প্রেসিডেন্ট বলেন, "সংবিধান কার্যকর আছে, সংসদীয় ব্যবস্থা কার্যকর এবং ফেডারেল গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র এখনও বিদ্যমান। ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা করে জনগণের কাছে আরও দক্ষ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।"
প্রাথমিকভাবে নেপালি সেনারা শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করেছিল। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর থেকে গণপরিবহন পুনরায় চালু হয়েছে। রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের দীর্ঘদূরত্বের বাসও রওয়ানা দিয়েছে।
শনিবার তামিলনাড়ুর ত্রিচি পৌঁছানোর পর তিনি আরেয়ালুরে একটি জনসভার মাধ্যমে তার প্রচার কাজ শুরু করবেন। যেখানে তিনি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিবেন।
একই দিনে নেপালে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসে; অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ, সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা।
প্রেসিডেন্ট পাওদেল এর আগে সংবিধানের ৬১ অনুচ্ছেদের অধীনে কার্কিকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন। ২০১৫ সালে নতুন সংবিধান প্রণয়নের পর এখন পর্যন্ত সব সরকারই ৭৬ অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে গঠিত হয়। তবে জেন-জিদের আন্দোলনের সমর্থনে আসীন হওয়া কার্কির নিয়োগকে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখ
হুমকির পর গোটা এলাকায় একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েও সন্দেভাজন কিছু পায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কারা এ হুমকি দিয়েছে, নিরাপত্তা ও তদন্তের স্বার্থে সে বিষয়েও কিছু জানায়নি পুলিশ।
সরকার পতনের পর শুরুতে এ পদে আলোচনায় উঠে আসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ ওরফে বলেনের নাম। পরে নেপাল সুপ্রিম কোটের সাবেক বিচারপতি সুশীলা কার্কিকেই ‘জেন-জি’রা অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান হিসেবে বেছে নিচ্ছেন বলে খবর ছড়িয়েছিল। এর মধ্যেই এ তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ
নেপালের সংবাদমাধ্যম খবরহাব জানিয়েছে, সাবেক বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে সরকার গঠনের খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করতে শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। নেপালের প্রেসিডেন্ট শীতল নিবাসে শুরু হয়েছে আলোচনা।