স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ভারতের হঠাৎ যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে বা বিমান হানা বা বন্দুকধারীদের হামলা হলে সাধারণ নাগরিকদের করণীয় কী হবে, তারই মহড়া হবে আজ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই চুক্তির ফলে যুক্তরাজ্যের কোম্পানিগুলোর জন্য ভারতে মদ, গাড়িসহ অন্যান্য পণ্য রপ্তানি সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে পোশাক, জুতাসহ বেশকিছু পণ্য যুক্তরাজ্যে রপ্তানি করার ক্ষেত্রে ভারতও করছাড় পাবে।
ইতিহাসবিদ পিটার হার্ভে বলেন—“পানি পথই ছিল সেই স্থান, যেখানে মুঘল স্থায়িত্বের ধারণাটি প্রথম পরীক্ষা ও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।”
বাহিনীর এক কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, "সব বাহিনীর মতোই বিএসএফেরও শক্তি বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। সেই হিসাবেই আগামী কয়েক বছর ধরে নতুন নিয়োগের কথা ভাবা হয়েছে। তবে নতুন ব্যাটালিয়ন গড়ার ব্যাপারে এখনও সরকার চূড়ান্ত ছাড়পত্র দেয় নি বলেই আমরা জানি।"
হেমু নিজের বাহিনীর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন সামনে থেকে। তিনি সাঁজোয়া যুদ্ধহাতিতে বসে ছিলেন, হাতে ছিল বিক্রমাদিত্যের চিহ্ন সম্বলিত ধ্বজা। শুরুতেই হেমুর বাহিনী মুঘলদের ওপর আক্রমণ করে এবং প্রাথমিক ধাক্কায় অনেক মুঘল সৈন্য হতাহত হয়।
জম্মু ও কাশ্মিরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই যাচ্ছে। এমন অবস্থায় রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসতে চলেছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। সোমবার (৫ মে) এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পেহেলগামে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলার পরবর্তী পরিস্থিতি এবং ভারতের সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতের সিদ্ধান
কাশ্মীরের সীমান্তে আবারও ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। রোববার (৪ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে টানা ১১ রাত ধরে দুই দেশের সেনারা নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর গুলি চালিয়েছে।
হেমুর জীবনগাথা যেন এক অলৌকিক উত্থান। তাঁর জন্ম হয়েছিল বিহারের এক সাধারণ হিন্দু বৈশ্য পরিবারে। প্রথম জীবনে তিনি চাল, ঘি, লবণ ইত্যাদি বিক্রি করতেন, পরে দিল্লিতে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন।
ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য রাজস্থানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে এক পাকিস্তানি রেঞ্জারকে আটক করেছে বলে দাবি করেছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। তবে ওই পাকিস্তানি সীমান্তরক্ষীর পরিচয় প্রকাশ করেনি তারা।
বক্সারের যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাদের নেতৃত্বে ছিলেন হেক্টর মুনরো। তিনি কোম্পানির অভিজ্ঞ ও কৌশলী এক সামরিক কর্মকর্তা। যুদ্ধের আগে থেকেই কোম্পানির মধ্যে মীর কাশিমের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আবারও পদক্ষেপ নিল ভারত। এবার পাকিস্তান থেকে সব ধরনের মালামাল আমদানি নিষিদ্ধ করেছে দেশটি। জাতীয় নিরাপত্তা এবং জননীতির স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে নরেন্দ্র মোদির সরকার জানিয়েছে। পহেলগাঁও হামলার পর ওয়াঘ
পাহাললগামে হামলার ঘটনার পর নিজেদের আকাশসীমায় ভারতের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান। পাল্টা একই সিদ্ধান্ত নেয় ভারতও। আর এ পরিস্থিতিতে চরম ক্ষতির মুখে পড়ছে ভারতীয় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া।
কাশ্মীর সীমান্তের নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে টানা ৮ দিন ধরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (১ মে) রাতেও এই গোলাগুলি হয়েছে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে। খবর এনডিটিভি।
প্রবল বর্ষণে দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে দ্বারকা, খানপুর, সাউথ এক্সটেনশন রিং রোড, মিন্টো রোড, লাজপত নগর ও মতিবাগের বিভিন্ন রাস্তাঘাট।
তিনি ছিলেন তৈমুর লং ও চেঙ্গিস খানের বংশধর। তাঁর চোখ ছিল ভারতের বিপুল সম্পদ আর দুর্বল কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে। বাবর ভারতের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন বহু আগেই। তিনি পাঁচবার ভারত অভিযানে আসেন, কিন্তু পঞ্চমবারেই ঘটল সবচাইতে বড় পরিবর্তন।
ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একের পর এক কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে এবার ৩০ এপ্রিল থেকে ২৩ মে পর্যন্ত পাকিস্তানের নিবন্ধিত এবং পরিচালিত সব ধরনের বিমানের জন্য ভারতীয় আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।
পাকিস্তান বলেছে, তাদের কাছে ‘বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য’ আছে যে ভারত ২৪-৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে সামরিক অভিযান চালাতে পারে। বুধবার (৩০ এপ্রিল) ইসলামাবাদ এ কথা বলেছে।