগানোর চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।
অন্তর্বতী সরকারের উদ্দেশ্য তিনি বলেন এদেশের মানুষ আন্দোলন করে জীবন দিয়েছে। আর উপদেষ্টা বানানো হচ্ছে বিদেশি চাটুকারদের। যারা ইসলাম ও দেশের দুশমন। যা দেশের সাধারণ মানুষ মেনে নিবে না।
শেখ হাসিনার কড়া সমালোচনা করে অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এমন হত্যা, নারকীয় তাণ্ডব চালানো নিষ্ঠুর বর্বর খুনি শাসককে দেশের মানুষ আর ক্ষমতায় বসতে দেবে না। তাদের রাজনীতি আর নির্বাচনে আসার নৈতিক অধিকার নেই। আওয়ামী লীগ শুধু ফ্যাসিস্টই নয়, স্যাডিস্ট।
নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে অন্তর্বর্তী সরকারকে যৌক্তিক সময় দিতে চায় জামায়াতে ইসলামী। এ ব্যাপারে জামায়াত-বিএনপি ঐক্যবদ্ধ আছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে জামায়াত। এখন থেকে সব পর্যায়ে তৎপরতা হবে মাঠ পর্যায়ে। কোনো জায়গা বাদ যাবে না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পলিটিক্যাল ননপলিটিক্যাল সবার কাছে দাওয়াত পৌঁছাতে হবে বলে জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও মিডিয়া সেক্রটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্
১৯৭৫ সালের জুনে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একদলীয় বাকশালী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। রাষ্ট্রায়ত্ত মাত্র ৪টি পত্রিকা বাদে সব গণমাধ্যমের ডিক্লারেশন বাতিল করে গণমানুষের কন্ঠরোধ করেছিল।’
বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ৫ নভেম্বরের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় আমি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার দেশের জনগণকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
জামায়াতের আমির বলেন, এই নির্মমতার ধারাবাহিকতা ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। মূলত, ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমেই এক নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি; ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে।
তিনি বলেন, শুধু জুলাই-আগস্টে দেড় হাজারের অধিক মানুষকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে। আরও অসংখ্য মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। তাদের পরিবার-পরিজনদের কাছে মরদেহের কোনো হদিস নেই। এভাবেই স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদ আঁকড়ে ধরে রাখতে চেয়েছিলেন।
শেখ হাসিনার সরকার গায়ের জোরে জামায়াতের নিবন্ধন এবং প্রতীক কেড়ে নিয়েছিল উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাড়ে ১৩ বছর আমরা অফিসে বসে কোন কাজ করতে পারিনি। জামায়াতের কেন্দ্রীয় অফিসসহ সারাদেশের সকল অফিস বন্ধ করেছিল। বুলডোজার দিয়ে আমাদের বাড়ি-ঘর মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তারা আমাদের কলিজার টুকরা। তাদের দাবি ছিল, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, অর্থাৎ আমরা সুবিচার চাই। সুবিচার যে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে, সেখানে ডাকাত এবং চোরের কোনো জায়গা নেই। সেখানে সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচারের কোনো সুযোগ নেই। যেখানে সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হবে সেখানে ঘু
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ এবং তাদের রাজনীতি ছিল সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি। তাই শুধু ছাত্রলীগ নয়, আওয়ামী লীগকেও বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ করতে হবে।