ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধে বিএনপি আনন্দিত বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিলম্বে হলেও শনিবার (১০ মে) রাতে অন্তর্বর্তী সরকার ফ্যাসিবাদী সরকারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত করার এবং বিচারকার্য নির্বিঘ্ন করার স্বার
দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শনিবার (১০ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (১১ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এলডিসি স্নাতক কমিটির উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনার উদ্যোগ এবং দলটির কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে বিএনপি। আজ রোববার দুপুরে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এ কথা জানান।
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করলে দেশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়বে বলে জানিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে জনগণের যে সম্পদ লুটপাট করেছে, তা বাজেয়াপ্ত করে জনগণের কল্যাণে ব্যয় করতে হবে।
অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনার পুরনো কৌশলের পথেই এগিয়ে চলেছে অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সাতক্ষীরা ও কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে লোকজন অবাধে প্রবেশ করছে, অথচ সরকারের তরফে এ বিষয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ বা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না। কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিরোধ নেই।
আন্তর্জাতিক অপরাধে জড়িত রাজনৈতিক দল, তার অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ সংশোধন করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।
একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের সহযোগীদের ক্ষমা চাইতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। বলেছেন, ইনিয়ে বিনিয়ে গণহত্যার পক্ষে বয়ান উৎপাদন বন্ধ করতে হবে।
এই সংশোধনীর ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যায় জড়িত অভিযোগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কিংবা এর কোনো সহযোগী সংগঠনের বিচার করা যাবে। পাশাপাশি এই বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সব ধরনের কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তও নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে এক ঘণ্টার মধ্যে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ (পথনকশা) চেয়ে সময়সীমা বেঁধে দেন হাসনাত। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, এক ঘণ্টার মধ্যে পথনকশা না পেলে ‘মার্চ টু যমুনা’ (অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন) ঘোষণা করা হবে।
জি এম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যখন জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছে, আমরা তার প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু গণহত্যার দায়ে যদি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়, তাহলে প্রশ্ন আসে একাত্তর সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ব্যাপক গণহত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দায়ী সংগঠনগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে? কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাস
কমরেড হায়দার আকবর খান রনোর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড রুহিন হোসেন প্রিন্স এক বিবৃতিতে বলেন, প্রয়াত কমরেড রনো এ দেশের গণতন্ত্র সমাজতন্ত্র অসাম্প্রদায়িক শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
সহজভাবে বললে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হলো এমন এক প্রযুক্তিগত কৌশল, যা শত্রুর আকাশপথে চালানো আক্রমণ যেমন—বিমান, হেলিকপ্টার, ড্রোন, ক্রুজ মিসাইল বা ব্যালিস্টিক মিসাইল—আসার আগেই শনাক্ত করে এবং ধ্বংস করে দেয়।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের মত পথ আলাদা হতে পারে। কিন্তু আওয়ামী লীগের প্রশ্নে আমরা ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামী লীগের সময়ে যারা গুম হয়েছে, খুন হয়েছে, নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের বিচারের দাবিতে একমত হয়েছি।’
গয়েশ্বর বলেন, ‘আইনের শাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগণই ঠিক করে কারা গ্রহণযোগ্য বা কারা জনগণ কর্তৃক নিষিদ্ধ। আজকে আওয়ামী লীগকে যারা নিষিদ্ধ করতে চাচ্ছেন, কয়েকদিন পর তারাই যে বিএনপিকে নিষিদ্ধ করতে চাইবে না তার গ্যারাটি কী? আওয়ামী লীগ যদি দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য পয়জম হয়, মানুষ যদি মনে করে আওয়ামী লীগ দেশের
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ ও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক কর্মকর্তা বৈঠক আহ্বানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় হবে এই বৈঠক। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি তারা কেউ জানাননি।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বিবিসি বাংলাকে বলেন, পলিটিক্যাল পার্টি অধ্যাদেশ-১৯৭৮ ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯— এই দুটি আইনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল বরখাস্ত, সাময়িক অথবা আজীবন নিষিদ্ধের সুযোগ রয়েছে। তবে এখানে অনেকগুলো বিষয়ে বিতর্ক বা বিবেচনার সুযোগ রয়েছে।