বিএনপি চেয়ারমম্যান তারেক রহমানকে আগামীদিনে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেশিরভাগ মানুষ দেখতে চান। সম্প্রতি সামাজিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনোভিশন কনসাল্টিংয়ের তৃতীয় ধাপের জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে গণভোটে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপাড়ায় শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন তিনি। পরে আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পীরগঞ্জের জাফরপাড়া বাবনপুর গ্রামে পৌঁছান তিনি। কবর জিয়ারতের পর আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান।
মির্জা আব্বাস পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘বাবারা নির্বাচন করো, ভোট চাও, দেশের জন্য কী করেছো এবং ভবিষ্যতে কী করবে সেটা বলো। আমার জন্য তুমি কোথা থেকে এসেছো তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। অন্যের গীবত গেয়ে সময় নষ্ট করো না, এটি গুনাহ।’
বিগত কয়েকদিনে বিভিন্ন জায়গায় কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সারা দেশে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে মিটিং-মিছিল করছে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে তারা যেন এ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।’
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে জনসাধারণ বিশেষ করে মা-বোনেরা যেভাবে ডিম, মুরগি ও সবজি বিক্রি করে জমানো টাকা দিয়ে তাঁকে মালা উপহার দিয়েছিলেন, সেই ভালোবাসার ঋণ তিনি ভুলতে পারেননি। তিনি জানান, বিগত নির্বাচনগুলোতে তিনি কথা বলতে পারেননি, শুধু কেঁদেছেন। এবার একটি সুয
মাহদী আমিন বলেন, এই সংঘাত কি এড়ানো যেত কিনা, নির্ধারিত সময়ের আগে একটি দল কেন সব চেয়ার দখল করে রাখল? সেই দলের লোক কেন সেখানে লাঠিশোঠা জড়ো করল? সবার সম্মিলিত অনুরোধ উপেক্ষা করে সেই দলের প্রার্থী কেন সংঘাতের পথ বেছে নিলেন, এসব বিষয় নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।
টাইম ম্যাগাজিনের সেই প্রতিবেদনে তারেক রহমানকে আখ্যা দেওয়া হয়েছে ‘Bangladesh’s Prodigal Son’ বা ‘প্রত্যাবর্তনকারী উত্তরাধিকারী’ হিসেবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- কণ্ঠস্বর ভাঙা ও শারীরিক দুর্বলতা সত্ত্বেও রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকায় ফেরার সংকল্প স্পষ্ট তারেক রহমানের। দেশে ফেরার কয়েক দিনের মধ্যেই তার মা ও বাং
বহিষ্কৃতরা হলেন- সেনবাগ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী ও ড. নজরুল ইসলাম ফারুক, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত উল্যাহ লিটন, মমিন উল্যাহ চেয়ারম্যান, মির্জা মো. সোলাইমান, মোয়াজ্জেম হোসেন সেলিম, গোলাম হোসেন খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যা
এ সময় প্রখ্যাত ফার্সি কবি শেখ সাদীকে উদ্ধৃত করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের এই প্রার্থী বলেন, আমি শেখ সাদীর কবিতার একটি লাইন বলতে চাই— ‘বা আদব বা নসিব, বে আদব বে নসিব’। অর্থাৎ, আদব-কায়দা থাকলে কপাল ভালো থাকে, আর বেয়াদব হয় হতভাগা, তাদের কপাল সবসময়ই খারাপ থাকে।
পোস্টে মাহদী আমিন লেখেন, ঢাকা-৮ আসনের এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচনী প্রচারণার বিধিসম্মত সময়ের অনেক আগেই ভোট চাইতে শুরু করেছিলেন। তার কথাবার্তা ও আচরণে যে ঔদ্ধত্য এবং প্রচারে থাকার জন্য যে মুখরোচক বক্তব্য, তা সবার নজরে পড়েছে। দেশি-বিদেশি মানুষের সামনে বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদগার, কখনো
দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে পাবনা-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে সমর্থন ও নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর অভিযোগে পাবনার চাটমোহর উপজেলা বিএনপির চার নেতাকে দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
স্বৈরাচার পতনের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট দেশে যে পরিবর্তন এসেছে, তা ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, '৫ আগস্ট দেশে একটি পরিবর্তন এসেছে। বহু ত্যাগ, তিতিক্ষা ও জান কোরবানির বিনিময়ে এই পরিবর্তন অর্জিত হয়েছে। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোট ও কথা বলার
বহিষ্কৃত ছয় নেতা হলেন, জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ ও মেহেবুবুল হক কিশোর, বাগেরহাট পৌরসভার অন্তর্গত ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মাহবুবুর রহমান টুটুল, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য শেখ রফিকুল ইসলাম, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য রনি মিনা ও যাত্রাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য শেখ সোহেল হোসেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, সামরিক স্বৈরশাসকের অবসান ঘটিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া পুনরায় দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলের অবসানের পর বাংলাদেশ যখন আবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছে, তখন নগর বিএনপির ওপর জনগণ আস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি তোমাদের বয়সে ঢাকা শহর দাপিয়ে বেড়িয়েছি। শহরজুড়ে আমার বন্ধু ও আত্মীয়স্বজন আছে। আমার যত ভক্ত আছে, তোমাদের তত আত্মীয়স্বজনও নেই। যে যা-ই বলুক, আমি কারও ফাঁদে পা দেব না। আমি আমার ভোট চাইব, তোমরাও চাও। এলাকার জন্য কী করেছ আর কী করবে, তা বলো। তোমরা