
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনের প্রতিক্রিয়া নিয়ে কী বলবে, কী করবে এটা নিয়ে আমরা বিচলিত না। আমরা বিশেষ করে দ্রব্যমুল্য নিয়ে আমরা চিন্তিত।
শুক্রবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির বন্ধু তো দেশে আছে, বিদেশেও আছে। এখন নির্বাচনে অংশ নেয়নি, আন্দোলনে ব্যর্থ। তাদের তো বিদেশি বন্ধুদের কাছে মুখ রক্ষা বিষয় আছে।
তিনি বলেন, অস্থিরতার মধ্যেও কিন্তু আমাদের জনগণের কোথাও হাহাকার নেই। জনগণের পক্ষ থেকে কোন বিক্ষুব্ধ আমরা লক্ষ্য করিনি। সবাই স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। আমাদের দায়িত্ব যেটা আমরা সেটা পালন করছি। আমাদের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন এই বিষয়টি নিয়ে ভাবিত। দেশের মানুষকে যে অঙ্গীকার তিনি করেছেন বিশেষ করে নির্বাচনী ইশতেহারে যে বক্তব্য জনগণের কথা ছিল, নির্বাচনের ইশতেহার বাস্তবায়ন মাথা ঘামাচ্ছেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালকে ডেকে পরামর্শ দিচ্ছেন, কর্ম পরিকল্পনা দিচ্ছেন। কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাবার অনুরোধ করেছেন। কথা বেশি না বলে কাজ করার জন্য দায়িত্বশীল সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন।
বিএনপির আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয়নি দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারপর নির্বাচনেও হেরে যাবার ভয়ে অংশ নেয়নি। এখন বিএনপি একটা দল তার প্রাসঙ্গীকতা নিজেরাই হারিয়ে ফেলেছেন। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই। তারা নিজেদের প্রাসঙ্গিকতায় ক্রমে হারিয়ে ফেলছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ভাল হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আরো ভালো হবে না কেন? সারা দুনিয়ার সবাই কিন্তু নিজেদেরকে নিয়ে ব্যস্ত আছে। আমেরিকা ও চ্যালেঞ্জের মুখে আছে। মধ্যপ্রাচ্যাক থেকে ইসরাইলকে তার সামলাতে ব্যর্থ হচ্ছে। একদিকে বৃষ্টি, ঠান্ডা, শৈত্যপ্রবাহ অপরদিকে রক্ত। বৃষ্টির পানির সাথে লাল রক্ত পানি আর দেখা যায় না। আমেরিকার দুষ্ট ছেলে ইসরাইল, ইসরাইল তাদের কথা শুনছে ন। বাইডেন বলছে একটা নেতানিয়াহু বলছে আরেকটা। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ করার অঙ্গীকার করেছে হামাসকে ধ্বংস করা পর্যন্ত।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ওইদিকে হুতীদের সঙ্গে সংঘাত এসেছে। ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্কিত জাহাজ ও ভ্যাসেলগুলো চলাচল অনেকটা বন্ধ করে দিয়েছে সুইস ক্যানেল দিয়ে। সুইস ক্যানেল দিয়ে যাত্রাটা বন্ধ করে আমেরিকার জন্য আরেকটা সংকট সৃষ্টি করেছে। আজকের মধ্যপ্রাচ্যর দেশে দেশে কৃষকরা রাস্তায়, দ্রব্যমূল্যের জন্য এবং তাদের যন্ত্রপাতির মূল্যবৃদ্ধির জন্য। এসব নিয়ে ইউরোপের প্রায় সব দেশে কৃষকরা রাস্তায় নেমেছে। জার্মানিতে নেমেছে, ফ্রান্সের নেমেছে। আমেরিকা তো এখানে অনেক চিন্তা আছে। তারা নিজেদের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিজেরা ব্যস্ত। বাংলাদেশের দিকে আরো অত মনোযোগ দেয়ার সময় তাদের কোথায়।
বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাবের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে কোন প্রভাব পড়বে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে কোন ধরনের টানাপোড়েন নেই।
নির্বাচন বানচালে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে দেশটির সঙ্গে কোন কথা বলছেন কিনা, জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, কথা যখন হয়, কথা প্রসঙ্গে অনেক কথায় হয়। স্পেসিফিক কোন বিষয় নিয়ে আমরা কোন চাপের মধ্যে নেই। কোন ব্যাপারে আমরা কোন চাপের মুখে নেই। আমরা চাপ অনুভব করছি না। অহেতুক একটা বিষয় নিয়ে মাতামাতি করব দরকারটা কি।
দ্রব্যমূল্য নিয়ে কঠোর অবস্থার কথা যখন জানান তখনই দাম বেড়ে যায় কোন না কোন পণ্যের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমিতো এ কথা বলিনি আগামীকালই দ্রব্যমূলক কমে যাবে। আমি বলেছি নিয়ন্ত্রণের সর্বোচ্চ চেষ্টা আমরা করে যাচ্ছি। এর অর্থ কি আগামীকাল কমে যাবে? সে আশা দেয়ার ক্ষমতা আছে আমার? এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা আমার মুখ দিয়ে অন্তত বের হবে না।
আমেরিকার প্রতিনিধির সাথে বৈঠক করে বিএনপি কোনো ষড়যন্ত্র করছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এখন কথায় কথায় শুধু ষড়যন্ত্র বললে কি দায়িত্ব শেষ হবে। ষড়যন্ত্র বিষয়টা আছে, থাকবে। ষড়যন্ত্রের ঘাড়ে সব কিছু চাপিয়ে দিয়ে নিষ্কর্ম থাকার কোনো কারণ নাই। রাজনীতি যেখানে আছে, ষড়যন্ত্র সেখানে থাকবে। বিশ্ব রাজনীতি হোক, দেশের রাজনীতি হোক। এখন এর মধ্য দিয়েই আমাদের চলতে হবে। আমার কথা হচ্ছে, আমরা তো ষড়যন্ত্র রাজনীতি করছি না। আমরা পজেটিভ পলিটিক্স করছি। রাজনীতির ইতিবাচক ধারায় আছি। যারা ষড়যন্ত্র করে তারা নেতিবাচক ধারায়। পজিটিভ রাজনীতিরই বিজয়ী হবে শেষ পর্যন্ত।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দলীয় প্রতীক না থাকায় প্রার্থীদের ওপর এমপিদের প্রভাব বাড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কদর বলেন, কোন বড় কাজ করতে হলে, কিছু ছোট ছোট বিষয় আছে এগুলো এর মধ্যে এসে পড়বে। কারো ইচ্ছায় নির্বাচন প্রভাবিত হবে এর কোন কারণ নেই। নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী এবার তারা প্রমাণ করেছে এবং তারা আরো শক্তিশালী হবে। তারা আরো বেশি করে তাদের ওপর আরোপিত দায়িত্ব পালন করতে পারবে। তাতে করে নির্বাচনী ব্যবস্থায় সামনের দিকে আমাদের জন্য শুভ দিন অপেক্ষা করছে।
দলীয় প্রতীক না দিলেও প্রার্থীদের ওপর প্রচ্ছন্ন সমর্থন থাকবে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা কোন প্রকার সমর্থন দিবো না। জনগণ যাকে পছন্দ তাকে নির্বাচিত করবে, যাকে খুশি তাকে ভোট দিবে।
গত সোমবার ক্যাবিনেট মিটিংয়ে দ্রুত বিচার আইন স্থায়ী করার জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে এ ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, একটা আইন ক্যাবিনেটে প্রথমত নীতিগত সিদ্ধান্ত করে, তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। দুইটা মিটিং লাগে। এরপর বিষয়টা যাবে পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটিতে। স্ট্যান্ডিং কমিটিতে আলাপ-আলোচনা বা রেকমেন্ডেশন থাকলে সেটা সহ পার্লামেন্টে বিল আকারে যাবে। পার্লামেন্টে বিল আকারে আইনটা পাস হবে। পার্লামেন্টে আইনটি সংশোধনীর ব্যাপারে আলোচনা করারও অনেক সুযোগ আছে। তো সে ক্ষেত্রে কোন অবস্থায় স্থিতি দেবে সেটা এখন এই মুহূর্তে বলা যায় না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনের প্রতিক্রিয়া নিয়ে কী বলবে, কী করবে এটা নিয়ে আমরা বিচলিত না। আমরা বিশেষ করে দ্রব্যমুল্য নিয়ে আমরা চিন্তিত।
শুক্রবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির বন্ধু তো দেশে আছে, বিদেশেও আছে। এখন নির্বাচনে অংশ নেয়নি, আন্দোলনে ব্যর্থ। তাদের তো বিদেশি বন্ধুদের কাছে মুখ রক্ষা বিষয় আছে।
তিনি বলেন, অস্থিরতার মধ্যেও কিন্তু আমাদের জনগণের কোথাও হাহাকার নেই। জনগণের পক্ষ থেকে কোন বিক্ষুব্ধ আমরা লক্ষ্য করিনি। সবাই স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। আমাদের দায়িত্ব যেটা আমরা সেটা পালন করছি। আমাদের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন এই বিষয়টি নিয়ে ভাবিত। দেশের মানুষকে যে অঙ্গীকার তিনি করেছেন বিশেষ করে নির্বাচনী ইশতেহারে যে বক্তব্য জনগণের কথা ছিল, নির্বাচনের ইশতেহার বাস্তবায়ন মাথা ঘামাচ্ছেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালকে ডেকে পরামর্শ দিচ্ছেন, কর্ম পরিকল্পনা দিচ্ছেন। কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাবার অনুরোধ করেছেন। কথা বেশি না বলে কাজ করার জন্য দায়িত্বশীল সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন।
বিএনপির আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয়নি দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারপর নির্বাচনেও হেরে যাবার ভয়ে অংশ নেয়নি। এখন বিএনপি একটা দল তার প্রাসঙ্গীকতা নিজেরাই হারিয়ে ফেলেছেন। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই। তারা নিজেদের প্রাসঙ্গিকতায় ক্রমে হারিয়ে ফেলছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ভাল হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আরো ভালো হবে না কেন? সারা দুনিয়ার সবাই কিন্তু নিজেদেরকে নিয়ে ব্যস্ত আছে। আমেরিকা ও চ্যালেঞ্জের মুখে আছে। মধ্যপ্রাচ্যাক থেকে ইসরাইলকে তার সামলাতে ব্যর্থ হচ্ছে। একদিকে বৃষ্টি, ঠান্ডা, শৈত্যপ্রবাহ অপরদিকে রক্ত। বৃষ্টির পানির সাথে লাল রক্ত পানি আর দেখা যায় না। আমেরিকার দুষ্ট ছেলে ইসরাইল, ইসরাইল তাদের কথা শুনছে ন। বাইডেন বলছে একটা নেতানিয়াহু বলছে আরেকটা। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ করার অঙ্গীকার করেছে হামাসকে ধ্বংস করা পর্যন্ত।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ওইদিকে হুতীদের সঙ্গে সংঘাত এসেছে। ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্কিত জাহাজ ও ভ্যাসেলগুলো চলাচল অনেকটা বন্ধ করে দিয়েছে সুইস ক্যানেল দিয়ে। সুইস ক্যানেল দিয়ে যাত্রাটা বন্ধ করে আমেরিকার জন্য আরেকটা সংকট সৃষ্টি করেছে। আজকের মধ্যপ্রাচ্যর দেশে দেশে কৃষকরা রাস্তায়, দ্রব্যমূল্যের জন্য এবং তাদের যন্ত্রপাতির মূল্যবৃদ্ধির জন্য। এসব নিয়ে ইউরোপের প্রায় সব দেশে কৃষকরা রাস্তায় নেমেছে। জার্মানিতে নেমেছে, ফ্রান্সের নেমেছে। আমেরিকা তো এখানে অনেক চিন্তা আছে। তারা নিজেদের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিজেরা ব্যস্ত। বাংলাদেশের দিকে আরো অত মনোযোগ দেয়ার সময় তাদের কোথায়।
বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাবের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে কোন প্রভাব পড়বে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে কোন ধরনের টানাপোড়েন নেই।
নির্বাচন বানচালে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে দেশটির সঙ্গে কোন কথা বলছেন কিনা, জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, কথা যখন হয়, কথা প্রসঙ্গে অনেক কথায় হয়। স্পেসিফিক কোন বিষয় নিয়ে আমরা কোন চাপের মধ্যে নেই। কোন ব্যাপারে আমরা কোন চাপের মুখে নেই। আমরা চাপ অনুভব করছি না। অহেতুক একটা বিষয় নিয়ে মাতামাতি করব দরকারটা কি।
দ্রব্যমূল্য নিয়ে কঠোর অবস্থার কথা যখন জানান তখনই দাম বেড়ে যায় কোন না কোন পণ্যের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমিতো এ কথা বলিনি আগামীকালই দ্রব্যমূলক কমে যাবে। আমি বলেছি নিয়ন্ত্রণের সর্বোচ্চ চেষ্টা আমরা করে যাচ্ছি। এর অর্থ কি আগামীকাল কমে যাবে? সে আশা দেয়ার ক্ষমতা আছে আমার? এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা আমার মুখ দিয়ে অন্তত বের হবে না।
আমেরিকার প্রতিনিধির সাথে বৈঠক করে বিএনপি কোনো ষড়যন্ত্র করছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এখন কথায় কথায় শুধু ষড়যন্ত্র বললে কি দায়িত্ব শেষ হবে। ষড়যন্ত্র বিষয়টা আছে, থাকবে। ষড়যন্ত্রের ঘাড়ে সব কিছু চাপিয়ে দিয়ে নিষ্কর্ম থাকার কোনো কারণ নাই। রাজনীতি যেখানে আছে, ষড়যন্ত্র সেখানে থাকবে। বিশ্ব রাজনীতি হোক, দেশের রাজনীতি হোক। এখন এর মধ্য দিয়েই আমাদের চলতে হবে। আমার কথা হচ্ছে, আমরা তো ষড়যন্ত্র রাজনীতি করছি না। আমরা পজেটিভ পলিটিক্স করছি। রাজনীতির ইতিবাচক ধারায় আছি। যারা ষড়যন্ত্র করে তারা নেতিবাচক ধারায়। পজিটিভ রাজনীতিরই বিজয়ী হবে শেষ পর্যন্ত।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দলীয় প্রতীক না থাকায় প্রার্থীদের ওপর এমপিদের প্রভাব বাড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কদর বলেন, কোন বড় কাজ করতে হলে, কিছু ছোট ছোট বিষয় আছে এগুলো এর মধ্যে এসে পড়বে। কারো ইচ্ছায় নির্বাচন প্রভাবিত হবে এর কোন কারণ নেই। নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী এবার তারা প্রমাণ করেছে এবং তারা আরো শক্তিশালী হবে। তারা আরো বেশি করে তাদের ওপর আরোপিত দায়িত্ব পালন করতে পারবে। তাতে করে নির্বাচনী ব্যবস্থায় সামনের দিকে আমাদের জন্য শুভ দিন অপেক্ষা করছে।
দলীয় প্রতীক না দিলেও প্রার্থীদের ওপর প্রচ্ছন্ন সমর্থন থাকবে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা কোন প্রকার সমর্থন দিবো না। জনগণ যাকে পছন্দ তাকে নির্বাচিত করবে, যাকে খুশি তাকে ভোট দিবে।
গত সোমবার ক্যাবিনেট মিটিংয়ে দ্রুত বিচার আইন স্থায়ী করার জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে এ ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, একটা আইন ক্যাবিনেটে প্রথমত নীতিগত সিদ্ধান্ত করে, তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। দুইটা মিটিং লাগে। এরপর বিষয়টা যাবে পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটিতে। স্ট্যান্ডিং কমিটিতে আলাপ-আলোচনা বা রেকমেন্ডেশন থাকলে সেটা সহ পার্লামেন্টে বিল আকারে যাবে। পার্লামেন্টে বিল আকারে আইনটা পাস হবে। পার্লামেন্টে আইনটি সংশোধনীর ব্যাপারে আলোচনা করারও অনেক সুযোগ আছে। তো সে ক্ষেত্রে কোন অবস্থায় স্থিতি দেবে সেটা এখন এই মুহূর্তে বলা যায় না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিমূলক বিভিন্ন মন্তব্য ও লেখালেখি পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৫ ঘণ্টা আগে
পোস্টাল ব্যালটে কারসাজি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে।’
৫ ঘণ্টা আগে
১১ দল সূত্রে জানা গেছে, বুধবারের সংবাদ সম্মেলন থেকেই আসন সমঝোতার হিসাব তুলে ধরার কথা ছিল। জোটের পক্ষ থেকে ৩০০ আসনে প্রার্থী তালিকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আসন নিয়ে শেষ পর্যন্ত দলগুলো একমত হতে পারেনি বলেই সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তারা সাধারণ প্রার্থীদের প্রতি যেমন কঠোর আইন পালন করার ব্যাপারে আগ্রহী, আমরা আশা করি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারেও তেমনি আইন অনুযায়ী আচরণ করবেন। আমরা ইসিতে বলে এসেছি, এখন আপনাদের মাধ্যমেও বলছি— ইসির এই নির্লিপ্ততা বা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের নিশ্চুপতা স
২০ ঘণ্টা আগে