তারেক রহমান দেশে ফিরবেন এবং তার নেতৃত্বেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
দলীয় উচ্চ পর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছে, এখন পর্যন্ত ৫০টির বেশি আসনে অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে। এর বাইরেও নীরব প্রতিবাদ হচ্ছে অনেক আসনে। কয়েকটি এলাকায় উত্তেজনা এতটাই তীব্র যে পরিস্থিতি সামাল দিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরাসরি ফোনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ ৯ বছর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে আপোষহীন নেত্রী হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। গড়ে তুলেন এক দুর্বার গণআন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় ‘৯০ এর ৬ ডিসেম্বর এই দিনে ছাত্র-জনতার মিলিত শক্তিতে স্বৈরাচারকে পরাজিত করে মুক্ত হয়েছিলো গণতন্ত্র। সে
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানী কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কয়েক সপ্তাহ ধরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে রয়েছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অত্যন্ত উচ্চমানের চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা করছেন। কিন্তু এই চিকিৎসা আরও উন্নত হাসপাতালে করা প্রয়োজন বলে তাকে ইংল্যান্ডের হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, যারা ‘মাইনাস ফোর’ ফর্মুলা দিচ্ছে তারা স্বৈরাচারের দোসর।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রায় সঙ্গী হতে ঢাকায় পৌঁছেছেন পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান। শাহজালাল বিমানবন্দরে নেমেই খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ছুটে গেছেন তিনি।
এর আগে গত লন্ডনের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১২টা) পর হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩০২ ফ্লাইটে করে দেশের পথে রওয়ানা দেন ডা. জুবাইদা। বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান মেয়ে জাইমা রহমান।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ম্যাডামের শরীর যদি যাত্রার জন্য উপযুক্ত থাকে এবং মেডিকেল বোর্ড যদি সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে ইনশাল্লাহ ৭ তারিখে (৭ ডিসেম্বর, রোববার) তিনি ফ্লাই করবেন।
বিএনপির উদ্যোগে শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দেশে সব মসজিদে জুমার নামাজের পর এই দোয়া আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারও বিএনপির চেয়ারপারসনের আশু রোগমুক্তি কামনা করে বাদ জুমা দেশের সব মসজিদে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
ডা. জুবাইদা হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে রওয়ানা হয়েছেন। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় তার ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখান থেকে খালেদা জিয়াকে নিয়ে কাতারের আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডনে যাবেন।
দ্বিতীয় ধাপে বিএনপি ঢাকার যে চার আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে সেগুলো হলো— ঢাকা-৭ আসনে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য হামিদুর রহমান, ঢাকা-৯ আসনে ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা-১০ আসনে নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ রবিউল আলম ও ঢাকা-১৮ আসনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আপনারা এরই মধ্যে শুনেছেন যে কাতার আমিরের উদ্যোগে, তার মহানুভবতায় আমরা একটি অত্যন্ত উন্নতমানের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পেয়েছি। সেটা আজ রাতের মধ্যেই এখানে এসে পৌঁছাবে এবং সম্ভবত খুব ভোরেই দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে তারা যুক্তরাজ্যে চলে যাবে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি, কোনো প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে ব্যালট ছাপানো যাবে না। সিইসি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে প্রাইভেট কোনো প্রতিষ্ঠানকে ব্যালট মুদ্রণের দায়িত্ব দেওয়া হবে না।’
শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারাবিশ্বেই সম্মানিত বেগম খালেদা জিয়া জানিয়ে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, প্রতিটি দেশের সরকার প্রধান তার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নিচ্ছে, বিবৃতি দিচ্ছে এবং চিকিৎসক পাঠাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার যেভাবে তাকে সম্মান দিয়েছে, আমরা অভিভূত। সরকার দায়িত্ব নিয়ে তাকে যে মর্
সিইসি দফতর সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনের শেষ সময়ের প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া ভোটের তফসিল নিয়েও আলোচনা হবে।
দ্বিতীয় দফাতেও বিএনপির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় জায়গা হয়নি দলটির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা-র। প্রথম দফায় ২৩৭ এবং দ্বিতীয় দফায় আরও ৩৬ আসনের নাম প্রকাশ করা হলেও তার জেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি।