বাংলাদেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক তা বিএনপি জামাত চায় না। আমরা সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশের সবাইকে নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকি তা এই অপশক্তি চায় না। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ বিএনপি-জামায়াতকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের কথায়
মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণ অচলাবস্থা আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘাত, যা রেশ আমাদের সীমান্তে এসে গেছে। গোলাগুলির আওয়াজ শোনা যায়। জনমনে আতঙ্ক তো ছড়ায়। যুদ্ধটা তাঁদের অভ্যন্তরীণ। কিন্তু সীমান্তে গোলাগুলির আওয়াজ আমাদের এখ
আমরা শেখ হাসিনা নেতৃত্বে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে চাই। দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা তার সাথে আছি। এদেশের মানুষই আমাদের আস্থা ও ভরসা। তারাই আমাদের ঠিকানা ও আশ্রয়স্থল। আমাদের জবাবদিহিতা হলো তৃণমূলের মানুষের কাছে। আমরা জবাবদিহিতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা ত্যাগ তিতিক্ষার
দলীয় প্রতীকে অন্যান্য রাজনৈতিক দল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিলে আওয়ামী লীগের ভূমিকা কি হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দলের নীতি নির্ধারকেরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। এর আগে মন্ত্রী আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের
বিএনপি দেশের মানুষের কষ্টকে পুঁজি করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়। এরা সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি।এরা দেশের মানুষকে বিপথগামী ও বিপদে ফেলে সন্ত্রাস ছড়িয়ে দিয়ে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শাসন কায়েম করতে চায়। দেশের মানুষের হৃদয় থেকে এদের চিরতরে মুছে ফেলতে হবে। এরা গণতান্ত্রিক
বিএনপির আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয়নি দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারপর নির্বাচনেও হেরে যাবার ভয়ে অংশ নেয়নি। এখন বিএনপি একটা দল তার প্রাসঙ্গীকতা নিজেরাই হারিয়ে ফেলেছেন। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই। তারা নিজেদের প্রাসঙ্গিকতায় ক্রমে হারিয়ে
তিনি আরও বলেন, ‘২০১৩, ১৪, ১৫ সালে বিএনপি যেভাবে আগুনসন্ত্রাস চালিয়েছে, ২৮ অক্টোবর সমাবেশের নামে একজন পুলিশ সদস্যকে যেভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে, এটি মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর অনুকরণে তারা পুলিশ হাসপাতালে হামলা চালিয়ে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সসহ
তিনি আরো বলেন, আমরা দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি। দেশের মানুষের কষ্ট, দুঃখ লাঘব করার জন্যই আওয়ামী লীগের রাজনীতি। দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, যাতে তারা ভালোভাবে জীবনযাপন করতে পারে এটাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। আওয়ামী লীগ মানুষের
নির্বাচনের ফলাফলের পর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মি. পিটার হাস প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সর্বশেষ সংসদ অধিবেশনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন। সংসদের প্রথম অধিবেশনেও যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি লক্ষ্য করি। এর মা
ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে বিশ্ব পরিস্থিতিতে পৃথিবীর অর্থনীতির উপর চরম আঘাত এসেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বিশ্ব সংকটের প্রতিক্রিয়ায় আমরা সমস্যা সংকুল দিন অতিক্রম করছি। দ্রব্যমূল্য এবং বাজার নিয়ন্ত্রণ কঠিন চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ অতিক্রমে নতুন সংসদ কঠিন দায়িত্ব পালন করবে। জনগণের সমস্যার সমাধানকে
ব্যবসায়ীরা কথা রাখবে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা কথা রাখবে, মিষ্টি কথায় তো চিড়ে ভিজে না। কথা যেভাবে বলতে হয় সেভাবেই বলতে হবে আমাদের। যে অ্যাকশনের দরকার সে অ্যাকশন নিতে হবে। শুধু হুমকি ধামকি দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। এখানে অ্যাকশন নিতে হবে, কৌশল
দেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও বিকৃত তথ্য উপস্থাপনের সমালোচনা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের ইতিহাস ডিঙিয়ে তারা (বিএনপি) যে বিকৃত তথ্য বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর অপপ্রচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দ্বাদশ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিভিন্ন মার্কার কিছু সংঘাত, সহিংসতা, অন্তকলহ, এসব বিষয় রয়েছে। কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে অবাঞ্চিত ঘটনা ঘটছে। এটা আর হতে
যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় দলের (এপিপিজি) ভাইস চেয়ার ও ইন্দো-ব্রিটিশ বিষয়ক এপিপিজি-র চেয়ার বীরেন্দ্র শর্মা এমপির নেতৃত্বে যুক্তরাজ্যের ক্রস পার্টি একটি পার্লামেন্টারি প্রতিনিধি দল
আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ড. মো. শাহজাহান আলম সাজু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাকজিল খলিফা কাজল। এ সময়
বিএনপির কালো পতাকা মিছিলকে ‘শোক মিছিল’ আখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কালো পতাকা মিছিল আরেক ভুয়া। ৩০ তারিখে আবার ডাকছে, সেটাও ভুয়া। লোকজন নেই, জনগণ নেই, নেতা-কর্মীরা হতাশ। কারণ
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী। বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম