তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশকে বিভক্ত করে যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে, তা একপেশে ও বাস্তবতার সঙ্গে ততটা সঙ্গতিপূর্ণ নয়। একারণে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে আমরা আগ্রহী নই। নির্বাচিত পার্লামেন্টে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই।’
আজ রবিবার জাপা চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এক প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নিজ বাসভবনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানান ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। পরে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, দেশে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। এদিকে সরকারকে জোর দৃষ্টি দিতে হবে। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং খুলনার কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটের ঘটনায় তিনি নিন্দা জানান। এ ঘটনায় জড়িতদ
মোস্তফা বলেন, জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক ইতিহাসে কখনো কারও পার্টি অফিসে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা কাউকে বাধা প্রদানের অভিযোগ নেই। আমরা সেভাবে রাজনীতি করতে চাই।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়ে জানান, ‘জাতীয় বেইমান এই জাতীয় পার্টি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিজয়নগরে আমাদের ভাইদের পিটিয়েছে, অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। এবার এই জাতীয় বেইমানদের উৎখাত নিশ্চিত।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার দুপুর ২টায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় কাকরাইল চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য দেবেন জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি অনলাইন কর্মীদের সঙ্গে এবং ঢাকা বিভাগীয় জেলার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময়সভায় যোগ দিয়ে গোলাম মোহাম্মদ কাদের এসব কথা বলেন।
মিছিলে জাতীয় পার্টির অনেক নেতা-কর্মীর হাতে লাঠি ছিল। মিছিলটি নগরের জাহাজ কোম্পানি মোড় হয়ে প্রেসক্লাব চত্বর এলাকায় যায়। সেখান থেকে পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মোড় দিয়ে ঘুরে পায়রা চত্বর মোড়ে যায় বেলা সোয়া একটায়। পরে সেখানে সমাবেশ হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন মোস্তাফিজার রহমান, জাতীয় পার্টি জেলা কমিটির স
এই সংলাপে কোনোভাবেই যেন জাতীয় পার্টিকে (জাপা) ডাকা না হয় সে বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছিল আলোচনা। অনেকে জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারিতার সহযোগী হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে সংলাপে না ডাকার আহ্বান জানান।
জিএম কাদের বলেন, আমাদের সন্তানরা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছে। তারা গুলির সামনে বুক পেতে স্বৈরাচার হাসিনার পতন নিশ্চিত করেছে। এত হত্যা ও নির্যাতনের পরও আমাদের সন্তানরা আন্দোলন থেকে সরে যায়নি। আমাদের সন্তানদের আত্মত্যাগ বিফল হতে দেবো না। যে লক্ষ্য অর্জনে ছাত্ররা জীবন দিয়েছে, সেই লক্ষ্য অর্জ
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে জাতীয় মহিলা পার্টির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক অভিনন্দন বার্তায় ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ক্রিকেট কোচ ও বোর্ড সংশ্লিষ্টদেরও অভিনন্দন জানান তিনি।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনি ডিবি অফিস থেকে সরাসরি ইত্তেফাকে যান, সেখান থেকে ধানমন্ডিতে নিজ বাসায় অবস্থান করছেন।
আজ এক বিবৃতিতে জি এম কাদের বলেন, ভয়াবহ বন্যায় কোটি কোটি মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। বন্যার তোড়ে ভেসে গেছে মাঠের ফসল, পুকুর ও মৎস্য খামারের শত কোটি টাকার মাছ। ঘরের আসবাবপত্র, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গৃহপালিত পশু-পাখি হারিয়ে সম্বলহীন হয়ে পড়েছে লাখো পরিবার। বিপন্ন কোটি কোটি মানুষ পড়েছে সীমাহীন সংকটে। মানুষের
আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে জিএম কাদের বলেন, কোটা সংস্কার করতে গিয়ে ছাত্ররা জাতিকে মুক্তি দিয়েছে। আন্দোলনের ছাত্ররাই আমাদের মুক্তির দূত। তাদের এই ত্যাগ জাতি কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণে রাখবে।
রওশন এরশাদ ছাড়াও বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন কাজী ফিরোজ রশিদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, গোলাম সারোয়ার মিলন, রুস্তম আলী ফরাজি, জিয়াউল হক মৃধা, নুরুল ইসলাম মিলন, ইয়াহিয়া চৌধুরী, আব্দুল গাফফার বিশ্বাস, মোক্তার হোসেন, রাহগির আল মাহি শাদ, এমএ গোফরান, ইঞ্জিনিয়ার মামুনুর রশিদ এবং আবুল কাশেম সরকার।