
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা ৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন,আমরা অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। যারা আমাদের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পেছনে বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাদের আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে মোকাবেলা করব। দেশে যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন সরকার ইশতেহার বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু করেছে তখনও একটি গোষ্ঠী আবার নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। যারা দেশের মানুষকে শান্তি দিতে পারে না তারাই ষড়যন্ত্র করে। তাদের বলবো এখনও সময় আছে শান্তি ও সুশৃঙ্খলতার পথে ফিরে আসুন। দেশের মানুষকে নিয়ে ভাবুন। মানুষ নিয়ে সত্যিকারের রাজনীতির পথে ফিরে আসুন।
রবিবার সকালে রাজধানীর সেগুন বাগিচায় পি ডব্লিউ ডি স্টাফ কোয়ার্টারে ঢাকা ৮ নির্বাচনী এলাকাধীন ১৯,২০,ও ২১ ওয়ার্ডের শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত একটি দল হল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ যেমন এগিয়ে যাচ্ছে তেমনি আওয়ামী লীগ ও দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা মানুষের কল্যাণের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষের শোষণ ও বৈষম্যের মুক্তির জন্যই লড়াই সংগ্রাম করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা শেখ হাসিনা নেতৃত্বে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে চাই। দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা তার সাথে আছি। এদেশের মানুষই আমাদের আস্থা ও ভরসা। তারাই আমাদের ঠিকানা ও আশ্রয়স্থল। আমাদের জবাবদিহিতা হলো তৃণমূলের মানুষের কাছে। আমরা জবাবদিহিতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা ত্যাগ তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে চাই। আমাদের বিবেকবোধ, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্যবোধ এ দেশের মানুষের সেবা করার জন্য আরও শক্তিশালী করবে।
আমাদের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে রাজনীতি তার অনুপ্রেরণা স্থল হলো বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তার পরামর্শ নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সব সময় মানুষের পাশে থাকি। আমরা বিশ্বাস করি যে রাজনৈতিক দল মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে না তারা কখনো মানুষের বন্ধু হতে পারে না। তারা কখনো মানুষকে আগলে রাখতে পারে না, বুকে টেনে নিতে পারে না। তাদের রাজনীতি শুধুমাত্র ব্যক্তি ও স্বার্থের। এই রাজনীতিকে আওয়ামী লীগ ঘৃণা ভাবে প্রত্যাখ্যান করে।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নাকি পুলিশ ছাড়া চলতে পারে না বিএনপি নেতাদের এমন কথার জবাবে তিনি বলেন, আমরা কখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবজ্ঞা করিনি। আমরা মনে করি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর প্রয়োজন আছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ভর করে আওয়ামী লীগের সৃষ্টি হয়নি। আওয়ামী লীগের সৃষ্টি হয়েছে এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। আমরা দেশের মানুষকে ভালবাসি। আমরা চাই বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে আসন দিতে।
শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি এম আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা.দিলিপ রায়, আওলাদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মহি, মিরাজ হোসেন মিরাজ, ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল বাসার, ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক তারিক সাঈদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম মাসুদ প্রমুখ।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা ৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন,আমরা অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। যারা আমাদের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পেছনে বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাদের আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে মোকাবেলা করব। দেশে যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন সরকার ইশতেহার বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু করেছে তখনও একটি গোষ্ঠী আবার নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। যারা দেশের মানুষকে শান্তি দিতে পারে না তারাই ষড়যন্ত্র করে। তাদের বলবো এখনও সময় আছে শান্তি ও সুশৃঙ্খলতার পথে ফিরে আসুন। দেশের মানুষকে নিয়ে ভাবুন। মানুষ নিয়ে সত্যিকারের রাজনীতির পথে ফিরে আসুন।
রবিবার সকালে রাজধানীর সেগুন বাগিচায় পি ডব্লিউ ডি স্টাফ কোয়ার্টারে ঢাকা ৮ নির্বাচনী এলাকাধীন ১৯,২০,ও ২১ ওয়ার্ডের শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত একটি দল হল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ যেমন এগিয়ে যাচ্ছে তেমনি আওয়ামী লীগ ও দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা মানুষের কল্যাণের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষের শোষণ ও বৈষম্যের মুক্তির জন্যই লড়াই সংগ্রাম করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা শেখ হাসিনা নেতৃত্বে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে চাই। দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা তার সাথে আছি। এদেশের মানুষই আমাদের আস্থা ও ভরসা। তারাই আমাদের ঠিকানা ও আশ্রয়স্থল। আমাদের জবাবদিহিতা হলো তৃণমূলের মানুষের কাছে। আমরা জবাবদিহিতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা ত্যাগ তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে চাই। আমাদের বিবেকবোধ, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্যবোধ এ দেশের মানুষের সেবা করার জন্য আরও শক্তিশালী করবে।
আমাদের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে রাজনীতি তার অনুপ্রেরণা স্থল হলো বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তার পরামর্শ নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সব সময় মানুষের পাশে থাকি। আমরা বিশ্বাস করি যে রাজনৈতিক দল মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে না তারা কখনো মানুষের বন্ধু হতে পারে না। তারা কখনো মানুষকে আগলে রাখতে পারে না, বুকে টেনে নিতে পারে না। তাদের রাজনীতি শুধুমাত্র ব্যক্তি ও স্বার্থের। এই রাজনীতিকে আওয়ামী লীগ ঘৃণা ভাবে প্রত্যাখ্যান করে।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নাকি পুলিশ ছাড়া চলতে পারে না বিএনপি নেতাদের এমন কথার জবাবে তিনি বলেন, আমরা কখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবজ্ঞা করিনি। আমরা মনে করি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর প্রয়োজন আছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ভর করে আওয়ামী লীগের সৃষ্টি হয়নি। আওয়ামী লীগের সৃষ্টি হয়েছে এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। আমরা দেশের মানুষকে ভালবাসি। আমরা চাই বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে আসন দিতে।
শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি এম আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা.দিলিপ রায়, আওলাদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মহি, মিরাজ হোসেন মিরাজ, ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল বাসার, ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক তারিক সাঈদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম মাসুদ প্রমুখ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিমূলক বিভিন্ন মন্তব্য ও লেখালেখি পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৫ ঘণ্টা আগে
পোস্টাল ব্যালটে কারসাজি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে।’
৫ ঘণ্টা আগে
১১ দল সূত্রে জানা গেছে, বুধবারের সংবাদ সম্মেলন থেকেই আসন সমঝোতার হিসাব তুলে ধরার কথা ছিল। জোটের পক্ষ থেকে ৩০০ আসনে প্রার্থী তালিকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আসন নিয়ে শেষ পর্যন্ত দলগুলো একমত হতে পারেনি বলেই সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তারা সাধারণ প্রার্থীদের প্রতি যেমন কঠোর আইন পালন করার ব্যাপারে আগ্রহী, আমরা আশা করি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারেও তেমনি আইন অনুযায়ী আচরণ করবেন। আমরা ইসিতে বলে এসেছি, এখন আপনাদের মাধ্যমেও বলছি— ইসির এই নির্লিপ্ততা বা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের নিশ্চুপতা স
২০ ঘণ্টা আগে