
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিসহ (জেপি) ২০টি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোট জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) আত্মপ্রকাশ করেছে। আত্মপ্রকাশের দিনে লেভেল-প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে জোটটি।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানের ইমানুয়েলস পার্টি সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ জোট আত্মপ্রকাশের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। জোটের নেতৃত্বে থাকা জাপা আওয়ামী লীগের একসময়ের জোটসঙ্গী ও আওয়ামী লীগ-নিয়ন্ত্রিত বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত। নেতৃত্বে থাকা আরেক দল জেপি বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের ১৪ দলীয় জোটের শরিক।
সংবাদ সম্মেলনে ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টে’র ঘোষণা দেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। জোটের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে থাকছেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, মুখপাত্র হিসেবে থাকছেন জাতীয় পার্টির (একাংশ) মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার এবং জোটের মহাসচিব জনতা পার্টি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার মিলন।
জাপা ও জেপি বাদে জোটের অন্য দলগুলো হলো— জনতা পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জাতীয় ইসলামিক মহাজোট, জাতীয় সংস্কার জোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, অ্যাপ্লায়েড ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ডেমোক্রেটিক পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।
জোট গঠনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের প্রকৃত গণতান্ত্রিক রূপান্তর, বিরাজমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান আকাঙ্ক্ষার সমন্বয়ে আগামী দিনের রাষ্ট্র সংস্কার, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, মধ্যপন্থার উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক বেগবান করা, ইসলামি মূল্যবোধ এবং সর্বধর্ম সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রবর্তন, ফ্যাসিবাদের চির অবসান এবং সুশাসন প্রত্যাশী জনগণের ম্রিয়মাণ কণ্ঠস্বরকে সোচ্চার করতে রাজনৈতিক জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
লিখিত বক্তব্যে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আরও বলেন, জোটভুক্ত দলগুলো নিজ নিজ আদর্শ ও স্বকীয়তা বজায় রেখে উপযুক্ত নীতিমালা এবং কয়েকটি দাবির ভিত্তিতে আগামী নির্বাচন ও রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। এর নাম হবে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট।
লিখিত বক্তব্যে সাত দফা দাবি জানানো হয়—
ক) সব হয়রানিমূলক মামলা তুলে নিয়ে ভোটে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
খ) অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোটের ব্যবস্থা করতে হবে;

আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিসহ (জেপি) ২০টি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোট জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) আত্মপ্রকাশ করেছে। আত্মপ্রকাশের দিনে লেভেল-প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে জোটটি।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানের ইমানুয়েলস পার্টি সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ জোট আত্মপ্রকাশের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। জোটের নেতৃত্বে থাকা জাপা আওয়ামী লীগের একসময়ের জোটসঙ্গী ও আওয়ামী লীগ-নিয়ন্ত্রিত বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত। নেতৃত্বে থাকা আরেক দল জেপি বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের ১৪ দলীয় জোটের শরিক।
সংবাদ সম্মেলনে ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টে’র ঘোষণা দেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। জোটের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে থাকছেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, মুখপাত্র হিসেবে থাকছেন জাতীয় পার্টির (একাংশ) মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার এবং জোটের মহাসচিব জনতা পার্টি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার মিলন।
জাপা ও জেপি বাদে জোটের অন্য দলগুলো হলো— জনতা পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জাতীয় ইসলামিক মহাজোট, জাতীয় সংস্কার জোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, অ্যাপ্লায়েড ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ডেমোক্রেটিক পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।
জোট গঠনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের প্রকৃত গণতান্ত্রিক রূপান্তর, বিরাজমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান আকাঙ্ক্ষার সমন্বয়ে আগামী দিনের রাষ্ট্র সংস্কার, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, মধ্যপন্থার উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক বেগবান করা, ইসলামি মূল্যবোধ এবং সর্বধর্ম সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রবর্তন, ফ্যাসিবাদের চির অবসান এবং সুশাসন প্রত্যাশী জনগণের ম্রিয়মাণ কণ্ঠস্বরকে সোচ্চার করতে রাজনৈতিক জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
লিখিত বক্তব্যে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আরও বলেন, জোটভুক্ত দলগুলো নিজ নিজ আদর্শ ও স্বকীয়তা বজায় রেখে উপযুক্ত নীতিমালা এবং কয়েকটি দাবির ভিত্তিতে আগামী নির্বাচন ও রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। এর নাম হবে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট।
লিখিত বক্তব্যে সাত দফা দাবি জানানো হয়—
ক) সব হয়রানিমূলক মামলা তুলে নিয়ে ভোটে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
খ) অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোটের ব্যবস্থা করতে হবে;

দেশের ২৯৯টি আসনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আজ টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
২ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যে যাত্রা আজ শুরু হলো, আমরা আশা করি আগামী দিনে এই পথ মসৃণ হবে। মানুষের জীবন, রাজনীতি ও অর্থনীতি সুন্দরের দিকে এগিয়ে যাবে এটাই আমাদের লক্ষ্য।
২ ঘণ্টা আগে
এই নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ ৫০টি রাজনৈতিক দলের দুই হাজারেরও বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটারের এই বিশাল ম্যান্ডেট রক্ষায় সারাদেশে মোতায়েন রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ১০ লাখ সদস্য।
৩ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিজয়ের আকাঙ্ক্ষা সবারই থাকে। কিন্তু সে আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য অনৈতিক ও বেআইনি পথ গ্রহণ করা কাঙ্ক্ষিত ছিল না। দুর্ভাগ্য আমাদের, আজ সারা দিন যেসব তথ্য-উপাত্ত আমরা পেয়েছি, তাতে আমরা খুবই মর্মাহত। প্রায় ১২৭টি বিষয় আমাদের সামনে এসেছে। এর বাইরে আরও আছে, সবগুলো আমরা দেখতেও পারিনি। এগুল
১০ ঘণ্টা আগে