রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দ্রুত অপসারণ দাবি করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাও দাবি জানিয়েছে দলটি। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব সাজেদুর রহমান মঙ্গলবার রাতে এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে প্রদত্ত আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন দায়ের করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
নেতারা আরো বলেন, ফ্যাসিস্টদের বানানো জাতীয় দিবস ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট বাতিল করায় অন্তর্বর্তী সরকারকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। রক্তাক্ত জনযুদ্ধের মধ্য দিয়ে একাত্তরে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পিতা একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইস ও জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক উপদেষ্টা হুমা খান।
রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরে পেতে খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করে দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের বেঞ্চে আপিল আবেদন গ্রহণ করেন। সকালে আপিল আবেদনের শুনানি শুরু হয়। ব্যারিস্টার ইমর
তিনি আরও বলেন, আল্লাহ যদি কখনো দেশ পরিচালনার দায়িত্ব আমাদের দেন, আমরা সেবক হবো। যারা মালিক হয়েছে তাদের পরিণতি চোখের সামনে আপনারা দেখেছেন। মানুষের সঙ্গে গাদ্দারি ও ধোঁকা দিলে কি হয়। এ থেকে সব রাজনৈতিক দলের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
বাংলার মাটিতে ছাত্রজনতা হত্যার বিচার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মামুনুল হক। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের হাজী আসমত সরকারি কলেজ মাঠে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ভৈরব শাখা আয়োজিত গণসমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক এসব কথা বলেন।
মানবিক বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের জন্য এদেশের মানবতার যেন কোনো ক্ষতি না হয়, আল্লাহ যেন সে তৌফিক দান করেন। সবাই মিলে যেন একটা মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে পারি।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নিজেদের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা না চেয়ে আওয়ামী লীগ নানারূপে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন তিনি। রোববার (১৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওে বার্ষিক সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠানে এম
রাষ্ট্র সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাব’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের পক্ষে প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হয়৷
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেছিলেন, ‘জামায়াত সরকারকে দুটি রোডম্যাপ দিয়েছে। একটি সংস্কারের, অন্যটি নির্বাচনের। ভোটের আগে সংস্কার চায় জামায়াত। আগে সংস্কার, পরে নির্বাচন। এ জন্য অনেকগুলো প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’
পোশাক কারখানায় সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, ‘পোশাক কারাখায় নারী শ্রমিক-পুরুষ শ্রমিকের মধ্যে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না। যেখানে আমার মায়েরা, বোনেরা ইজ্জত নিয়ে তাদের কর্মস্থলে কাজ করতে পারবেন।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা জাতির বিবেক এবং গণমাধ্যম জাতির দর্পণ। গত সাড়ে ১৫ বছর বিভিন্ন কারণে অনেকে তার বিবেক অনুযায়ী কাজ করতে পারেননি। অনেক ক্ষেত্রে বাধ্য করা হয়েছে সমাজকে বিভ্রান্ত করার জন্য, সরকারকে অবৈধ সুবিধা দেওয়ার জন্য মিথ্যা-বানোয়াট সংবাদ পরিবেশনে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা শহীদদের কোনো দলীয় নামে ভাগ করতে চাই না। এই শহীদরা জাতির সম্পদ, ইজ্জতের চূড়ান্ত সীমায় আমরা তাদের রাখতে চাই, দেখতে চাই। এতে কিন্তু রাষ্ট্রের দায়িত্ব আছে। যার লড়াই করে বুকের রক্ত দিয়ে জীবন দিয়ে তাদের সন্তানরা, তাদের স্বামীরা যাদের বাবারা এ সম
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২ অক্টোবর) সংগঠনটির ঢাবি শাখার অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কমিটি প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে তারা বলেন, ইসলামী জনমতকে ‘মৌলবাদ’ বলা ফ্যাসিবাদী আচরণ বৈ কিছু নয়। পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন সমন্বয় কমিটি বাতিল ইস্যুতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের বিবৃতি পড়ে আমাদের মনে হয়েছে, তারা ইসলামী জনমতকে বাদ দিয়েই তথাকথিত বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চান।
সমাজ থেকে বৈষম্যে দূর করতে জিহাদ ঘোষণা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের আগেও দেশের মানুষ বন্দী ছিলেন। এখন ১৮ কোটি মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস নিতে পারছেন। ছাত্র-জনতা আন্দোলনে প্রচুর রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে স্বৈরাচারকে বিদায় নিতে হয়েছে। কিন্তু সমাজ