দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে আরো ১০ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
বক্তব্যে প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যকার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। তারা স্লোগান দেন— ‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষ দেশের পক্ষের শক্তিকে পাশে পাবে। বিএনপি দেশের মানুষের রাজনৈতিক দল। এই দলের পরিকল্পনার সবকিছুই দেশের মানুষকে নিয়ে।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, আজকের এই জনসভায় ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের 'ধানের শীষ' প্রতীকের প্রার্থীদের এক মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে নেতা-কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান। জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে এই জনসভা
মির্জা আব্বাস বলেন, গত ১৭ বছরে বিএনপি ক্ষমতার বাইরে থেকেছে, এ সময় নেতাকর্মীরা শান্তিতে থাকতে পারেনি। প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মী গুম ও হত্যা হয়েছে। এতো কিছুর পর যখন নির্বাচন এসেছে, তখন আবার বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বন্দর থেকে শুরু করে আধুনিক ওয়্যারহাউজ, কন্টেইনার ডিপো, শিপিং সার্ভিস এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এখানে থাকবে। চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমানবন্দরকে ঘিরে পুরো বেল্ট এলাকা হবে একটি আন্তর্জাতিক মানের লজিস্টিক্যাল হাব। এখান থেকে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের সাথে ব্যবসায়
তিনি আরও বলেন, সমস্যার সমাধান করতে হলে ধানের শীষকে জিতাতে হবে। এর আগে এই এলাকার মানুষ অনেককে দেখেছে, তারা কিন্তু সমস্যার সমাধান করেনি। নদী ভাঙন রোধ, বেড়িবাঁধ, বল্কবাধ এই গুলো আমরা ইনশাআল্লাহ করব। তবে আপনাদেরও একটা দায়িত্ব আছে। আপনাদের দায়িত্ব ধানের শীষকে জয়যুক্ত করা। এ সময় তারেক রহমান ঘোষণা দেন বিএন
আগামীতে জনগণ দেশের মালিকানা ফেরত পাবে এ কথা জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশে যেন আর কোনো দিন ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে এমন সংবিধান প্রণয়ন করা হবে, এমন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। ক্ষমতায় গেলে দরিদ্র পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড, চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে স্বাস্থ্য কার্ড, কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভিন্ন জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগে নির্বাচনে নৌকা ও ধানের শীষ ছিল। এবার নৌকা নেই। নৌকার কান্ডারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। পালালো তো পালালো, এখানে যারা আওয়ামী লীগ করে, তাকে সমর্থন করে
কুমিল্লা-৪ সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে করা আপিল আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ২৮ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রতি ইঙ্গিত করে ইশরাক হোসেন বলেন, এই ধরনের বক্তব্য মানসিক বিকারগ্রস্ততার পরিচয় দেয়। তার চিকিৎসা প্রয়োজন। পাশাপাশি রাজনৈতিক সৌহার্দ্য কীভাবে বজায় রাখতে হয় এবং প্রতিপক্ষের সঙ্গে কী ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত তাকে তা শেখানো দরকার।
বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক তথা ১০ জন নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে। যা নারীর ক্ষমতায়নে আমাদের প্রতিশ্রুতির বহিঃপ্রকাশ। এ সংখ্যা আগামী দিনে আরও বৃদ্ধি করতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ।
এ ছাড়া গণমানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে একগুচ্ছ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ধানের শীষকে বিজয়ী করতে পারলে আমরা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করে দেশকে একটি আধুনিক ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করব।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হলে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে জয়যুক্ত করতে হবে।’
সারা দেশে বিএনপির শাসনামলে দেশের তৃণমূলে যে উন্নয়ন হয়েছে সে অবস্থাতেই রয়েছে উল্লেখ করে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে মঈন খান বলেন, ‘এটি একটি শিল্পনগরী। এখানের তাঁতশিল্প খুব প্রসিদ্ধ। বিগত সরকারের আমলে সীমান্তে অবাধ চোরাচালানের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে কাপড় আসার কারণে দেশীয় তাঁতশিল্প হুমকির মুখে পড়েছিল।
তিনি বলেন, এজন্য আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য পুত্র দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে তাকে রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, একজন প্রার্থী বলেছেন ঢাকা শহরে তারা আমাদের কোনো সিট দেবে না। আমার প্রশ্ন আসন দেওয়ার মালিক তারা কে? আসন দেওয়ার মালিক আল্লাহ। জনগণ ভোট দিয়ে বিজয়ী করেন। জনগণের ওপরে কথা বলা স্বেচ্ছাচারিতা ও অগণতান্ত্রিক আচরণ। তারা এসব বলার শক্তি পায় কোথায়? আমারতো এখন মনে হচ্ছে একটি বিশেষ শক্তি ইলেকশন ইঞ্জিন