
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পার্শ্ববর্তী দেশ নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে অভিযোগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কোনো দেশ যদি বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, তাহলে এ দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।
শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল ইনসাফভিত্তিক একটি রাষ্ট্র গড়া—যেখানে জনগণের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী দেশ প্রকাশ্যে ১১ দলীয় জোটের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক শক্তির পক্ষে কাজ করছে, যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন কোনো বিচ্ছিন্ন বা আকস্মিক ঘটনা নয়। এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিক ফল। সেই গণঅভ্যুত্থানের কারণেই আজ দেশ একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পেরেছে।
১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী অসমাপ্ত কাজগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্পন্ন করা হবে। তিনি বলেন, তাদের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার থাকবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বিচার নিশ্চিত করা এবং শরিফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা।
জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন দলটির নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। সমাবেশে বক্তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পার্শ্ববর্তী দেশ নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে অভিযোগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কোনো দেশ যদি বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, তাহলে এ দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।
শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পাইলট হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল ইনসাফভিত্তিক একটি রাষ্ট্র গড়া—যেখানে জনগণের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী দেশ প্রকাশ্যে ১১ দলীয় জোটের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক শক্তির পক্ষে কাজ করছে, যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন কোনো বিচ্ছিন্ন বা আকস্মিক ঘটনা নয়। এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিক ফল। সেই গণঅভ্যুত্থানের কারণেই আজ দেশ একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পেরেছে।
১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী অসমাপ্ত কাজগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্পন্ন করা হবে। তিনি বলেন, তাদের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার থাকবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বিচার নিশ্চিত করা এবং শরিফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা।
জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন দলটির নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। সমাবেশে বক্তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে