এনসিপি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশকে (আপ বাংলাদেশ) নিয়ে এই জোট তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। সূত্র বলছে, আ স ম আবদুর রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদকেও এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না মনে করেন, বিএনপিকে নিয়ে যত সমালোচনা করা হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত মানুষ এই দলকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। তিনি বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরের জন্য কে দায়িত্ব নিবে, তা বোঝা মুশকিল। হয়তো কেউ প্রকাশ্যে বলতে চায় না, কিন্তু আমার মনে হয়, আমি বিএনপির পক্ষে প্রচারণা করি না
শরিক দলগুলোর নেতাদের অভিযোগ, এর বাইরেও অনেককে আরও আগেই অনানুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নির্বাচনে আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু এতদিনেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না জানানোর কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে—৩০ নভেম্বরের সমাবেশ হবে রংপুরে। ১ ডিসেম্বরের সমাবেশ হবে রাজশাহীতে। এই ধারাবাহিকতায় ২ ডিসেম্বর খুলনায়, ৩ ডিসেম্বর বরিশালে, ৪ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে, ৫ ডিসেম্বর সিলেটে ও ৬ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে অন্য সমাবেশগুলো অনুষ্ঠিত হবে। এসব সমাবেশে ৮ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি জানিয়েছেন, গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের বুথ আলাদা হওয়া দরকার। একই স্থানে হলেও বুথ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী পৃথক থাকলে অনিয়মের ঝুঁকি কমবে।
নুর বলেন, আসন্ন নির্বাচন দেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মানুষ যেন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারে এবং রাজনৈতিক দলগুলো নির্বিঘ্নে প্রচার-সমাবেশ চালানোর সুযোগ পায়। একটি অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে। দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শ
নূরুল হক নূর আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আজ গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। তারপরও আওয়ামী লীগের দেশে এখনো একটি সমর্থক গোষ্ঠী আছে। যারা শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসন আমল সমর্থন করেননি, পরিস্থিতির কারণে হয়তো দল করেছেন। তারা এলাকায় কারও ওপর নির্যাতন বা জুলুম করেননি। আমি বিএনপি, জামায়াত,
কাদের সিদ্দিকী বলেন, আল্লাহ যতটা অসন্তুষ্ট হলে কোনো শাসককে গদি থেকে সরিয়ে দেন, তা পরিপূর্ণভাবে শেখ হাসিনা করেছেন। আল্লাহর তরফ থেকে গজবের কারণেই তিনি তার ক্ষমতা হারিয়েছেন।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে প্রধান শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়া তিনটি রাজনৈতিক দলের দাবির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়েই প্রতিটি দলের কোনো না কোনো দাবি মেনে নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা চূড়ান্ত করেছে সরকার। কিন্তু তাতে কি শেষ রক্ষা হলো?
জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণকে স্বাগত জানিয়েছেন ১২ দলীয় জোটের নেতারা। তারা মনে করছেন, এই ভাষণের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সব ধরনের সংশয় কেটে গেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই জুলাই সনদের গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকেও তারা ‘যুগান্তকারী পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা জুলাই বিপ্লবের স্বীকৃতি দিতে নারাজ, তাদের জন্য চাব্বিশে কোনো নির্বাচন নেই। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি তৈরি হবে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের মাধ্যমে। আর জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। যারা জুলাইয়ের চেতনার প্রতি সম্মান রাখতে পারছে না,
এর আগে দুপুরে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে তারেককে অনশন ভেঙে আপিল করার আহ্বান জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আপিল, সংশোধনী, পরিমার্জন বা সময় বর্ধন—এসব তো প্রচলিত প্রক্রিয়া। নিশ্চয়ই তারা বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন। আমি আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি, যেন এই অনশন ভঙ্গ করে আইনগত প্
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধনের দাবিতে অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান। আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সামনে তার অনশন পেরিয়ে গেছে ১২৫ ঘণ্টা, তথা টানা পাঁচ দিন। তার শারীরিক অবস্থারও অবনতি ঘটেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বলছে, ৫০০ ঘণ্টা অনশন করলেও তাদের কিছু করার নেই।
তিনি বলেছেন, জামাতের আমির, ইসলামী আন্দোলনের আমিরসহ যে সমস্ত জাতীয় নেতৃবৃন্দ গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাষ্ট্র সংস্কারের আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং আগামীর বাংলাদেশ নির্মাণে ভূমিকা রাখবেন, তাদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো যেন এসব জাতীয় নেতৃবৃন্দের এলাকায় প্রার্থী না দিয়ে নতুন উদাহরণ সৃষ্টি
রুহুল কবির রিজভী বলেন, তারেক এ দেশের স্বার্থে কথা বলেছেন, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে কথা বলেছেন। আমজনতার দলের অবশ্যই নিবন্ধন প্রাপ্য। তাদের নিবন্ধন না দিলে নির্বাচন কমিশন কাদের নিবন্ধন দেবে?
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি বলেছে, জাতীয় ঐক্য কমিশন প্রণীত জুলাই সনদ এখন নৈতিক ভিত্তি হারিয়েছে। দলটির মতে, কথিত ঐক্যমত্য কমিশনের প্রণীত এই দলিল প্রতারণাপূর্ণ ও চাতুর্যমিশ্রিত, যা বর্তমান জাতীয় সংকট আরও গভীর করেছে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলার ঐক্য না হওয়ার একটা প্রধান কারণ হচ্ছে চেয়ারে কে আগে বসবে কে পেছনে বসবে। সংস্কারটা কত কঠিন বুঝতে পারছেন? অনেকে বলেন লৌকিক সংস্কারের লাভ কী? সংস্কার তো এভাবে একটা দুইটা করেই করতে হবে। দল যদি সংস্কার না হয়, রাজনীতি কীভাবে সংস্কার হবে?