‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দায়বদ্ধতা ও দলীয় মূল্যবোধের আলোকে সম্ভাব্য জোট বিষয়ে নীতিগত আপত্তি সংক্রান্ত স্মারকলিপি’––শিরোনামের এই চিঠিতে বলা হয়, স্বাক্ষরকারীরা দলের প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে একটি 'গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত বিষয়ে' তাদের 'গভীর উদ্বেগ ও অবস্থান' সামনে আনতে চান।
পোস্টে তাসনিম জারা লিখেন, ‘প্রিয় খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদাবাসী,আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। খিলগাঁওয়েই আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। আমার স্বপ্ন ছিল একটি রাজনৈতিক দলের প্ল্যাটফর্ম থেকে সংসদে গিয়ে আমার এলাকার মানুষের ও দেশের সেবা করা। তবে বাস্তবিক প্রেক্ষাপটের কারণে আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা জোটের প্রার্থী হিসেবে ন
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা। দলীয় মনোনয়ন পাওয়া সত্ত্বেও তিনি দল বা জোটের প্রার্থী হিসেবে নয়, বরং স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমান এবং তার পরিবার রাজনৈতিক ভিন্ন মতের কারণে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন এবং তাকে দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকতে হয়েছে। হাজারো শহীদের রক্ত দানের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের ফলে এমন প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে যেখানে তিনি ও তার পরিবার দেশে ফিরে আসতে পেরেছেন।
দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, দেশে যখন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হলেও নির্বাচন হবে কি না- এ নিয়ে মানুষের মধ্যে শঙ্কা ছিল, এমন প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান দেশে ফেরায় নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা দূর হলো।
আব্দুল কাদের এনসিপি-জামায়াতের জোটবদ্ধ হওয়াকে ‘তারুণ্যের রাজনীতির কবর’ বলে অভিহিত করেছেন। দাবি করেছেন, সারা দেশে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে গুটিকয়েক নেতার ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যেই এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছেড়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব মীর আরশাদুল হক। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেছেন।
অনুদান সংগ্রহ বন্ধের ঘোষণা দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের এই অভূতপূর্ব সাড়া পুরনো রাজনৈতিক ধারার মূলে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। এখন থেকে তার আসল লড়াই শুরু বলেও জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
সাধারণ মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানানোর মাত্র ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তার তহবিলে জমা হয়েছে ২৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, যা তার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও বেশি।
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে ঘিরে সংঘটিত মব ভায়োলেন্সের সঙ্গে সরকারের একটি অংশের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ রাজনৈতিক সমর্থন রয়েছে মন্তব্য করে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, 'সরকারের একটি অংশের মদদ ছাড়া এ ধরনের সহিংসতা সংঘটিত হওয়া সম্ভব নয়।'
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যে ব্যক্তিরা প্রথম আলো ডেইলি স্টারসহ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর হামলা করেছে, তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্লোগান, শহীদদের নাম এবং আন্দোলনের ভাষাকে ব্যবহার করেছে। এর মাধ্যমে সহিংসতার পক্ষে সামাজিক সমর্থন তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের যে নিষ্ক্রিয়তা আমরা দেখতে পেয়েছি, সরকারের একটা অংশের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া, তাদের পরিকল্পনা ছাড়া এটা সম্ভব হতো না। কারণ এটাই প্রথম ঘটনা নয়, এর আগেও এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আমরা মাজারে যে হামলা সেটা আমরা দেখতে পেয়েছি। প্রথম আলো, ডেইলি স্টারে বরাবর হুমকি দেওয়া হয়েছে। আক্রমণ করার চেষ্
তিনি জুমার নামাজের পর শাহবাগে দলের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিতের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকায় জুমার পরে আমাদের শাহবাগের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করা হলো। তার পরিবর্তে বিকেল ৪টায় বাংলামোটর থেকে বিক্ষোভ মিছিল আয়োজিত হবে। সবাইকে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।’
‘আমাদের এই সহযোদ্ধার অকালপ্রয়াণে এনসিপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি,’— শোকবার্তায় লিখেছে এনসিপি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা প্রতিযোগিতা করব, কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করব না। আমাদের মাঝে ভালো কাজের প্রতিযোগিতা থাকবে। আপনারা যার ভোট সে দেবেন, যাকে খুশি তাকে দেবেন। মারামারি করবেন না। যারা মারামারি করে, তাদের কাজই হলো মারামারি করে তাদের দলকে উপস্থাপন করা।
সামান্তা শারমিন বলেন, ‘ওসমান হাদির মস্তিষ্ক ভেদ করা বুলেট যেমন আমাদের ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। এরই মধ্যে যখন সহকর্মী রুমির ঝুলন্ত মরদেহ আমাদেরকে, দেশের সব মানুষকে, সব জুলাইযোদ্ধাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাচ্ছি।’
বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘আগ্রাসন বিরোধী’ যাত্রা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর বাংলা মোটর এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়। শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হবে বলে জানা গেছে।