
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা ৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, বিএনপি কালো পতাকার নামে মিছিল করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। এরা আইনের শাসনকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। দেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধির পথকে বাধাগ্রস্ত করে মানুষের দুঃখ বাড়াতে চায় এ বিএনপি-জামাত।
শনিবার সকালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল সংলগ্ন প্রাঙ্গণে ঢাকা ৮ নির্বাচনী এলাকার শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন,বিএনপি দেশের মানুষের কষ্টকে পুঁজি করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়। এরা সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি।এরা দেশের মানুষকে বিপথগামী ও বিপদে ফেলে সন্ত্রাস ছড়িয়ে দিয়ে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শাসন কায়েম করতে চায়। দেশের মানুষের হৃদয় থেকে এদের চিরতরে মুছে ফেলতে হবে। এরা গণতান্ত্রিক চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে চিরতরে ধ্বংস করতে চায়। এরা দেশের ১৬ কোটি মানুষের শত্রু।
তিনি আরও বলেন, এ বিএনপি জামাতকে আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে। এদের প্রতিরোধের মাধ্যমে দেশকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যারাই সন্ত্রাস করবে, বিশৃঙ্খলা চালাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনগণকে সাথে নিয়ে আমাদের তাদের মোকাবেলা করতে হবে।
নাছিম বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেশকে ও দেশের মানুষকে ভালোবাসেন। তিনি সন্ত্রাসীদের মোকাবেলা করে তাদের হাত থেকে দেশের মানুষদের রক্ষা করেন। মানুষের জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধির জন্য তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। তার সঙ্গে দেশের জনগণ রয়েছে। জনগণের শক্তিতে বলিয়ান হয়ে তিনি দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত করবেন।
১০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ নওশের আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি ডা.দিলিপ রায়, কামাল চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক তারিক সাঈদ সহ স্থানীয় কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতারা।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা ৮ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, বিএনপি কালো পতাকার নামে মিছিল করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। এরা আইনের শাসনকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। দেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধির পথকে বাধাগ্রস্ত করে মানুষের দুঃখ বাড়াতে চায় এ বিএনপি-জামাত।
শনিবার সকালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল সংলগ্ন প্রাঙ্গণে ঢাকা ৮ নির্বাচনী এলাকার শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন,বিএনপি দেশের মানুষের কষ্টকে পুঁজি করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়। এরা সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি।এরা দেশের মানুষকে বিপথগামী ও বিপদে ফেলে সন্ত্রাস ছড়িয়ে দিয়ে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শাসন কায়েম করতে চায়। দেশের মানুষের হৃদয় থেকে এদের চিরতরে মুছে ফেলতে হবে। এরা গণতান্ত্রিক চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে চিরতরে ধ্বংস করতে চায়। এরা দেশের ১৬ কোটি মানুষের শত্রু।
তিনি আরও বলেন, এ বিএনপি জামাতকে আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে। এদের প্রতিরোধের মাধ্যমে দেশকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যারাই সন্ত্রাস করবে, বিশৃঙ্খলা চালাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনগণকে সাথে নিয়ে আমাদের তাদের মোকাবেলা করতে হবে।
নাছিম বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেশকে ও দেশের মানুষকে ভালোবাসেন। তিনি সন্ত্রাসীদের মোকাবেলা করে তাদের হাত থেকে দেশের মানুষদের রক্ষা করেন। মানুষের জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধির জন্য তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। তার সঙ্গে দেশের জনগণ রয়েছে। জনগণের শক্তিতে বলিয়ান হয়ে তিনি দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত করবেন।
১০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ নওশের আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি ডা.দিলিপ রায়, কামাল চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক তারিক সাঈদ সহ স্থানীয় কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতারা।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিমূলক বিভিন্ন মন্তব্য ও লেখালেখি পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৫ ঘণ্টা আগে
পোস্টাল ব্যালটে কারসাজি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে।’
৫ ঘণ্টা আগে
১১ দল সূত্রে জানা গেছে, বুধবারের সংবাদ সম্মেলন থেকেই আসন সমঝোতার হিসাব তুলে ধরার কথা ছিল। জোটের পক্ষ থেকে ৩০০ আসনে প্রার্থী তালিকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আসন নিয়ে শেষ পর্যন্ত দলগুলো একমত হতে পারেনি বলেই সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তারা সাধারণ প্রার্থীদের প্রতি যেমন কঠোর আইন পালন করার ব্যাপারে আগ্রহী, আমরা আশা করি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারেও তেমনি আইন অনুযায়ী আচরণ করবেন। আমরা ইসিতে বলে এসেছি, এখন আপনাদের মাধ্যমেও বলছি— ইসির এই নির্লিপ্ততা বা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের নিশ্চুপতা স
২০ ঘণ্টা আগে