গত সোমবার আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করে বি এম ফাহমিদা আলম। এর পরিপ্রক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ করে হুমকি দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২০২১ সেশন ও শহীদ সার্জেন
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা বলেছিলাম আমাদের ছয় দফা দাবি মানা না হলে বিশ্ববিদ্যালয় লকডাউন এবং ব্ল্যাকআউট করে দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা সব কিছুই বন্ধ। ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে চালু প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে।
উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি কারও কাম্য নয়-ছাত্র, শিক্ষক বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কেউই তা চান না। আমাদের পক্ষ থেকে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও স্থানীয়রা সহযোগিতা করছে। আমার বিশ্বাস, সমস্যার সমাধান খুব দ্রুতই হয়ে যাবে।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, হাইকোর্টে এক নারী প্রার্থীর রিট ঘিরে সেই প্রার্থীকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষার্থী ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে গণধর্ষণের হুমকি দিয়েছে বলে জানা গেছে। হুমকিদাতা আলী হুসেনকে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়।
ডাকসু ও হল সংসদের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। ছেলেদের হলে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ও মেয়েদের হলে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রচারের সুযোগ রয়েছে। তবে প্রচারে মানতে হচ্ছে কড়া আচরণবিধি।
শিক্ষার্থীরা আম, জাম, নিম, বাদাম ও কৃষ্ণচূড়াসহ বিভিন্ন গাছের চারা রোপণ করে দারুণ উৎসাহ প্রকাশ করে এবং ভবিষ্যতে এগুলোর যত্ন নেওয়ার অঙ্গীকার জানায়।
ঢাবি উপাচার্য বলেন, ভোট স্থগিতের রায় আসার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আপিল করা হয় চেম্বার আদালতে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভোট স্থগিতের রায়টিই স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। ফলে ভোট নির্দিষ্ট সময়েই হবে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জানানো হয়েছে, আগামীকাল মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত এই এলাকায় ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে। এর আগে রোববার জারি করা এই ১৪৪ ধারা সোমবার মধ্যরাত পর্যন্ত বলবৎ থাকার কথা বলা হয়েছিল।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের ওই শিক্ষার্থী আলী হোসেন নিজের ফেসবুক আইডিতে এ হুমকি দেন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ রবিবার অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান থাকবে। আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ২০২৫ উপলক্ষে আগামী ০৮ সেপ্টেম্বর সোমবার থেকে ১০ সেপ্টেম্বর
অধ্যাপক মুজিবর বলেন, বহিরাগতদের হামলার পর বিশ্ববিদ্যালয় খোলা রাখার বাস্তবতা নেই। শিক্ষার্থীদের সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, সবকিছু বিবেচনা করে আগামীকাল (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আরও কিছু সিদ্ধান্ত নিতে আমরা বৈঠক করছি। বৈঠকের পর বাকি সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রেললাইনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীরা। সরকারের কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের আশ্বাসে প্রায় চার ঘণ্টা পর বিকেল পৌনে ৪টায় তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন।
এসব কর্মসূচি থেকে দ্রুততম সময়ে এ হামলার জন্য দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা না হলে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।