চবি প্রতিনিধি
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে প্রেক্ষিতে সোমবারের (১ সেপ্টেম্বর) সব পরীক্ষা স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই কারণে আজ রোববারের (৩১ আগস্ট) সব পরীক্ষাও স্থগিত ছিল।
রোববার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যাপক মমতাজ বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আজ (রোববার) ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। অনেককে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।
চবির এই পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, সবকিছু বিবেচনা করে আগামীকাল (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আরও কিছু সিদ্ধান্ত নিতে আমরা বৈঠক করছি। বৈঠকের পর বাকি সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে চবির ২ নম্বর গেটে এক নারী শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘিরে সংঘর্ষ শুরু হয়। রাতভর সংঘর্ষে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।
চবি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ওপর গ্রামবাসী হামলা করলে প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ প্রশাসন নীরব থাকে। পরে সেনাবাহিনী প্রবেশ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এদিকে রোববার সকালে স্থানীয়রা ফের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে চবি প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর এসব হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপউপাচার্য ও প্রক্টরও আহত হয়েছেন। পরে চবি ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে প্রেক্ষিতে সোমবারের (১ সেপ্টেম্বর) সব পরীক্ষা স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই কারণে আজ রোববারের (৩১ আগস্ট) সব পরীক্ষাও স্থগিত ছিল।
রোববার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যাপক মমতাজ বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আজ (রোববার) ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। অনেককে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।
চবির এই পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, সবকিছু বিবেচনা করে আগামীকাল (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আরও কিছু সিদ্ধান্ত নিতে আমরা বৈঠক করছি। বৈঠকের পর বাকি সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে চবির ২ নম্বর গেটে এক নারী শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘিরে সংঘর্ষ শুরু হয়। রাতভর সংঘর্ষে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।
চবি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ওপর গ্রামবাসী হামলা করলে প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ প্রশাসন নীরব থাকে। পরে সেনাবাহিনী প্রবেশ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এদিকে রোববার সকালে স্থানীয়রা ফের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে চবি প্রশাসন পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর এসব হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপউপাচার্য ও প্রক্টরও আহত হয়েছেন। পরে চবি ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।
রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রেললাইনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীরা। সরকারের কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের আশ্বাসে প্রায় চার ঘণ্টা পর বিকেল পৌনে ৪টায় তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন।
৬ ঘণ্টা আগেএসব কর্মসূচি থেকে দ্রুততম সময়ে এ হামলার জন্য দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা না হলে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
৬ ঘণ্টা আগে