
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তুমুল আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর এরপর থেকেই যেন একের পর এক বিতর্কের লড়াই চলছে ভারতের সাথে বাংলাদেশের। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে নামগুলো সামনে আসছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির এই নেতা মিডিয়ার সামনে বরাবরই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে আসছেন। দিচ্ছেন নানা হুমকিও।
শুভেন্দু সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন আবারও। সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের চিঠি দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক ও প্রধান উপদেষ্টা নোবেল জয়ী ড. ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় ভারত সরকার ওই চিঠিটা ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছে। বাংলাদেশের ওই নাবালক উপদেষ্টারা ভারতের ইতিহাস জানে না। এই ভারত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আশ্রয় দিয়েছে, বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছে। দলাই লামাকে ভারত আশ্রয় দিয়েছিল। চীনের মত শক্তিশালী দেশের রক্তচক্ষুকেও ভারত ভয় করেনি। সেখানে এরা (বাংলাদেশ) তো পাতি দেশ! রাফায়েল তো দূরের কথা, তার শব্দেই ওরা পালাবে।’
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বাইরে গণমাধ্যমকর্মীদের সেই চিঠি নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, যারা মুক্তিযোদ্ধাকে জুতোর মালা পড়িয়েছে তাদেরকে গোলাম নিজামীর মতো গলায় দড়ি পড়তে হবে। এই রাজাকারের নাতিদের কী অবস্থা হয় সেটা দেখতে থাকুন! এরা অতীত থেকে এখনও শিক্ষা নেয়নি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আবেগ যারা অস্বীকার করবে তাদের কপালে গোলাম নিজামীর মত দড়ি অপেক্ষা করছে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তুমুল আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর এরপর থেকেই যেন একের পর এক বিতর্কের লড়াই চলছে ভারতের সাথে বাংলাদেশের। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে নামগুলো সামনে আসছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির এই নেতা মিডিয়ার সামনে বরাবরই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে আসছেন। দিচ্ছেন নানা হুমকিও।
শুভেন্দু সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন আবারও। সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের চিঠি দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক ও প্রধান উপদেষ্টা নোবেল জয়ী ড. ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় ভারত সরকার ওই চিঠিটা ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছে। বাংলাদেশের ওই নাবালক উপদেষ্টারা ভারতের ইতিহাস জানে না। এই ভারত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আশ্রয় দিয়েছে, বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছে। দলাই লামাকে ভারত আশ্রয় দিয়েছিল। চীনের মত শক্তিশালী দেশের রক্তচক্ষুকেও ভারত ভয় করেনি। সেখানে এরা (বাংলাদেশ) তো পাতি দেশ! রাফায়েল তো দূরের কথা, তার শব্দেই ওরা পালাবে।’
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বাইরে গণমাধ্যমকর্মীদের সেই চিঠি নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, যারা মুক্তিযোদ্ধাকে জুতোর মালা পড়িয়েছে তাদেরকে গোলাম নিজামীর মতো গলায় দড়ি পড়তে হবে। এই রাজাকারের নাতিদের কী অবস্থা হয় সেটা দেখতে থাকুন! এরা অতীত থেকে এখনও শিক্ষা নেয়নি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আবেগ যারা অস্বীকার করবে তাদের কপালে গোলাম নিজামীর মত দড়ি অপেক্ষা করছে।

ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতার মধ্যেই দেশটির ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও তীব্রতর করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১২ জানুয়ারি) এক আকস্মিক ঘোষণায় তিনি জানিয়েছেন, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখবে, যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে তাদের ওপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক গু
৩ ঘণ্টা আগে
একদিকে যখন দেশটিতে অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ তুঙ্গে, অন্যদিকে তখন ওয়াশিংটনকে আলোচনার পথে আসার আহ্বান জানিয়ে আরাগচি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইসরায়েলের স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে টেনে আনার পরিণাম শুভ হবে না।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রতিক্রিয়া ইরান সরকার বলেছে, তারা ‘যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’। একই সঙ্গে তারা ‘আলোচনার পথও খোলা রেখেছে’ বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
১৬ ঘণ্টা আগে
চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। সম্প্রতি মাস্ক নিজে ঘোষণা করেছিলেন, ইরানের জনগণকে ফ্রিতে স্টারলিংক ইন্টারনেট প্রদান করা হবে। তবে ইরান সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে স্যাটেলাইট সংযোগে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে