স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে আগের তুলনায় অনেকটা উন্নতির দিকে রয়েছে। তিনি জানান, এই উন্নতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যাতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করা যায়।
অপারেশন ‘ডেভিল হান্ট’ চলমান থাকতেও কেন সরকার ‘মব’ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না— এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা সব জনতাকেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি। শুধু এক ধরনের না, বিভিন্ন ধরনের জনতা বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি (ক্রিয়েট) করছে। সব জনতাকেই নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব আমাদের।’
যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে মিথ্যাচার করা হলে তা সহ্য করা হবে না।
অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, শিক্ষা খাতে অনেক সমস্যা রয়ে গেছে। তাই শুধু অবকাঠামোতে নয়, মানসম্মত শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, বন্ডের মাধ্যমে শিক্ষকদের অবসর ভাতার চেষ্টা করা হচ্ছে। যেন এক বছরের বাজেটের ওপর চাপ না পড়ে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই সময়ে কারও রক্তচক্ষু বা ধমকের কারণে কোনো কাজ করার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নিজের মতো করে যেটা আইন, যেটা দেশের জন্য করা দরকার, সেটা করতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা।
নতুন বাংলাদেশে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এমন সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে হবে যেখানে সবাই সরকারের সমালোচনা করতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জন্মনিবন্ধন একজন নাগরিকের জন্মগত অধিকার। যে কোনো নাগরিক যে কোনো বয়সে জন্মনিবন্ধন চাইলে তার ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে ঝামেলামুক্ত উপায়ে জন্মনিবন্ধন পাওয়ার জন্য সৃজনশীল হতে হবে, নতুন নিয়ম বের করতে হবে। তিনি বলেছেন, জন্ম নিবন্ধন—এটার কোনো মা-বাপ আছে বলে
প্রধান অতিথি সম্বোধন করা প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এখানে আমাকে প্রধান অতিথি হিসেবে বলাতে আমি একটু কষ্ট পেলাম। যেন আমাকে বাইরে রাখা হলো এ খেলার মাঠ থেকে। হওয়া উচিত ছিল আমার খেলার ক্যাপ্টেন। কিন্তু আমাকে করলেন অতিথি। আমি অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে চাই না। আমি ক্যাপ্টেন হিসেবে বক্তব্য দিতে চাই। আমাদে
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আজ রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের মাস্কাটে অনুষ্ঠাতব্য অষ্টম ভারত মহাসাগর সম্মেলনে (আইওসি) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আইওসি সম্মেলনের এক ফাঁকে বৈঠকটি হবে বলে ভারতের গণমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’র এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না। এ ধরনের সিদ্ধান্তগুলো জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিন দিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হয়েছে আজ। এবার সম্মেলনে ৩৫৪টি প্রস্তাব উঠছে। সম্মেলন শেষ হবে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি)। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার পর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে প্রথম ইনিংস বা প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে। আজ রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আগামী ১৭-২০ ফেব্রুয়ারি ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সদর দপ্তরে (নয়াদিল্লি) বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ৫৫তম মহাপরিচালক পর্যায়ের এই সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিজিবি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী (মহাপ
বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), নাগরিক ঐক্য, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিশ, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নিচ্ছেন। জাতীয় নাগরিক কমিটিও বৈঠকে অংশ নিচ্ছে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ ছয় মাস— এমনটি জানিয়ে তিনি বলেন, ছয় সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হবে। রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় ঐকমত্যের মাধ্যমে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে, আমাদের আশা থাকবে সব রাজনৈতিক দল এটাতে স্বাক্ষর করবে। সেটা হবে জুলাই চার্টার।
ছয় সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সংস্কারের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে এবারে যাত্রা শুরু করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। খোদ প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বাধীন এই কমিশন সব রাজনৈতিক দল ও সংগঠনসহ অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক ও আলোচনার ভিত্তিতে এই রূপরেখা চূড়ান্ত হবে।