অভিনন্দন বার্তায় গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, ‘স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু’র পর নরেন্দ্র মোদি টানা তৃতীয় দফায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ভারত বিশ্ব রাজনীতিতে শক্তিশালী অবস্থান সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, বাজেট হয়েছে গতানুগতিক। গেলো কয়েক বছর যা হয়েছে, তার বাইরে বিশেষ কিছু নেই। দেশে অর্থনৈতিক সংকট চলছে। মূল্যস্ফীতি, প্রতিদিন জিনিস পত্রের দাম বাড়ছে। আছে বেকার সমস্যা। বৈদেশিক মুদ্রা যা আয় করছি, ব্যায় হচ্ছে তা চেয়েও বেশি। রিজার্ভ প্রতিদিন কমছে। এতে আমাদের টাকার দাম কমছে। এগুলো উত্তরণের কো
কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, আগামীতে দুটি মার্কা ছাড়া অন্য মার্কা খুঁজে পাওয়া যাবে না। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেননও নিজেদের মার্কা বাদ দিয়ে নৌকায় উঠেছেন। তারপরও অনেককে ডুবে যেতে হয়েছে। নির্বাচন এখন নির্বাচনে নেই, নেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এখন একটি দলের মধ্যেই হয় নির্বাচন।
বান্দরবানে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কয়েক দিনের সন্ত্রাসী হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠনের রাজনীতি করার যে দাবি, সে বিষয়ে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, সেটা প্রকৃত প্রস্তাবে একক দখল দারিত্ব কায়েমের প্রয়াস। ক্যাম্পাসের অন্য সকল রাজনীতি অবলুপ্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানসমূহ ও স
দেশে মানুষের জীবন ও ব্যক্তিগত সম্পদের নিরাপত্তা নেই। দেশের শাসনকার্যে দৃশ্যমান ব্যর্থতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। শাসনকার্য ভালোভাবে চলছে না, অর্থাৎ সুশাসনের অভাব। সুশাসন হচ্ছে আইনের শাসন ও ন্যয় বিচারভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা। আইনের শাসনের মধ্যে দুটি প্রধান বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। এরমধ্যে আইনের চোখে সবাই সমান ও শিষ্ট
তিনি বলেন, ‘তারা নিজেদের লোককে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছেন এবং তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে একটি সুবিধাবাদী গোষ্ঠী তৈরি করেছেন। তারা বিভিন্ন জায়গায় সরকারের জন্য লাঠি ধরছে। লাঠিয়াল হয়ে গেছে। এটা তো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হতে পারে না!’
কেন আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা লীগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে জানাবেন। আরও জানাবেন আপনি কি ভাবে জনবন্ধু হলেন। অন্যথায় যথা আদালতে আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সকল কাজ জনগণের স্বার্থে করেছিলেন। জনগণও সব সময় পল্লীবন্ধুকে নন্দিত করে রেখেছিলেন। এরশাদকে দেখলে পঙ্গপালের মতো মানুষ ছুটে আসতেন। আমরা সঠিকভাবে রাজনীতি করে পল্লীবন্ধুর স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।
জিএম কাদের বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয় দাম বেশি হলেও বেচাকেনা তো হচছে। একশ্রেণির মানুষ ভোগ বিলাসে দিন কাটাচ্ছে। সরকারের আশপাশের লোকজন হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করছে, তাদের দিকে তাকিয়ে দেশের মানুষেমানুষের কথা বিবেচনা করলে হবে না। বাজারের চাকচিক্য প্রমাণ করে বৈষম্য।
কাউন্সিলে তাকে কো–চেয়ারম্যান করার কথা উল্লেখ করে পদত্যাগপত্রে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মাধ্যমে এত বড় দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। কারণ, আমার পারিবারিক কাজ এবং স্বাস্থ্যগত সমস্যা, উপরন্তু এলাকার মানুষের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সার্বক্ষণিক ব্যস্ততার মধ্যে থাকতে হয়। এমতাবস্থায় উপরিউক্ত বিষয়গুলোর আল
বিরোধীদলীয় নেতা বিবৃতিতে বলেন, রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মহিমাময় মাহে রমজান সমাগত। মহা পুণ্যের এই রমজানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। রমজানের ফজিলতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সম্প্রীতি, সংহতি, ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। এ উপলক্ষে দেশের সকল ধর্মাবলম্বী মানুষের প্রতি
রওশন এরশাদপন্থীদের পৃথক সম্মেলন করার বিষয়কে দলের গঠনতন্ত্র বিরোধী বলে উল্লেখ করে মুজিবুল হক বলেন, আরেকটি ব্রাকেটবন্দী দল হতে পারে। কিন্তু জিএম কাদেরের নেতৃত্বে আমরাই মূল জাতীয় পার্টি।
কাউন্সিলে রওশন এরশাদকে জাতীয় পার্টির নতুন চেয়ারম্যান, কাজী ফিরোজ রশীদকে নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং কাজী মামুনুর রশীদকে মহাসচিব নির্বাচন করা হয়। এর আগেও জাতীয় পার্টি ছয়বার ভেঙেছে।
সম্মেলনে এরশাদের ছেলে রাহগির আল মাহি এরশাদ ওরফে সাদ এরশাদকে দলের অন্যতম কো-চেয়ারম্যান করা হয়। রওশনের অবর্তমানে সাদ দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবে বলেও সম্মেলনে ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ সময় তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জাতীয় পার্টির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। এর আগেই সকল জেলা ও উপজেলার কাউন্সিল সম্পন্ন করতে হবে। জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভা, পার্টির ইফতার মাহফিল এবং বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
রওশন এরশাদের সঙ্গে যাওয়ায় প্রায় ডজন খানেক শীর্ষ নেতাকে অব্যাহতি দিয়েছেন জিএম কাদের। তার মধ্যে পার্টির সাবেক মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদের মতো নেতাও রয়েছেন।